৫২ বছর। অর্ধশতকেরও বেশি অপেক্ষা। অবশেষে রাহুমুক্তি! বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরল ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। আর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দেশজুড়ে আবেগের বিস্ফোরণ। রাজধানী কিনশাসা নাচ, গান, উদযাপনে মেতে। মুষলধার বৃষ্টির মধ্যেও উদ্দাম জনতা ‘রাত দখল’ করল!
জামাইকার বিরুদ্ধে ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফ ফাইনাল। ম্যাচ গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই উঠে এলেন ‘জাতির নতুন নায়ক’ অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে। একমাত্র গোল করে দলকে জেতালেন। যার সুবাদে নিশ্চিত হল বিশ্বকাপের টিকিট। ১৯৭৪-র পর এই টুর্নামেন্টে নামবে কঙ্গো। আগে যেবার খেলে, তখন দেশের নাম ছিল ‘জাইর’। এবার নতুন পরিচতি। গোড়া থেকে ইতিহাস লেখার পালা।
রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই রাস্তায় নেমে পড়ে জনতা। কিনশাসার সড়ক দখল করে শুরু হয় নাচ, গান। বাজতে থাকে গাড়ির হর্ন, বাদ যায়নি হাঁড়ি-কড়াই-ও! পুরো শহর অঘোষিত ও আকস্মিক কার্নিভালের চেহারা নেয়। সমাজের সমস্ত স্তর একসঙ্গে মেতে ওঠে এই অকাল-উৎসবে। ততক্ষণে তেড়ে নেমেছে বৃষ্টি। কিন্তু অক্লান্ত বর্ষণও থামাতে পারেনি উল্লাস!
শুনতে অবাক ঠেকলেও অনুরাগীরা আইন-কানুন কোনওকিছুকে পাত্তা দিতে নারাজ। কেউ চলন্ত গাড়ির জানালা দিয়ে শরীরটা কিঞ্চিৎ গলিয়ে বৃষ্টিতে আস্নাত শরীর এলিয়ে দিলেন, কেউ ‘৫০ বছর ধরে এই মুহূর্তের অপেক্ষা। আজ ঘুম নয়, সারারাত উদযাপন!’—বলে ফের গানের তালে পা দোলানো শুরু করলেন।
উচ্ছ্বাস আগল ভাঙবে না কেন? কঙ্গোর এই জায়গায় পৌঁছনো যে এতটুকু সহজ ছিল না। যোগ্যতা পর্বে শক্তিশালী দল নাইজেরিয়া ও ক্যামেরুনকে হারিয়ে আসতে হয়েছে। শেষ ধাপে প্লে-অফে শক্তিশালী জামাইকাকে পর্যুদস্ত করাও কি চাট্টিখানি কথা? ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফল এই সাফল্য। মেনে নিচ্ছেন সকলে।
এবার লক্ষ্য বিশ্বকাপ। ঠাঁই জুটেছে গ্রুপ কে-তে। প্রতিপক্ষ পর্তুগাল, কলম্বিয়া ও উজবেকিস্তান। লড়াই কঠিন। কিন্তু কঙ্গো বাহিনী লড়ার আগে হাল ছাড়তে নারাজ। দেশটা এমনিতেই বহুদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। ফুটবল মাঠে এই জয় তাই শুধু ময়দানি সাফল্য নয়, জাতীয় ঐক্যের মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে। এক সমর্থক কথাটা মেনে নিয়ে বললেন, ‘আমাদের একটু আনন্দ দরকার ছিল। এই জয় সবাইকে এক করেছে! এর প্রভাব তো পুরো দেশে পড়বেই।’
জামাইকার বিরুদ্ধে ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফ ফাইনাল। ম্যাচ গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই উঠে এলেন ‘জাতির নতুন নায়ক’ অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে। একমাত্র গোল করে দলকে জেতালেন। যার সুবাদে নিশ্চিত হল বিশ্বকাপের টিকিট। ১৯৭৪-র পর এই টুর্নামেন্টে নামবে কঙ্গো। আগে যেবার খেলে, তখন দেশের নাম ছিল ‘জাইর’। এবার নতুন পরিচতি। গোড়া থেকে ইতিহাস লেখার পালা।
রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই রাস্তায় নেমে পড়ে জনতা। কিনশাসার সড়ক দখল করে শুরু হয় নাচ, গান। বাজতে থাকে গাড়ির হর্ন, বাদ যায়নি হাঁড়ি-কড়াই-ও! পুরো শহর অঘোষিত ও আকস্মিক কার্নিভালের চেহারা নেয়। সমাজের সমস্ত স্তর একসঙ্গে মেতে ওঠে এই অকাল-উৎসবে। ততক্ষণে তেড়ে নেমেছে বৃষ্টি। কিন্তু অক্লান্ত বর্ষণও থামাতে পারেনি উল্লাস!
শুনতে অবাক ঠেকলেও অনুরাগীরা আইন-কানুন কোনওকিছুকে পাত্তা দিতে নারাজ। কেউ চলন্ত গাড়ির জানালা দিয়ে শরীরটা কিঞ্চিৎ গলিয়ে বৃষ্টিতে আস্নাত শরীর এলিয়ে দিলেন, কেউ ‘৫০ বছর ধরে এই মুহূর্তের অপেক্ষা। আজ ঘুম নয়, সারারাত উদযাপন!’—বলে ফের গানের তালে পা দোলানো শুরু করলেন।
উচ্ছ্বাস আগল ভাঙবে না কেন? কঙ্গোর এই জায়গায় পৌঁছনো যে এতটুকু সহজ ছিল না। যোগ্যতা পর্বে শক্তিশালী দল নাইজেরিয়া ও ক্যামেরুনকে হারিয়ে আসতে হয়েছে। শেষ ধাপে প্লে-অফে শক্তিশালী জামাইকাকে পর্যুদস্ত করাও কি চাট্টিখানি কথা? ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফল এই সাফল্য। মেনে নিচ্ছেন সকলে।
এবার লক্ষ্য বিশ্বকাপ। ঠাঁই জুটেছে গ্রুপ কে-তে। প্রতিপক্ষ পর্তুগাল, কলম্বিয়া ও উজবেকিস্তান। লড়াই কঠিন। কিন্তু কঙ্গো বাহিনী লড়ার আগে হাল ছাড়তে নারাজ। দেশটা এমনিতেই বহুদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। ফুটবল মাঠে এই জয় তাই শুধু ময়দানি সাফল্য নয়, জাতীয় ঐক্যের মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে। এক সমর্থক কথাটা মেনে নিয়ে বললেন, ‘আমাদের একটু আনন্দ দরকার ছিল। এই জয় সবাইকে এক করেছে! এর প্রভাব তো পুরো দেশে পড়বেই।’