ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রে কীভাবে ভয়ংকর অপরাধীর তালিকায় উঠেছে ১০ বাংলাদেশির নাম, তা বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস)। সংস্থাটি জানিয়েছে, অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী (আইসিই) সংস্থা কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত 'সবচেয়ে ভয়ংকর' অপরাধী বিদেশিদের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এদের মধ্যে ১০ বাংলাদেশির নামও রয়েছে।
ডিএইচএসের নেতৃত্বে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছেন এবং ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন যা শুরু হয়েছে 'সবচেয়ে গুরুতর অপরাধীদের' দিয়ে, যাদের মধ্যে এখানে দেখানো অবৈধ অভিবাসীরাও অন্তর্ভুক্ত।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানে ১০ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি-ছিনতাই এবং হামলার মতো নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
ডিএইচএসের আওতাধীন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গত এক বছরে ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদের মধ্যে ৫৬ হাজার জনই দণ্ডপ্রাপ্ত গুরুতর অপরাধী। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে থাকা ১০ বাংলাদেশিকে ‘খারাপের চেয়েও খারাপ’ অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।
উপসহকারী মন্ত্রী লরেন বিস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা সাম্প্রতিক অভিযানে গুরুতর অপরাধে জড়িত হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছেন। এসব অপরাধী শিশুদের ওপর হামলা চালায় বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করে।
তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। কারণ তারা সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি।’
গ্রেপ্তারকৃতদের ১০ বাংলাদেশির নামেরতালিকা ও অভিযোগসমূহ-
নাম: কাজী আবু সাঈদ
অভিযোগ: অপ্রাপ্তবয়স্ককে শোষণ, জুয়া পরিচালনা (বুকমেকিং), জুয়া
গ্রেপ্তার স্থান: ফোর্ট স্কট, কানসাস
নাম: শহেদ হাসান
অভিযোগ: গোপনে অস্ত্র বহন, দোকান থেকে চুরি (শপলিফটিং)
গ্রেপ্তার স্থান: র্যালি, নর্থ ক্যারোলাইনা
নাম: মোহাম্মদ আহমেদ
অভিযোগ: যৌন নিপীড়ন (কার্নাল অ্যাবিউজ), যৌন অপরাধ
গ্রেপ্তার স্থান: বাফেলো, নিউ ইয়র্ক
নাম: এমডি হোসেন
অভিযোগ: যৌন নিপীড়ন (কার্নাল অ্যাবিউজ)
গ্রেপ্তার স্থান: কুইন্স, নিউ ইয়র্ক
নাম: মাহতাবুদ্দিন আহমেদ
অভিযোগ: গাঁজা বিক্রি, হ্যালুসিনোজেনিক মাদক বিতরণ
গ্রেপ্তার স্থান: চ্যান্টিলি, ভার্জিনিয়া
নাম: নেওয়াজ খান
অভিযোগ: বিপজ্জনক মাদক সংক্রান্ত অপরাধ
গ্রেপ্তার স্থান: মারলিন, টেক্সাস
নাম: শাহরিয়ার আবির
অভিযোগ: চুরি (লার্সেনি)
গ্রেপ্তার স্থান: পেনসাকোলা, ফ্লোরিডা
নাম: আলমগীর চৌধুরী
অভিযোগ: ক্রেডিট কার্ডের অবৈধ ব্যবহার (জালিয়াতি)
গ্রেপ্তার স্থান: মাউন্ট ক্লেমেন্স, মিশিগান
নাম: ইস্তিয়াক রাফি
অভিযোগ: অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধ, সিন্থেটিক মাদক রাখার অভিযোগ
গ্রেপ্তার স্থান: মানাসাস, ভার্জিনিয়া
নাম: কনক পারভেজ
অভিযোগ: জালিয়াতি
গ্রেপ্তার স্থান: ফিনিক্স, অ্যারিজোনা
ডিএইচএসের নেতৃত্বে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছেন এবং ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন যা শুরু হয়েছে 'সবচেয়ে গুরুতর অপরাধীদের' দিয়ে, যাদের মধ্যে এখানে দেখানো অবৈধ অভিবাসীরাও অন্তর্ভুক্ত।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানে ১০ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি-ছিনতাই এবং হামলার মতো নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
ডিএইচএসের আওতাধীন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গত এক বছরে ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদের মধ্যে ৫৬ হাজার জনই দণ্ডপ্রাপ্ত গুরুতর অপরাধী। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে থাকা ১০ বাংলাদেশিকে ‘খারাপের চেয়েও খারাপ’ অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।
উপসহকারী মন্ত্রী লরেন বিস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা সাম্প্রতিক অভিযানে গুরুতর অপরাধে জড়িত হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছেন। এসব অপরাধী শিশুদের ওপর হামলা চালায় বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করে।
তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। কারণ তারা সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি।’
গ্রেপ্তারকৃতদের ১০ বাংলাদেশির নামেরতালিকা ও অভিযোগসমূহ-
নাম: কাজী আবু সাঈদ
অভিযোগ: অপ্রাপ্তবয়স্ককে শোষণ, জুয়া পরিচালনা (বুকমেকিং), জুয়া
গ্রেপ্তার স্থান: ফোর্ট স্কট, কানসাস
নাম: শহেদ হাসান
অভিযোগ: গোপনে অস্ত্র বহন, দোকান থেকে চুরি (শপলিফটিং)
গ্রেপ্তার স্থান: র্যালি, নর্থ ক্যারোলাইনা
নাম: মোহাম্মদ আহমেদ
অভিযোগ: যৌন নিপীড়ন (কার্নাল অ্যাবিউজ), যৌন অপরাধ
গ্রেপ্তার স্থান: বাফেলো, নিউ ইয়র্ক
নাম: এমডি হোসেন
অভিযোগ: যৌন নিপীড়ন (কার্নাল অ্যাবিউজ)
গ্রেপ্তার স্থান: কুইন্স, নিউ ইয়র্ক
নাম: মাহতাবুদ্দিন আহমেদ
অভিযোগ: গাঁজা বিক্রি, হ্যালুসিনোজেনিক মাদক বিতরণ
গ্রেপ্তার স্থান: চ্যান্টিলি, ভার্জিনিয়া
নাম: নেওয়াজ খান
অভিযোগ: বিপজ্জনক মাদক সংক্রান্ত অপরাধ
গ্রেপ্তার স্থান: মারলিন, টেক্সাস
নাম: শাহরিয়ার আবির
অভিযোগ: চুরি (লার্সেনি)
গ্রেপ্তার স্থান: পেনসাকোলা, ফ্লোরিডা
নাম: আলমগীর চৌধুরী
অভিযোগ: ক্রেডিট কার্ডের অবৈধ ব্যবহার (জালিয়াতি)
গ্রেপ্তার স্থান: মাউন্ট ক্লেমেন্স, মিশিগান
নাম: ইস্তিয়াক রাফি
অভিযোগ: অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধ, সিন্থেটিক মাদক রাখার অভিযোগ
গ্রেপ্তার স্থান: মানাসাস, ভার্জিনিয়া
নাম: কনক পারভেজ
অভিযোগ: জালিয়াতি
গ্রেপ্তার স্থান: ফিনিক্স, অ্যারিজোনা