প্রযুক্তির বিস্ময় এখন আর শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ নেই; তা পৌঁছে গেছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের San Francisco-এর রাস্তায় চালকবিহীন গাড়িতে এক ভারতীয় পরিবারের সফর ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ির সামনের আসনে কোনো চালক নেই, অথচ স্টিয়ারিং নিজে থেকেই ঘুরছে এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে গাড়িটি নির্বিঘ্নে চলেছে। গাড়ির পেছনের আসনে বসে থাকা যাত্রীদের মুখে তখন বিস্ময় ও আনন্দের ছাপ স্পষ্ট।
এই অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নৃত্যশিল্পী Apurva Bendre, যিনি তাঁর মা-বাবাকে নিয়ে Waymo-এর চালকহীন গাড়িতে সফর করেন। উল্লেখ্য, Waymo হলো Alphabet Inc.-এর অধীনস্থ একটি স্বয়ংচালিত গাড়ি পরিষেবা।
অপূর্ব জানান, তাঁদের প্রথম ১৫ মিনিটের সফর এতটাই রোমাঞ্চকর ছিল যে, তাঁর মা-বাবার অনুরোধে তাঁরা সঙ্গে সঙ্গেই আরেকটি রাইড বুক করেন। সামাজিক মাধ্যম Instagram-এ অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, এই প্রযুক্তি তাঁর কাছে অত্যন্ত নিরাপদ এবং অনেক ক্ষেত্রেই মানবচালিত গাড়ির চেয়েও নির্ভরযোগ্য মনে হয়েছে।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই প্রযুক্তির এই অগ্রগতিকে ভবিষ্যতের পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন। Waymo কর্তৃপক্ষও এই অভিজ্ঞতাকে “একটি প্রজন্মগত যাত্রা” বলে উল্লেখ করেছে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে, এই চালকবিহীন গাড়িগুলো উন্নত সেন্সর, ক্যামেরা, রাডার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে নিজে থেকেই রাস্তা চিনে, বাধা এড়িয়ে এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে সক্ষম।
বর্তমানে Phoenix, San Francisco, Los Angeles, Austin এবং Atlanta-সহ একাধিক শহরে এই পরিষেবা চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে Miami এবং Washington, D.C.-তেও পরিষেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া Tokyo-তেও স্থানীয় ট্যাক্সি সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে Waymo।
প্রযুক্তির এই অগ্রগতি প্রমাণ করছে, একসময় কল্পবিজ্ঞানের গল্পে সীমাবদ্ধ থাকা ধারণাগুলো এখন বাস্তবের রাস্তায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ির সামনের আসনে কোনো চালক নেই, অথচ স্টিয়ারিং নিজে থেকেই ঘুরছে এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে গাড়িটি নির্বিঘ্নে চলেছে। গাড়ির পেছনের আসনে বসে থাকা যাত্রীদের মুখে তখন বিস্ময় ও আনন্দের ছাপ স্পষ্ট।
এই অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নৃত্যশিল্পী Apurva Bendre, যিনি তাঁর মা-বাবাকে নিয়ে Waymo-এর চালকহীন গাড়িতে সফর করেন। উল্লেখ্য, Waymo হলো Alphabet Inc.-এর অধীনস্থ একটি স্বয়ংচালিত গাড়ি পরিষেবা।
অপূর্ব জানান, তাঁদের প্রথম ১৫ মিনিটের সফর এতটাই রোমাঞ্চকর ছিল যে, তাঁর মা-বাবার অনুরোধে তাঁরা সঙ্গে সঙ্গেই আরেকটি রাইড বুক করেন। সামাজিক মাধ্যম Instagram-এ অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, এই প্রযুক্তি তাঁর কাছে অত্যন্ত নিরাপদ এবং অনেক ক্ষেত্রেই মানবচালিত গাড়ির চেয়েও নির্ভরযোগ্য মনে হয়েছে।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই প্রযুক্তির এই অগ্রগতিকে ভবিষ্যতের পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন। Waymo কর্তৃপক্ষও এই অভিজ্ঞতাকে “একটি প্রজন্মগত যাত্রা” বলে উল্লেখ করেছে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে, এই চালকবিহীন গাড়িগুলো উন্নত সেন্সর, ক্যামেরা, রাডার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে নিজে থেকেই রাস্তা চিনে, বাধা এড়িয়ে এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে সক্ষম।
বর্তমানে Phoenix, San Francisco, Los Angeles, Austin এবং Atlanta-সহ একাধিক শহরে এই পরিষেবা চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে Miami এবং Washington, D.C.-তেও পরিষেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া Tokyo-তেও স্থানীয় ট্যাক্সি সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে Waymo।
প্রযুক্তির এই অগ্রগতি প্রমাণ করছে, একসময় কল্পবিজ্ঞানের গল্পে সীমাবদ্ধ থাকা ধারণাগুলো এখন বাস্তবের রাস্তায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে।