দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাচ্ছে। সর্বশেষ ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের একটি জাহাজ বন্দরে এসেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিঙ্গাপুর থেকে আসা জাহাজটি বর্তমানে কুতুবদিয়া অ্যাংকরেজে অবস্থান করছে। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান 'ইউনিপেক' এর সঙ্গে চুক্তির আওতায় এই জ্বালানি সংগ্রহ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, চলতি মার্চ মাসে মোট ১৭টি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ দেশে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৯টি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে এবং আরও ৬টি জাহাজ সমুদ্রপথে রয়েছে।
এদিকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহও অব্যাহত রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ ট্যাংকার বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি ট্যাংকার আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনটি ট্যাংকারে মোট প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি রয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, দেশে এলএনজি আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশই আসে কাতার থেকে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার কারণে সরবরাহে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাতার থেকে দুটি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা আসেনি। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজিবোঝাই অবস্থায় এখনও আটকে রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র অনুযায়ী, এ মাসে এখন পর্যন্ত সাতটি এলএনজিবাহী ট্যাংকার দেশে এসেছে, যেখানে সাধারণ সময়ে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১১টি ট্যাংকার আসে।
রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রো বাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা থাকলেও আপাতত বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিঙ্গাপুর থেকে আসা জাহাজটি বর্তমানে কুতুবদিয়া অ্যাংকরেজে অবস্থান করছে। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান 'ইউনিপেক' এর সঙ্গে চুক্তির আওতায় এই জ্বালানি সংগ্রহ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, চলতি মার্চ মাসে মোট ১৭টি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ দেশে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৯টি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে এবং আরও ৬টি জাহাজ সমুদ্রপথে রয়েছে।
এদিকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহও অব্যাহত রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ ট্যাংকার বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি ট্যাংকার আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনটি ট্যাংকারে মোট প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি রয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, দেশে এলএনজি আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশই আসে কাতার থেকে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার কারণে সরবরাহে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাতার থেকে দুটি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা আসেনি। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজিবোঝাই অবস্থায় এখনও আটকে রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র অনুযায়ী, এ মাসে এখন পর্যন্ত সাতটি এলএনজিবাহী ট্যাংকার দেশে এসেছে, যেখানে সাধারণ সময়ে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১১টি ট্যাংকার আসে।
রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রো বাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা থাকলেও আপাতত বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।