ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে অবিলম্বে পদ ছেড়ে অবসর নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ।
শুক্রবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে পেন্টাগন সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে আরও বড় প্রশাসনিক রদবদলের ইঙ্গিত মিলছে।
একটি আন্তর্জাতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুধু জর্জই নন, এফবিআই ডিরেক্টর কাশ প্যাটেল, আর্মি সেক্রেটারি ড্যানিয়েল ড্রিসকল এবং শ্রমসচিব লরি চাভেজ-ডেরেমার, তাঁদেরও ট্রাম্প প্রশাসন থেকে সরানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। যদিও এই সিদ্ধান্তগুলি কবে কার্যকর হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয় এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলেই জানা গিয়েছে।
শীর্ষ সেনা আধিকারিকদের সরানোর ধারা
পিট হেগসেথ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পেন্টাগনে দ্রুত পরিবর্তনের পথে হেঁটেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা নীতিকে বাস্তবায়িত করতে একের পর এক শীর্ষ জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
র্যান্ডি জর্জকে সরানোর সিদ্ধান্ত সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যেই ডজনখানেকের বেশি শীর্ষ সেনা আধিকারিককে সরানো বা আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারিতেও এক দফা বড়সড় রদবদল হয়েছিল। সেই সময় নৌবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিক অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রাঞ্চেত্তি এবং বিমানবাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারী জেনারেল জিম সিলফেকে সরানো হয়। একই সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল চার্লস “সিকিউ” ব্রাউনকেও বরখাস্ত করেন।
এর পর থেকে আরও একাধিক শীর্ষ সামরিক আধিকারিক হয় আগাম অবসর নিয়েছেন, নয়তো তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই রদবদলের ঢেউ লেগেছে সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় শীর্ষ পদেও। জর্জের ডেপুটি, ভাইস চিফ অফ স্টাফ জেনারেল জেমস মিংগাস, যিনি দুই বছরেরও কম সময় এই পদে ছিলেন, তাঁর জায়গায় আচমকাই লেফটেন্যান্ট জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভকে মনোনীত করেন ট্রাম্প।
লানেভ এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় এইটথ আর্মির কমান্ডার হিসেবে কাজ করছিলেন এবং পরে হেগসেথের শীর্ষ সামরিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পান।
ইনফ্যান্ট্রি অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা র্যান্ডি জর্জ ওয়েস্ট পয়েন্ট মিলিটারি অ্যাকাডেমির স্নাতক। তিনি প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ, ইরাক এবং আফগানিস্তান - এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।
২০২৩ সালে তাঁকে মার্কিন সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে নিয়োগ করা হয়, যেখানে সাধারণত চার বছরের মেয়াদ থাকে।
এর আগে তিনি আর্মির ভাইস চিফ হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। পাশাপাশি, প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিনের সিনিয়র সামরিক উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাইডেন প্রশাসনের সময় অস্টিনের শীর্ষ সামরিক সহকারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
শুক্রবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে পেন্টাগন সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে আরও বড় প্রশাসনিক রদবদলের ইঙ্গিত মিলছে।
একটি আন্তর্জাতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুধু জর্জই নন, এফবিআই ডিরেক্টর কাশ প্যাটেল, আর্মি সেক্রেটারি ড্যানিয়েল ড্রিসকল এবং শ্রমসচিব লরি চাভেজ-ডেরেমার, তাঁদেরও ট্রাম্প প্রশাসন থেকে সরানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। যদিও এই সিদ্ধান্তগুলি কবে কার্যকর হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয় এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলেই জানা গিয়েছে।
শীর্ষ সেনা আধিকারিকদের সরানোর ধারা
পিট হেগসেথ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পেন্টাগনে দ্রুত পরিবর্তনের পথে হেঁটেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা নীতিকে বাস্তবায়িত করতে একের পর এক শীর্ষ জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
র্যান্ডি জর্জকে সরানোর সিদ্ধান্ত সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যেই ডজনখানেকের বেশি শীর্ষ সেনা আধিকারিককে সরানো বা আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারিতেও এক দফা বড়সড় রদবদল হয়েছিল। সেই সময় নৌবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিক অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রাঞ্চেত্তি এবং বিমানবাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারী জেনারেল জিম সিলফেকে সরানো হয়। একই সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল চার্লস “সিকিউ” ব্রাউনকেও বরখাস্ত করেন।
এর পর থেকে আরও একাধিক শীর্ষ সামরিক আধিকারিক হয় আগাম অবসর নিয়েছেন, নয়তো তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই রদবদলের ঢেউ লেগেছে সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় শীর্ষ পদেও। জর্জের ডেপুটি, ভাইস চিফ অফ স্টাফ জেনারেল জেমস মিংগাস, যিনি দুই বছরেরও কম সময় এই পদে ছিলেন, তাঁর জায়গায় আচমকাই লেফটেন্যান্ট জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভকে মনোনীত করেন ট্রাম্প।
লানেভ এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় এইটথ আর্মির কমান্ডার হিসেবে কাজ করছিলেন এবং পরে হেগসেথের শীর্ষ সামরিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পান।
ইনফ্যান্ট্রি অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা র্যান্ডি জর্জ ওয়েস্ট পয়েন্ট মিলিটারি অ্যাকাডেমির স্নাতক। তিনি প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ, ইরাক এবং আফগানিস্তান - এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।
২০২৩ সালে তাঁকে মার্কিন সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে নিয়োগ করা হয়, যেখানে সাধারণত চার বছরের মেয়াদ থাকে।
এর আগে তিনি আর্মির ভাইস চিফ হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। পাশাপাশি, প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিনের সিনিয়র সামরিক উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাইডেন প্রশাসনের সময় অস্টিনের শীর্ষ সামরিক সহকারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।