রাজশাহীর মোহনপুরে জমিতে জোরপূর্বক পুকুর খননকে কেন্দ্র করে তরুণ কৃষক আহমেদ জোবায়ের হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৫।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার কোর্ট স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: মামলার ১ নম্বর আসামি মো. মোনারুল ইসলাম ওরফে রুহুল আমিন (৩৩) এবং ৩ নম্বর আসামি মোঃ রুবেল হোসেন (৩৮)।
সোমবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের মুখপাত্র উপ-পরিচালক মেজর আসিফ আল-রাজেক।
তিনি জানান, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১১টার দিকে মোহনপুর উপজেলার বড় পালশা গ্রামের পূর্ব বিল এলাকায় জমিতে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটার সময় ভিকটিম আহমেদ জোবায়ের (২২)সহ এলাকাবাসী বাধা দেন। এ সময় আসামিরা ভেকু মেশিন চালিয়ে তাদের ওপর হামলার নির্দেশ দেয়।
একপর্যায়ে জোবায়ের ভেকু মেশিনের আঘাতে মাটিতে পড়ে গেলে তাকে টেনে নিয়ে মেশিনের চাকার নিচে ফেলে পিষে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর জোবায়েরের বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মোহনপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। পরে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার কোর্ট স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: মামলার ১ নম্বর আসামি মো. মোনারুল ইসলাম ওরফে রুহুল আমিন (৩৩) এবং ৩ নম্বর আসামি মোঃ রুবেল হোসেন (৩৮)।
সোমবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের মুখপাত্র উপ-পরিচালক মেজর আসিফ আল-রাজেক।
তিনি জানান, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১১টার দিকে মোহনপুর উপজেলার বড় পালশা গ্রামের পূর্ব বিল এলাকায় জমিতে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটার সময় ভিকটিম আহমেদ জোবায়ের (২২)সহ এলাকাবাসী বাধা দেন। এ সময় আসামিরা ভেকু মেশিন চালিয়ে তাদের ওপর হামলার নির্দেশ দেয়।
একপর্যায়ে জোবায়ের ভেকু মেশিনের আঘাতে মাটিতে পড়ে গেলে তাকে টেনে নিয়ে মেশিনের চাকার নিচে ফেলে পিষে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর জোবায়েরের বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মোহনপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। পরে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।