পরস্পরকে ভালোবাসে বিয়ে করেছিলেন রাকিব হোসাইন (২৬) ও সুমি আক্তার (২৪)। ২০০১ সালের ১ ডিসেম্বর তারা পরিবারের অমতে বিয়েও করেন। প্রথমে আপত্তি
থাকলেও বিয়ের মাসখানেক গেলে সুমির শ্বশুড় তাদের মেনে নেন। এক পর্যায়ে যৌতুকের জন্য সুমিকে চাপ দেয় রাকিবের পরিবার।
সুমি জানায়, তার পিতা ঋণ করে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা জোগার করে দেন। ওই টাকায় ভাগ্য ফেরাতে ২০২২ সালে সৌদি আরবে যান জামাই রাকিব। আবার বিদেশে যাওয়ার দুই মাস না যেতেই সুমিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন তার শ্বশুড়- শ্বাশুড়ী।
জানা যায়, সুমি নাটোরের গুরুদাসপুর পৌসদরের চাঁচকৈড় খলিফাপাড়া মহল্লার আমজাদ ফকিরের মেয়ে এবং রাকিব পার্শ্ববর্তী খুবজীপুর চরপাড়া গ্রামের বাহাদুর আলীর ছেলে। বাপের বাড়িতে সুমির ঠাঁই হলেও প্রবাসী স্বামী তার কোনো খোঁজখবর রাখেনি। রাকিব বিদেশ যাওয়ার সাতমাস পর সুমির গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্মে। সেই সন্তানেরও খোঁজ নেয়নি সুমির স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজন।
এ ঘটনায় ন্যায় বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিতঅভিযোগ দায়ের করেন সুমির বাবা। পর পর তিনবার নোটিশ করেও অভিযুক্ত বাহাদুর
আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা শুনানিতে হাজির হননি। রাকিব দেশে আসলেও তার স্ত্রী সন্তানের দায়িত্ব নিচ্ছেন না। সর্বশেষ সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে ইউএনও
কার্যালয়ে শুনানিতে হাজির হননি রাকিব।
সরেজমিন বাড়িতে গেলে রাকিব ও তার বাবা-মাকে পাওয়া যায়নি। এদিকে তার বোন বর্ষা খাতুন (১৯) জানান, ‘সুুমি ভাবিকে আমরা বাপের বাড়ি পাঠাইনি। ভাইয়া বিদেশ যাওয়ার পর সে নিজেই চলে গেছে।’ তবে বাচ্চার খোঁজখবর না নেওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমি রাকিবকে বুঝিয়ে বলেছি- বাচ্চাকাচ্চা হয়েছে স্ত্রী সন্তান নিয়ে সংসার করে খা। রাকিবের বাবা খুব জেদি। তবে আশা করছি, অচিরেই তারা সংসার জীবনে ফিরবে।’
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, ‘শালিস দরবারের জন্য বারবার নোটিশ করা হলেও বাহাদুর ও তার ছেলে রাকিব বৈঠকে উপস্থিত
না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
থাকলেও বিয়ের মাসখানেক গেলে সুমির শ্বশুড় তাদের মেনে নেন। এক পর্যায়ে যৌতুকের জন্য সুমিকে চাপ দেয় রাকিবের পরিবার।
সুমি জানায়, তার পিতা ঋণ করে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা জোগার করে দেন। ওই টাকায় ভাগ্য ফেরাতে ২০২২ সালে সৌদি আরবে যান জামাই রাকিব। আবার বিদেশে যাওয়ার দুই মাস না যেতেই সুমিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন তার শ্বশুড়- শ্বাশুড়ী।
জানা যায়, সুমি নাটোরের গুরুদাসপুর পৌসদরের চাঁচকৈড় খলিফাপাড়া মহল্লার আমজাদ ফকিরের মেয়ে এবং রাকিব পার্শ্ববর্তী খুবজীপুর চরপাড়া গ্রামের বাহাদুর আলীর ছেলে। বাপের বাড়িতে সুমির ঠাঁই হলেও প্রবাসী স্বামী তার কোনো খোঁজখবর রাখেনি। রাকিব বিদেশ যাওয়ার সাতমাস পর সুমির গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্মে। সেই সন্তানেরও খোঁজ নেয়নি সুমির স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজন।
এ ঘটনায় ন্যায় বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিতঅভিযোগ দায়ের করেন সুমির বাবা। পর পর তিনবার নোটিশ করেও অভিযুক্ত বাহাদুর
আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা শুনানিতে হাজির হননি। রাকিব দেশে আসলেও তার স্ত্রী সন্তানের দায়িত্ব নিচ্ছেন না। সর্বশেষ সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে ইউএনও
কার্যালয়ে শুনানিতে হাজির হননি রাকিব।
সরেজমিন বাড়িতে গেলে রাকিব ও তার বাবা-মাকে পাওয়া যায়নি। এদিকে তার বোন বর্ষা খাতুন (১৯) জানান, ‘সুুমি ভাবিকে আমরা বাপের বাড়ি পাঠাইনি। ভাইয়া বিদেশ যাওয়ার পর সে নিজেই চলে গেছে।’ তবে বাচ্চার খোঁজখবর না নেওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমি রাকিবকে বুঝিয়ে বলেছি- বাচ্চাকাচ্চা হয়েছে স্ত্রী সন্তান নিয়ে সংসার করে খা। রাকিবের বাবা খুব জেদি। তবে আশা করছি, অচিরেই তারা সংসার জীবনে ফিরবে।’
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, ‘শালিস দরবারের জন্য বারবার নোটিশ করা হলেও বাহাদুর ও তার ছেলে রাকিব বৈঠকে উপস্থিত
না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।