বহুল আলোচিত চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় পৃথক পৃথক অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ২০ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ১৩ জন এবং জেলা পুলিশ ৭জনকে আটক করেছে।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুষ্কৃতিকারীরা র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচ-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি আব্দুল মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দেয়।
ঘটনার পর র্যাব-৭ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারভুক্ত এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে (মামলা নং-২৪, তারিখ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬)। মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত।
র্যাব-৭ জানায়, ধারাবাহিক অভিযানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।
সর্বশেষ গত ২৭ মার্চ নোয়াখালীর কবিরহাট এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি পারভেজ (৩৫) এবং চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে বেলালকে (৩০) আটক করা হয়। একইদিনে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ এলাকা থেকে আরেক আসামি সাইদুল ইসলাম (২৬) গ্রেফতার হন।
এর আগে ২৩ মার্চ সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা থেকে মিজানুর রহমান সোহান (১৯), ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাট্টালী থেকে সেলিম (৩৫) এবং ১০ ফেব্রুয়ারি চাঁদগাঁও এলাকা থেকে সেকেন্দার মিয়া ওরফে ইয়াকুবকে (৪৩) আটক করা হয়।
জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহেও একাধিক অভিযানে কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ইউনুছ আলী হাওলাদার (৬২), খন্দকার জাহিদ হোসেন (৩৯), আলীরাজ হাসান সাগর (২৮), মিজান (৫৩), মামুন (৩৮), শহাজাহান (৫৩) এবং শফিকুল ইসলাম (৫১)।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুষ্কৃতিকারীরা র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচ-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি আব্দুল মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দেয়।
ঘটনার পর র্যাব-৭ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারভুক্ত এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে (মামলা নং-২৪, তারিখ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬)। মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত।
র্যাব-৭ জানায়, ধারাবাহিক অভিযানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।
সর্বশেষ গত ২৭ মার্চ নোয়াখালীর কবিরহাট এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি পারভেজ (৩৫) এবং চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে বেলালকে (৩০) আটক করা হয়। একইদিনে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ এলাকা থেকে আরেক আসামি সাইদুল ইসলাম (২৬) গ্রেফতার হন।
এর আগে ২৩ মার্চ সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা থেকে মিজানুর রহমান সোহান (১৯), ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাট্টালী থেকে সেলিম (৩৫) এবং ১০ ফেব্রুয়ারি চাঁদগাঁও এলাকা থেকে সেকেন্দার মিয়া ওরফে ইয়াকুবকে (৪৩) আটক করা হয়।
জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহেও একাধিক অভিযানে কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ইউনুছ আলী হাওলাদার (৬২), খন্দকার জাহিদ হোসেন (৩৯), আলীরাজ হাসান সাগর (২৮), মিজান (৫৩), মামুন (৩৮), শহাজাহান (৫৩) এবং শফিকুল ইসলাম (৫১)।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।