রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. আজিজুল হক আজাদের উদ্যোগে এবার প্রায় ১০০ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ অনুদান এসেছে। এই ওষুধগুলো বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে এবং দেশের হাজারো দরিদ্র রোগী সরাসরি উপকৃত হবেন।
মোট তিন চালানে আসা ওষুধগুলোর বাজারমূল্য ৭৯ লাখ ৪৫ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা ‘ডিরেক্ট রিলিফ’ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের নভেম্বর মাসে ডা. আজাদ একই সংস্থা থেকে বাতের রোগীদের জন্য প্রায় ৩৬ কোটি টাকার ইনজেকশন সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও আগস্টে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ান হৃদরোগীদের জন্য আনেন প্রায় ১৭ কোটি টাকার অ্যাল্টেপ্লেস।
ডিরেক্ট রিলিফ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। সংস্থাটি নগদ অর্থের পরিবর্তে সরাসরি চিকিৎসা সহায়তা দেয়, যাতে অপচয় কম হয় এবং প্রকৃত রোগীরা দ্রুত উপকৃত হন।
ডা. আজাদ জানান, এবার ওষুধগুলো আনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম, এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শামীম হায়দার দ্রুততম সময়ে দেশে আনার অনুমতি দিয়েছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে হাসপাতালের স্টোরে পৌঁছেছে ১,৫০০ বক্স ডুপিলুম্যাব ইনজেকশন ও ১৫০ বক্স সারিলুম্যাব ইনজেকশন, যা রিফ্র্যাক্টরি অ্যাজমা, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসসহ নানা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে।
ডা. আজাদ আরও জানান, আগামীকাল বুধবার সকালেই ঢাকা থেকে আরও কিছু ওষুধ ইনহেলারসহ রাজশাহী পৌঁছাবে। এছাড়া গত সপ্তাহে ফ্যাক্টর এইট ও ডোসেট্যাক্সেল ইনজেকশন ও এসেছে, যেখানে ডোসেট্যাক্সেল ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
তিনি বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের এগুলো বিনা মূল্যে দেওয়া হবে। এমআইএসের র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, রামেক হাসপাতাল গত আড়াই বছর ধরে দেশের সেরা হাসপাতাল। আমরা এই হাসপাতালকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স বানানোর জন্য সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাব।
মোট তিন চালানে আসা ওষুধগুলোর বাজারমূল্য ৭৯ লাখ ৪৫ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা ‘ডিরেক্ট রিলিফ’ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের নভেম্বর মাসে ডা. আজাদ একই সংস্থা থেকে বাতের রোগীদের জন্য প্রায় ৩৬ কোটি টাকার ইনজেকশন সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও আগস্টে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ান হৃদরোগীদের জন্য আনেন প্রায় ১৭ কোটি টাকার অ্যাল্টেপ্লেস।
ডিরেক্ট রিলিফ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। সংস্থাটি নগদ অর্থের পরিবর্তে সরাসরি চিকিৎসা সহায়তা দেয়, যাতে অপচয় কম হয় এবং প্রকৃত রোগীরা দ্রুত উপকৃত হন।
ডা. আজাদ জানান, এবার ওষুধগুলো আনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম, এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শামীম হায়দার দ্রুততম সময়ে দেশে আনার অনুমতি দিয়েছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে হাসপাতালের স্টোরে পৌঁছেছে ১,৫০০ বক্স ডুপিলুম্যাব ইনজেকশন ও ১৫০ বক্স সারিলুম্যাব ইনজেকশন, যা রিফ্র্যাক্টরি অ্যাজমা, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসসহ নানা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে।
ডা. আজাদ আরও জানান, আগামীকাল বুধবার সকালেই ঢাকা থেকে আরও কিছু ওষুধ ইনহেলারসহ রাজশাহী পৌঁছাবে। এছাড়া গত সপ্তাহে ফ্যাক্টর এইট ও ডোসেট্যাক্সেল ইনজেকশন ও এসেছে, যেখানে ডোসেট্যাক্সেল ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
তিনি বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের এগুলো বিনা মূল্যে দেওয়া হবে। এমআইএসের র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, রামেক হাসপাতাল গত আড়াই বছর ধরে দেশের সেরা হাসপাতাল। আমরা এই হাসপাতালকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স বানানোর জন্য সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাব।