এতিম ও দুঃস্থ শিশুদের ব্যক্তিত্ব গঠন এবং তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) কার্যালয় প্রাঙ্গণে তাদের আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল মামুন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাজমুল হক সুমন, সহকারী পরিচালক মোছা. সাইয়েদা সুলতানা, উপ-তত্ত্বাবধায়ক সারোয়ার মুর্শিদ আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।
এতিম শিশুদের উন্নত মানবসম্পদে রূপান্তর এবং তাদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই আয়োজন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধে তুলে ধরা হয়—সমাজসেবা অধিদফতরের আওতায় পরিচালিত শিশু পরিবারগুলোর কার্যক্রম, বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এবং তা উত্তরণের কৌশল। বক্তারা বলেন, সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি, আধুনিক প্রশিক্ষণ চালু, মনোসামাজিক সহায়তা জোরদার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এসব শিশুদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করা সম্ভব। সেমিনারে জানানো হয়, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হলেও এখনও বিপুলসংখ্যক এতিম ও দুঃস্থ শিশু প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য।১৯৪৪ সালের এতিম আইন অনুযায়ী বর্তমানে সারাদেশে ৮৫টি শিশু পরিবার পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে প্রায় ১০ হাজার শিশুকে ভরণপোষণ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বর্তমানে জগন্নাথপুরে নিজস্ব ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। এখানে ৬ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের ভর্তি করে ১৮ বছর পর্যন্ত বিনামূল্যে লালন-পালন, শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
তবে বক্তারা উল্লেখ করেন, জনবল সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা,পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব এবং সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি শিশুদের বিকাশে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। সেমিনারের আলোচকরা জোর দিয়ে বলেন,এতিম শিশুদের শুধু আশ্রয় প্রদানই যথেষ্ট নয়,তাদের দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত, মানবিক ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই নিশ্চিত হবে একটি সমৃদ্ধ ও আলোকিত ভবিষ্যৎ।
বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) কার্যালয় প্রাঙ্গণে তাদের আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল মামুন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাজমুল হক সুমন, সহকারী পরিচালক মোছা. সাইয়েদা সুলতানা, উপ-তত্ত্বাবধায়ক সারোয়ার মুর্শিদ আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।
এতিম শিশুদের উন্নত মানবসম্পদে রূপান্তর এবং তাদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই আয়োজন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধে তুলে ধরা হয়—সমাজসেবা অধিদফতরের আওতায় পরিচালিত শিশু পরিবারগুলোর কার্যক্রম, বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এবং তা উত্তরণের কৌশল। বক্তারা বলেন, সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি, আধুনিক প্রশিক্ষণ চালু, মনোসামাজিক সহায়তা জোরদার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এসব শিশুদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করা সম্ভব। সেমিনারে জানানো হয়, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হলেও এখনও বিপুলসংখ্যক এতিম ও দুঃস্থ শিশু প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য।১৯৪৪ সালের এতিম আইন অনুযায়ী বর্তমানে সারাদেশে ৮৫টি শিশু পরিবার পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে প্রায় ১০ হাজার শিশুকে ভরণপোষণ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বর্তমানে জগন্নাথপুরে নিজস্ব ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। এখানে ৬ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের ভর্তি করে ১৮ বছর পর্যন্ত বিনামূল্যে লালন-পালন, শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
তবে বক্তারা উল্লেখ করেন, জনবল সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা,পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব এবং সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি শিশুদের বিকাশে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। সেমিনারের আলোচকরা জোর দিয়ে বলেন,এতিম শিশুদের শুধু আশ্রয় প্রদানই যথেষ্ট নয়,তাদের দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত, মানবিক ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই নিশ্চিত হবে একটি সমৃদ্ধ ও আলোকিত ভবিষ্যৎ।