রাজশাহীতে সরকারি সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০টায় নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।
সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয় খান ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত ‘ভয়েসেস ফর চেঞ্জ’ প্রকল্পের আওতায়। প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে সমতা নারী কল্যাণ সংস্থা এবং লেডিস অর্গানাইজেশন ফর সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার (লফস)। পুরো প্রক্রিয়ায় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট এ্যান্ড কোঅপারেশন (এসডিসি), গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জিএফএ সিটিজেনশিপ।
সংলাপে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের জেলা উপ-পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, একটি জাতির মূল চালিকাশক্তি হলো তার যুবসমাজ। রাজশাহী জেলার যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি জানান, বেকার যুবক ও যুবতীদের জন্য কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স, সেলাই, ব্লক-বাটিক ও মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন মেয়াদী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে সহজ শর্তে ‘যুব ঋণ’ প্রদানের সুযোগও রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে জনবল সংকট এবং নিবন্ধন নেওয়ার পর সংগঠনগুলোর নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
খান ফাউন্ডেশনের জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সংলাপে প্রকল্পের লক্ষ্য ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বক্তারা আরও বলেন, সরকারের অসংখ্য জনকল্যাণমূলক সেবা থাকলেও তথ্যের অভাব বা সমন্বয়হীনতার কারণে সাধারণ মানুষ অনেক সময় সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের শুধুমাত্র ত্রুটি ধরতে না গিয়ে সমাধানের পথ দেখাতে এবং জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
সংলাপে উপস্থিত ছিলেন লফসের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক নারী কমিশনার শাহনাজ পারভীন লক্ষ্মী, আঞ্চলিক উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক ইউসুফ আলী চৌধুরী, অগ্রগামী প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক রবিউল ইসলাম, সুরভি মহিলা সমিতির সভাপতি মাকসুদা বেগম, খান ফাউন্ডেশনের প্রকল্প কর্মকর্তা নিমাই চন্দ্র সরকার ও শিরিনা আকতার। এছাড়া রাজশাহী বারের নারী আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও সংলাপে অংশ নেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০টায় নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।
সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয় খান ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত ‘ভয়েসেস ফর চেঞ্জ’ প্রকল্পের আওতায়। প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে সমতা নারী কল্যাণ সংস্থা এবং লেডিস অর্গানাইজেশন ফর সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার (লফস)। পুরো প্রক্রিয়ায় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট এ্যান্ড কোঅপারেশন (এসডিসি), গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জিএফএ সিটিজেনশিপ।
সংলাপে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের জেলা উপ-পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, একটি জাতির মূল চালিকাশক্তি হলো তার যুবসমাজ। রাজশাহী জেলার যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি জানান, বেকার যুবক ও যুবতীদের জন্য কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স, সেলাই, ব্লক-বাটিক ও মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন মেয়াদী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে সহজ শর্তে ‘যুব ঋণ’ প্রদানের সুযোগও রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে জনবল সংকট এবং নিবন্ধন নেওয়ার পর সংগঠনগুলোর নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
খান ফাউন্ডেশনের জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সংলাপে প্রকল্পের লক্ষ্য ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বক্তারা আরও বলেন, সরকারের অসংখ্য জনকল্যাণমূলক সেবা থাকলেও তথ্যের অভাব বা সমন্বয়হীনতার কারণে সাধারণ মানুষ অনেক সময় সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের শুধুমাত্র ত্রুটি ধরতে না গিয়ে সমাধানের পথ দেখাতে এবং জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
সংলাপে উপস্থিত ছিলেন লফসের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক নারী কমিশনার শাহনাজ পারভীন লক্ষ্মী, আঞ্চলিক উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক ইউসুফ আলী চৌধুরী, অগ্রগামী প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক রবিউল ইসলাম, সুরভি মহিলা সমিতির সভাপতি মাকসুদা বেগম, খান ফাউন্ডেশনের প্রকল্প কর্মকর্তা নিমাই চন্দ্র সরকার ও শিরিনা আকতার। এছাড়া রাজশাহী বারের নারী আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও সংলাপে অংশ নেন।