নারী কৃষক শাবানার স্বপ্ন ভঙ্গ দায় নিবে কে ?

আপলোড সময় : ২৯-০৩-২০২৬ ০৮:১২:০২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-০৩-২০২৬ ০৮:১২:০২ অপরাহ্ন
 
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী উপজেলার ললিত নগর গ্রামে ভেজাল কীটনাশক প্রয়োগ করায় ৭ বিঘা জমির পেঁয়াজখেত নস্টের অভিযোগ উঠেছে।এঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও অভিযুক্ত কীটনাশক ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল এবং শাস্তির দাবি করেছেন এলাকার কৃষকগণ।ওদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ক্ষতিপুরুণ, কীটনাশক ব্যবসায়ির লাইসেন্স বাতিল ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও গোদাগাড়ী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জের (ওসি) কাছে অনুলিপি দিয়েছেন। কিন্ত্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঘটনা আড়াল করে ধাঁমাচাঁপা দিতে মরিয়া বলে অভিযোগ উঠেছে।

 
গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ি ইউনিয়নের (ইউপি) ললিত নগর গ্রামের নারী কৃষক শাবানা বেগম।তিনি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ৩ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেন। তার জমিতে পেঁয়াজের গাছও হয়েছিল খুব ভালো।তিনি লাভের আশায় রঙিন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।কিন্ত্ত জমিতে আগাছা দমনের জন্য ইয়াজপুরের কীটনাশক ব্যবসায়ী মেসার্স জান্নাত ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মাইনুল ইসলামের পরামর্শে তার দোকান থেকে লার্ক ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির টিএস-প্লাস কীটনাশক কিনে পেঁয়াজখেতে প্রয়োগ করেন। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই গাছের পাতা হলুদ হয়ে শুকিয়ে যেতে শুরু করে। কদিন পরেই পুরো ক্ষেতের পেঁয়াজ গাছ নষ্ট হয়ে যায়।কৃষকদের অভিযোগ ভেজাল ও নিম্নমানের কীটনাশক দেয়ায় তাদের সর্বনাশ হয়েছে।

 
এদিকে শুধু শাবানা বেগম নয়,ওই গ্রামের আরো একাধিক কৃষক মাইনুলের পরামর্শে তার দোকান থেকে এই কীটনাশক কিনে প্রতারিত হয়েছেন।তাদের পেঁয়াজখেতও নস্ট হয়েছে।কৃষকেরা বলেন, মাইনুল  ভেজাল ও নিম্নমানের কৃষি উপকরণ বিক্রি করায় তারা প্রতিনিয়ত ক্ষতির মুখে পড়ছেন।শাবানা বেগম বলেন, তার পেঁয়াজখেতে আগাছা হলে তিনি কীটনাশক ব্যবসায়ি মাইনুল ইসলামের দোকানে যান। মাইনুল ইসলাম তাকে লার্ক কোম্পানির ওষুধ দেন।তিনি ওই ওষুধ ছিটানোর পর পরই পেঁয়াজখেতের গাছ মরে যায়।

 
স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু  তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স জান্নাত ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মাইনুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,কৃষকের ভুলে পেঁয়াজখেত নস্ট হয়েছে। তিনি আরো বলেন,ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করে কিছু ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

 
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ বলেন,অভিযোগ পেয়ে ঘটনা তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, কৃষকের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতিপুরুণ দিতে বলা হয়েছে। #

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]