ছোট থেকেই পেট পরিষ্কারের সমস্যা সন্তানের? কষ্ট এতটাই যে সে স্নানঘরে ঢুকতেই চায় না? কোষ্ঠ পরিষ্কার না হলে শুধু অস্বস্তি হয় না, খাওয়ার ইচ্ছাও কমে যায়। গ্যাস-বদহজম, পেটব্যথা হয় নিত্যসঙ্গী। ছোটরা অনেক সময় সেই কষ্টের কথা বলতে পারে না। তা ছাড়া, পেট পরিষ্কার না হওয়াকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানোর পরেও যদি শিশুর কষ্ট না কমে, তা হলে সতর্ক হওয়া দরকার। শুরুতে সঠিক চিকিৎসা হলে, সমস্যার দ্রুত সমাধান হতে পারে। কিন্তু তা যদি না হয়, ভোগান্তির শেষ থাকবে না।
শিশুর কোন উপসর্গগুলি এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়-
· সপ্তাহে অন্তত ২ দিনের বেশি পেট পরিষ্কার না হওয়া
· যন্ত্রণাদায়ক মলত্যাগ
· পেট ব্যথা, যন্ত্রণা, বদহজম
· মলের সঙ্গে রক্ত পড়া
· মলত্যাগ নিয়ে ভীতি
· ক্ষিদে কমে যাওয়া
· শারীরিক অস্বস্তি
চিকিৎসকেরা সতর্ক করছেন, অনেক সময়েই সাধারণ উপসর্গের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে বিপদের ঝুঁকি। পেটে একটু আধটু ব্যথা, দুই তিন দিন কোষ্ঠ বা পেট পরিষ্কার না হওয়া এক ব্যাপার। তবে, এই সমস্যাই যদি মাত্রা ছাড়ায়, ঘরোয়া খাবার বা পথ্যে না কমে, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। কারণ, সময়ে চিকিৎসা না হলে, আপাত সাধারণ বিষয়ই বড় সমস্যা ডেকে আনতে পারে। এমনকী দিনের পর দিন পেট পরিষ্কার না হলে, পেট ব্যথা, যন্ত্রণার পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কেন হয়
· ফাইবার জাতীয় খাবার মলের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং মল পরিষ্কারে সহায়ক। খাবারে ফাইবারের অভাব হলে, পেট পরিষ্কারে সমস্যা হতে পারে।
· পর্যাপ্ত জলের অভাবেও কোষ্ঠ শক্ত হয়ে যেতে পারে। ফল, মলত্যাগের সময়ে প্রচণ্ড কষ্ট।
· পুষ্টিকর খাবারের অভাব, হাঁটাচলা কম হলেও খাবার হজমে সমস্যা হতে পারে, তার ফলে কোষ্ঠের সমস্যা হতে পারে।
· কষ্টের জন্যই শিশু স্নানঘরে যাওয়া এড়িয়ে যেতে পারে, যা অত্যন্ত ক্ষতিকর।
· চেনা সমস্যা ছাড়াও অন্ত্রে কোনও সমস্যা হলে এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
করণীয় কী
· শিশুর খাবার তালিকায় কলা, আপেল, পেঁপের মতো ফল পরিমাণমতো রাখতে হবে। শাকসব্জি বয়স অনুযায়ী খাওয়াতে হবে।
· জল খাওয়া কম হলেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে। সন্তানকে জল খাওয়ায় উৎসাহ দিতে হবে। তার দৈনন্দিন খাবারে ডাল, ঝোল বা স্যুপ রাখলেও শরীরে খাবারের মাধ্যমে জল যাবে।
· চিপ্স, পিৎজা, চকোলেট, ফ্রেঞ্চফ্রাই— এই ধরনের খাবার শিশুদের বড় প্রিয়। তবে নিয়ম করে তা খেলে পুষ্টির অভাব হবে। এই ধরনের খাবারে ফাইবার, পুষ্টি উপাদান নেই। তার ফলেই মলত্যাগে সমস্যা হতে পারে।
· মলত্যাগের জন্য শিশুকে আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত কমোডের ব্যবস্থা করে দিন। বিশেষত কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে একটু উঁচুতে যাতে পা রাখতে পারে, এমন সেট কিনুন।
· পাশাপাশি খুদে যাতে ছোটাছুটি করে খেলে, সেই ব্যাপারেও উৎসাহ দেওয়া দরকার। সারাক্ষণ ফোন দেখলে বা এক জায়গায় বসে থাকলেও, মলত্যাগের সময় কষ্ট হতে পারে।
