ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, যে জাতি তার সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্মান দিতে ব্যর্থ হয় এবং বীরদের যথাযথ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করে না, সে জাতি কখনোই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাঁদের সব ক্ষেত্রে সম্মান দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
বুধবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সম্মানে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় পতাকা। তিনি তাঁর কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, সে সময় জাতি যখন দিকনির্দেশনা খুঁজছিল, তখন একটি আহ্বান মানুষকে সাহস জুগিয়েছিল-সবাইকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা অর্জনে অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছেন, অনেকে আহত ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মা-বোনেরা তাঁদের জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এসব ত্যাগের ভিত্তিতেই একটি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে, যেখানে প্রত্যাশা ছিল ক্ষুধামুক্ত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।
সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পরিবারভিত্তিক বিভিন্ন সুবিধা যেমন ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে এবং মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রাধিকার পাবেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন সবার জন্য, এটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয়। শেষে তাঁদের মাঝে উপহার ও খাবার বিতরণ করা হয়।
এর আগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।
বুধবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সম্মানে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় পতাকা। তিনি তাঁর কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, সে সময় জাতি যখন দিকনির্দেশনা খুঁজছিল, তখন একটি আহ্বান মানুষকে সাহস জুগিয়েছিল-সবাইকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা অর্জনে অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছেন, অনেকে আহত ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মা-বোনেরা তাঁদের জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এসব ত্যাগের ভিত্তিতেই একটি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে, যেখানে প্রত্যাশা ছিল ক্ষুধামুক্ত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।
সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পরিবারভিত্তিক বিভিন্ন সুবিধা যেমন ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে এবং মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রাধিকার পাবেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন সবার জন্য, এটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয়। শেষে তাঁদের মাঝে উপহার ও খাবার বিতরণ করা হয়।
এর আগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।