বলিউড থেকে হলিউড—অসমবয়সী প্রেম বা ‘এজ-গ্যাপ রোম্যান্স’ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। গত বছর কাজল এবং টুইঙ্কল খান্না এই প্রসঙ্গ তুলে আমির খান ও সলমন খান-কে প্রশ্ন করেছিলেন। এবার সেই বিতর্কেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অক্ষয় কুমার।
পরিচালক প্রিয়দর্শন-এর আগামী ছবি ভূত বাংলা-তে ৫৮ বছরের অক্ষয়ের বিপরীতে দেখা যাবে ৩২ বছরের ওয়ামিকা গাব্বি-কে। ২৬ বছরের এই বয়সের ব্যবধান ঘিরে ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সেই বিতর্ক নিয়েই এক সাক্ষাৎকারে অকপটভাবে মুখ খুলেছেন ‘খিলাড়ি’। তাঁর বক্তব্যে যেমন নেটপাড়ার একাংশ শান্ত হয়েছে, তেমনই আরেকটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
অক্ষয় কুমারের মতে, সিনেমায় নায়ক-নায়িকার বয়সের বড় ব্যবধান নতুন কিছু নয়। তাঁর কথায়, “এটা কি আমরা আগে কখনও দেখিনি? হলিউডেও এমনটা হয়। অনেক সময় চিত্রনাট্যের প্রয়োজনেই এমন জুটি তৈরি করা হয়। বাস্তব জীবনেও তো অনেকে নিজের থেকে বড় বা ছোট কাউকে বিয়ে করেন।” তিনি আরও জানান, নতুন প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের থেকে তিনি প্রতিনিয়ত শিখছেন। ওয়ামিকা গাব্বির প্রশংসা করে অক্ষয় বলেন, বিদ্যা বালন বা টাবু-র মতো অভিজ্ঞদের পাশাপাশি ওয়ামিকার রিহার্সাল করার ধরণও তাঁকে মুগ্ধ করেছে।
এই বিতর্কে পরিচালক প্রিয়দর্শনও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। দক্ষিণী কিংবদন্তি এনটিআর এবং এমজিআর-এর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, একজন অভিনেতার বাস্তব বয়স এবং পর্দার চরিত্রের বয়স আলাদা বিষয়। দর্শক যখন অভিনেতাকে নয়, চরিত্রকে গ্রহণ করেন, তখন বয়সের ব্যবধান আর গুরুত্বপূর্ণ থাকে না। তাঁর মতে, অক্ষয় বা টাবুর সঙ্গে কাজ করার সময় কখনওই বয়স বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
‘ভূত বাংলা’ ছবিতে টাবু ও ওয়ামিকা দু’জনেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকছেন। প্রিয়দর্শনের কথায়, টাবু অত্যন্ত অভিজ্ঞ হওয়ায় তাঁকে আলাদা করে খুব বেশি বোঝাতে হয় না। অন্যদিকে, ওয়ামিকা তুলনায় নবীন হওয়ায় তিনি বেশি প্রশ্ন করেন এবং চরিত্রের খুঁটিনাটি বুঝে নিতে চান।
পরিচালক প্রিয়দর্শন-এর আগামী ছবি ভূত বাংলা-তে ৫৮ বছরের অক্ষয়ের বিপরীতে দেখা যাবে ৩২ বছরের ওয়ামিকা গাব্বি-কে। ২৬ বছরের এই বয়সের ব্যবধান ঘিরে ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সেই বিতর্ক নিয়েই এক সাক্ষাৎকারে অকপটভাবে মুখ খুলেছেন ‘খিলাড়ি’। তাঁর বক্তব্যে যেমন নেটপাড়ার একাংশ শান্ত হয়েছে, তেমনই আরেকটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
অক্ষয় কুমারের মতে, সিনেমায় নায়ক-নায়িকার বয়সের বড় ব্যবধান নতুন কিছু নয়। তাঁর কথায়, “এটা কি আমরা আগে কখনও দেখিনি? হলিউডেও এমনটা হয়। অনেক সময় চিত্রনাট্যের প্রয়োজনেই এমন জুটি তৈরি করা হয়। বাস্তব জীবনেও তো অনেকে নিজের থেকে বড় বা ছোট কাউকে বিয়ে করেন।” তিনি আরও জানান, নতুন প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের থেকে তিনি প্রতিনিয়ত শিখছেন। ওয়ামিকা গাব্বির প্রশংসা করে অক্ষয় বলেন, বিদ্যা বালন বা টাবু-র মতো অভিজ্ঞদের পাশাপাশি ওয়ামিকার রিহার্সাল করার ধরণও তাঁকে মুগ্ধ করেছে।
এই বিতর্কে পরিচালক প্রিয়দর্শনও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। দক্ষিণী কিংবদন্তি এনটিআর এবং এমজিআর-এর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, একজন অভিনেতার বাস্তব বয়স এবং পর্দার চরিত্রের বয়স আলাদা বিষয়। দর্শক যখন অভিনেতাকে নয়, চরিত্রকে গ্রহণ করেন, তখন বয়সের ব্যবধান আর গুরুত্বপূর্ণ থাকে না। তাঁর মতে, অক্ষয় বা টাবুর সঙ্গে কাজ করার সময় কখনওই বয়স বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
‘ভূত বাংলা’ ছবিতে টাবু ও ওয়ামিকা দু’জনেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকছেন। প্রিয়দর্শনের কথায়, টাবু অত্যন্ত অভিজ্ঞ হওয়ায় তাঁকে আলাদা করে খুব বেশি বোঝাতে হয় না। অন্যদিকে, ওয়ামিকা তুলনায় নবীন হওয়ায় তিনি বেশি প্রশ্ন করেন এবং চরিত্রের খুঁটিনাটি বুঝে নিতে চান।