মলত্যাগ অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক হলে, মলের সঙ্গে রক্ত পড়লে, শিশু পেটব্যথায় কাঁদলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। ফাইবার জাতীয় খাবার খেয়েও কোষ্ঠ পরিষ্কার না হলে, অন্য উপায়ের ব্যবস্থা করতে পারেন চিকিৎসক। অনেক সময়ে কোষ্ঠ নরম করার জন্য ওষুধেরও দরকার পড়ে।
শিশুর কোন উপসর্গগুলি এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়-
· সপ্তাহে অন্তত ২ দিনের বেশি পেট পরিষ্কার না হওয়া
· যন্ত্রণাদায়ক মলত্যাগ
· পেট ব্যথা, যন্ত্রণা, বদহজম
· মলের সঙ্গে রক্ত পড়া
· মলত্যাগ নিয়ে ভীতি
· ক্ষিদে কমে যাওয়া
· শারীরিক অস্বস্তি
চিকিৎসকেরা সতর্ক করছেন, অনেক সময়েই সাধারণ উপসর্গের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে বিপদের ঝুঁকি। পেটে একটু আধটু ব্যথা, দুই তিন দিন কোষ্ঠ বা পেট পরিষ্কার না হওয়া এক ব্যাপার। তবে, এই সমস্যাই যদি মাত্রা ছাড়ায়, ঘরোয়া খাবার বা পথ্যে না কমে, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। কারণ, সময়ে চিকিৎসা না হলে, আপাত সাধারণ বিষয়ই বড় সমস্যা ডেকে আনতে পারে। এমনকী দিনের পর দিন পেট পরিষ্কার না হলে, পেট ব্যথা, যন্ত্রণার পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কেন হয়
· ফাইবার জাতীয় খাবার মলের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং মল পরিষ্কারে সহায়ক। খাবারে ফাইবারের অভাব হলে, পেট পরিষ্কারে সমস্যা হতে পারে।
· পর্যাপ্ত জলের অভাবেও কোষ্ঠ শক্ত হয়ে যেতে পারে। ফল, মলত্যাগের সময়ে প্রচণ্ড কষ্ট।
· পুষ্টিকর খাবারের অভাব, হাঁটাচলা কম হলেও খাবার হজমে সমস্যা হতে পারে, তার ফলে কোষ্ঠের সমস্যা হতে পারে।
· কষ্টের জন্যই শিশু স্নানঘরে যাওয়া এড়িয়ে যেতে পারে, যা অত্যন্ত ক্ষতিকর।
· চেনা সমস্যা ছাড়াও অন্ত্রে কোনও সমস্যা হলে এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
করণীয় কী
· শিশুর খাবার তালিকায় কলা, আপেল, পেঁপের মতো ফল পরিমাণমতো রাখতে হবে। শাকসব্জি বয়স অনুযায়ী খাওয়াতে হবে।
· জল খাওয়া কম হলেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে। সন্তানকে জল খাওয়ায় উৎসাহ দিতে হবে। তার দৈনন্দিন খাবারে ডাল, ঝোল বা স্যুপ রাখলেও শরীরে খাবারের মাধ্যমে জল যাবে।
· চিপ্স, পিৎজা, চকোলেট, ফ্রেঞ্চফ্রাই— এই ধরনের খাবার শিশুদের বড় প্রিয়। তবে নিয়ম করে তা খেলে পুষ্টির অভাব হবে। এই ধরনের খাবারে ফাইবার, পুষ্টি উপাদান নেই। তার ফলেই মলত্যাগে সমস্যা হতে পারে।
· মলত্যাগের জন্য শিশুকে আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত কমোডের ব্যবস্থা করে দিন। বিশেষত কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে একটু উঁচুতে যাতে পা রাখতে পারে, এমন সেট কিনুন।
· পাশাপাশি খুদে যাতে ছোটাছুটি করে খেলে, সেই ব্যাপারেও উৎসাহ দেওয়া দরকার। সারাক্ষণ ফোন দেখলে বা এক জায়গায় বসে থাকলেও, মলত্যাগের সময় কষ্ট হতে পারে।
মলত্যাগ অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক হলে, মলের সঙ্গে রক্ত পড়লে, শিশু পেটব্যথায় কাঁদলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। ফাইবার জাতীয় খাবার খেয়েও কোষ্ঠ পরিষ্কার না হলে, অন্য উপায়ের ব্যবস্থা করতে পারেন চিকিৎসক। অনেক সময়ে কোষ্ঠ নরম করার জন্য ওষুধেরও দরকার পড়ে।