বগুড়ায় বাজার সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় এক যুবলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে হাত ও পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। ভোটকেন্দ্র থেকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ওই যুবলীগ নেতা। নিহত আলাল শেখ শহরের চক সূত্রাপুর এলাকার বাসিন্দা এবং শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
জানা যায়, গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) শহরের শাহ্ ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির নির্বাচন চলাকালে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। আলাল শেখ ওই সমিতির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক এবং এবারের নির্বাচনেও একই পদে প্রার্থী ছিলেন।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য ও বাজারের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, নির্বাচন চলাকালে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলাল শেখকে একদল যুবক টেনে-হিঁচড়ে বাজারের ভেতর থেকে বের করে আনেন। সেখান থেকে তারা আলালকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে শহরের মালগ্রাম ডাবতলা এলাকার একটি নির্জন বাগানে যান।
স্বজনদের অভিযোগ, সেখানে হাত-পা বেঁধে বস্তায় তুলে প্রথমে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলালকে মারধর করা হয়। এতে তার দুই পা ও একটি হাত ভেঙে যায়। পরে সন্ত্রাসীরা তার হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, শহর যুবদলের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বেই বাজার থেকে প্রকাশ্যে আলাল শেখকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজনৈতিক পূর্বশত্রুতা এবং বাজার সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি তাদের।
ঘটনার দিন গুরুতর আহত অবস্থায় আলাল শেখকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়।
প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে মারধর ও রগ কেটে দেয়ার ঘটনায় পরদিন বগুড়া সদর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আলাল শেখের বাবা সিদ্দিকুর রহমান মেরু শেখ।
মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা ডিবি পুলিশের ইনচার্জ ইকবাল বাহার বলেন, ‘হত্যাচেষ্টা মামলাটি এখন বিধি মোতাবেক হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে।’
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে আটক করার কথা জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মামলার প্রধান আসামি শফিকুলসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।’
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ওই যুবলীগ নেতা। নিহত আলাল শেখ শহরের চক সূত্রাপুর এলাকার বাসিন্দা এবং শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
জানা যায়, গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) শহরের শাহ্ ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির নির্বাচন চলাকালে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। আলাল শেখ ওই সমিতির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক এবং এবারের নির্বাচনেও একই পদে প্রার্থী ছিলেন।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য ও বাজারের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, নির্বাচন চলাকালে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলাল শেখকে একদল যুবক টেনে-হিঁচড়ে বাজারের ভেতর থেকে বের করে আনেন। সেখান থেকে তারা আলালকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে শহরের মালগ্রাম ডাবতলা এলাকার একটি নির্জন বাগানে যান।
স্বজনদের অভিযোগ, সেখানে হাত-পা বেঁধে বস্তায় তুলে প্রথমে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলালকে মারধর করা হয়। এতে তার দুই পা ও একটি হাত ভেঙে যায়। পরে সন্ত্রাসীরা তার হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, শহর যুবদলের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বেই বাজার থেকে প্রকাশ্যে আলাল শেখকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজনৈতিক পূর্বশত্রুতা এবং বাজার সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি তাদের।
ঘটনার দিন গুরুতর আহত অবস্থায় আলাল শেখকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়।
প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে মারধর ও রগ কেটে দেয়ার ঘটনায় পরদিন বগুড়া সদর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আলাল শেখের বাবা সিদ্দিকুর রহমান মেরু শেখ।
মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা ডিবি পুলিশের ইনচার্জ ইকবাল বাহার বলেন, ‘হত্যাচেষ্টা মামলাটি এখন বিধি মোতাবেক হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে।’
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে আটক করার কথা জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মামলার প্রধান আসামি শফিকুলসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।’