পশ্চিমী দুনিয়ার সংঘাতের উত্তেজনা আরও বাড়ল। ইরানের ইসফাহান শহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের একটি ভিডিও শেয়ার করে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ভোররাতের সেই বিস্ফোরণের দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তিনি, যদিও ভিডিওর সঙ্গে কোনও ব্যাখ্যা দেননি।
সংবাদমাধ্যমের দাবি, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানের অংশ, যেখানে ইসফাহানের একটি বড় অস্ত্রভাণ্ডারকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পরপর বিস্ফোরণের পর আগুনে আলোকিত হয়ে উঠছে আকাশ - যা থেকে অনুমান করা হচ্ছে, হামলার পরে আরও একাধিক ‘সেকেন্ডারি ব্লাস্ট’ হয়েছে।
মার্কিন এক আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, এই হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে প্রায় ২০০০ পাউন্ড ওজনের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা - যা মাটির গভীরে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম বিশেষ ধরনের অস্ত্র। ইসফাহান শহরের কৌশলগত গুরুত্বও কম নয়। প্রায় ২০ লক্ষের বেশি মানুষের বাস এই শহরে, যেখানে সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রয়েছে।
এই হামলার জেরে পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান, মিশর, সৌদি আরব ও তুরস্ক - এই চার দেশ কূটনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা কী?
‘বাঙ্কার বাস্টার’ মূলত এমন ধরনের বোমা, যা শক্ত কংক্রিট বা মাটির গভীরে থাকা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার জন্য তৈরি। এগুলির বাইরের আবরণ অত্যন্ত শক্ত স্টিল দিয়ে তৈরি, বিস্ফোরণের আগে মাটির গভীরে ঢুকে যায়। অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ ‘স্মার্ট ফিউজ’ ব্যবহার করা হয়, যা নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটায়।
সাধারণ বোমার তুলনায় বিস্ফোরক কম হলেও ধ্বংসক্ষমতা বেশি, কারণ এটি ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই ধরনের অস্ত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই ব্যবহৃত হলেও আধুনিক যুগে আফগানিস্তান ও ইরাকের যুদ্ধে এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়ে।
কেন পরিস্থিতি উদ্বেগজনক?
এই হামলার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন - চুক্তি না হলে ইরানের জ্বালানি ও পরিকাঠামো ধ্বংস করা হবে। এখন সেই প্রেক্ষিতে এই বিস্ফোরণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সব মিলিয়ে, ইসফাহানের এই বিস্ফোরণ শুধু একটি সামরিক ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় - এটি বৃহত্তর পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতকে আরও গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
সংবাদমাধ্যমের দাবি, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানের অংশ, যেখানে ইসফাহানের একটি বড় অস্ত্রভাণ্ডারকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পরপর বিস্ফোরণের পর আগুনে আলোকিত হয়ে উঠছে আকাশ - যা থেকে অনুমান করা হচ্ছে, হামলার পরে আরও একাধিক ‘সেকেন্ডারি ব্লাস্ট’ হয়েছে।
মার্কিন এক আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, এই হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে প্রায় ২০০০ পাউন্ড ওজনের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা - যা মাটির গভীরে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম বিশেষ ধরনের অস্ত্র। ইসফাহান শহরের কৌশলগত গুরুত্বও কম নয়। প্রায় ২০ লক্ষের বেশি মানুষের বাস এই শহরে, যেখানে সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রয়েছে।
এই হামলার জেরে পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান, মিশর, সৌদি আরব ও তুরস্ক - এই চার দেশ কূটনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা কী?
‘বাঙ্কার বাস্টার’ মূলত এমন ধরনের বোমা, যা শক্ত কংক্রিট বা মাটির গভীরে থাকা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার জন্য তৈরি। এগুলির বাইরের আবরণ অত্যন্ত শক্ত স্টিল দিয়ে তৈরি, বিস্ফোরণের আগে মাটির গভীরে ঢুকে যায়। অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ ‘স্মার্ট ফিউজ’ ব্যবহার করা হয়, যা নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটায়।
সাধারণ বোমার তুলনায় বিস্ফোরক কম হলেও ধ্বংসক্ষমতা বেশি, কারণ এটি ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই ধরনের অস্ত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই ব্যবহৃত হলেও আধুনিক যুগে আফগানিস্তান ও ইরাকের যুদ্ধে এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়ে।
কেন পরিস্থিতি উদ্বেগজনক?
এই হামলার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন - চুক্তি না হলে ইরানের জ্বালানি ও পরিকাঠামো ধ্বংস করা হবে। এখন সেই প্রেক্ষিতে এই বিস্ফোরণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সব মিলিয়ে, ইসফাহানের এই বিস্ফোরণ শুধু একটি সামরিক ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় - এটি বৃহত্তর পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতকে আরও গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।