ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তার পরিবারসহ হত্যার পরও দেশটির ইসলামী শাসনতন্ত্রের অবসান ঘটাতে না পেরে টানা ৩৩ দিন ধরে একের পর এক নেতা ও কমান্ডারকে হত্যা করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেইসঙ্গে ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হচ্ছে ইরানের জ্বালানি ও পারমাণবিক কর্মসূচিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনাও।
এরই ধারাবাহিকতায় এবার ইরানের সবচেয়ে উঁচু বি-১ সেতুতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যৌথ এ হামলায় ভেঙে গেছে সেতুটির মধ্যভাগ। অন্তত ৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন এ ঘটনায়। সেইসঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ৯৫ জন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের কারাজের কাছে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু বি-১ সেতুতে হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত আটজন নিহত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই সেতুতে দুইবার হামলা চালায়, যার ফলে সেতুর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে মাটিতে পড়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রায় ১ কিলোমিটার লম্বা সেতুটির বড় বড় অংশ হামলার পর ধসে পড়েছে। বিশেষ করে সেতুটির মাঝামাঝি অংশ বিধ্বস্ত হয়েছে।
আলব্রোজ প্রদেশের কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সেতুর মধ্যভাগ ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরানের কর্তৃপক্ষ বি-১ সেতুকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু বলে উল্লেখ করেছেন।
হামলার প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি লিখেছেন, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা একটি অগোছালো শত্রুর পরাজয় এবং নৈতিক পতন। তিনি আরও লিখেছেন, অসমাপ্ত সেতুসহ নাগরিক স্থাপনার ওপর হামলা ইরানিদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করবে না।
ইরানি মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, সেতুটি তেহরান ও কারাজ-এর মধ্যে যানজট নিরসন করতে এবং দেশের উত্তর দিকে যাতায়াত সহজ করতে নির্মাণ করা হচ্ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় এবার ইরানের সবচেয়ে উঁচু বি-১ সেতুতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যৌথ এ হামলায় ভেঙে গেছে সেতুটির মধ্যভাগ। অন্তত ৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন এ ঘটনায়। সেইসঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ৯৫ জন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের কারাজের কাছে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু বি-১ সেতুতে হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত আটজন নিহত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই সেতুতে দুইবার হামলা চালায়, যার ফলে সেতুর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে মাটিতে পড়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রায় ১ কিলোমিটার লম্বা সেতুটির বড় বড় অংশ হামলার পর ধসে পড়েছে। বিশেষ করে সেতুটির মাঝামাঝি অংশ বিধ্বস্ত হয়েছে।
আলব্রোজ প্রদেশের কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সেতুর মধ্যভাগ ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরানের কর্তৃপক্ষ বি-১ সেতুকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু বলে উল্লেখ করেছেন।
হামলার প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি লিখেছেন, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা একটি অগোছালো শত্রুর পরাজয় এবং নৈতিক পতন। তিনি আরও লিখেছেন, অসমাপ্ত সেতুসহ নাগরিক স্থাপনার ওপর হামলা ইরানিদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করবে না।
ইরানি মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, সেতুটি তেহরান ও কারাজ-এর মধ্যে যানজট নিরসন করতে এবং দেশের উত্তর দিকে যাতায়াত সহজ করতে নির্মাণ করা হচ্ছিল।