রাজশাহী মহানগরীর সংলগ্ন পদ্মা নদীতে নৌভ্রমণকারীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
তার নির্দেশে রবিবার (২৯ মার্চ) রাসিকের সচিব সোহেল রানা নগরীর আমীরপুর ও বিষপুর ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি ফেরিঘাটের আওতাধীন বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং ইজারাদার, স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নির্ধারিত টোলের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। একই সঙ্গে ফেরিঘাট এলাকায় টোল চার্ট অনুপস্থিত থাকায় দ্রুত তা প্রদর্শনের নির্দেশ দেন।
রাসিক সচিব সোহেল রানা জানান, প্রশাসকের নির্দেশে সিটি কর্পোরেশনের ইজারাভুক্ত দুটি ফেরিঘাট পরিদর্শন করা হয়েছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হলেও এ ধরনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, চর মাঝারদিয়া, খানপুরসহ ওপারের চরাঞ্চলের মানুষ নির্ধারিত টোল দিয়েই নদী পারাপার করছেন।
তবে তিনি আরও জানান, পদ্মা নদীতে ব্যক্তি মালিকানাধীন কিছু নৌকা ভ্রমণকারীদের নিয়ে চলাচল করে, যা সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত নয়। ঈদকে কেন্দ্র করে শ্রীরামপুর ট্যুরিস্ট ঘাটে এসব নৌকার মাধ্যমে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিদর্শন চালানো হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
ভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ব্যক্তি মালিকানাধীন নৌযানগুলোকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে রাসিকের সম্পত্তি কর্মকর্তা আবু নূর মোঃ মতিউর রহমানসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তার নির্দেশে রবিবার (২৯ মার্চ) রাসিকের সচিব সোহেল রানা নগরীর আমীরপুর ও বিষপুর ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি ফেরিঘাটের আওতাধীন বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং ইজারাদার, স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নির্ধারিত টোলের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। একই সঙ্গে ফেরিঘাট এলাকায় টোল চার্ট অনুপস্থিত থাকায় দ্রুত তা প্রদর্শনের নির্দেশ দেন।
রাসিক সচিব সোহেল রানা জানান, প্রশাসকের নির্দেশে সিটি কর্পোরেশনের ইজারাভুক্ত দুটি ফেরিঘাট পরিদর্শন করা হয়েছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হলেও এ ধরনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, চর মাঝারদিয়া, খানপুরসহ ওপারের চরাঞ্চলের মানুষ নির্ধারিত টোল দিয়েই নদী পারাপার করছেন।
তবে তিনি আরও জানান, পদ্মা নদীতে ব্যক্তি মালিকানাধীন কিছু নৌকা ভ্রমণকারীদের নিয়ে চলাচল করে, যা সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত নয়। ঈদকে কেন্দ্র করে শ্রীরামপুর ট্যুরিস্ট ঘাটে এসব নৌকার মাধ্যমে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিদর্শন চালানো হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
ভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ব্যক্তি মালিকানাধীন নৌযানগুলোকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে রাসিকের সম্পত্তি কর্মকর্তা আবু নূর মোঃ মতিউর রহমানসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।