নোয়াখালীর চাটখিলে এক গৃহবধুকে (১৯) ধর্ষণের অভিযোগে এমরান হোসেন আকিব (২৬) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আকিব উপজেলার পূর্ব সোশালিয়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে, গত শুক্রবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভুক্তভোগী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধু তার অসুস্থ শাশুড়ীকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতেন। তার স্বামী চাকরির কারণে কুমিল্লায় অবস্থান করেন। স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে আকিব দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গৃহবধু বারবার তা প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সে। গত বুধবার ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে গৃহবধু রান্নাঘরের মাটির চুলা ঢেকে রাখার জন্য বের হন। ওই সময় সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা আকিব তাকে ‘ভাবি’ বলে ডাক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে এবং জোরপূর্বক তাকে শয়নকক্ষে ধরে ফেলে। একপর্যায়ে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ির পাশের একটি কালভার্টের নিচে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।
ধর্ষণের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর মুখে চেতনানাশক স্প্রে করলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে চেতনা ফিরে পেয়ে তিনি শাশুড়ী ও স্বামীকে বিষয়টি জানান।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর শারীরিক (মেডিকেল) পরীক্ষা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।
গ্রেপ্তার আকিব উপজেলার পূর্ব সোশালিয়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে, গত শুক্রবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভুক্তভোগী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধু তার অসুস্থ শাশুড়ীকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতেন। তার স্বামী চাকরির কারণে কুমিল্লায় অবস্থান করেন। স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে আকিব দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গৃহবধু বারবার তা প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সে। গত বুধবার ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে গৃহবধু রান্নাঘরের মাটির চুলা ঢেকে রাখার জন্য বের হন। ওই সময় সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা আকিব তাকে ‘ভাবি’ বলে ডাক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে এবং জোরপূর্বক তাকে শয়নকক্ষে ধরে ফেলে। একপর্যায়ে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ির পাশের একটি কালভার্টের নিচে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।
ধর্ষণের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর মুখে চেতনানাশক স্প্রে করলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে চেতনা ফিরে পেয়ে তিনি শাশুড়ী ও স্বামীকে বিষয়টি জানান।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর শারীরিক (মেডিকেল) পরীক্ষা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।