ভারতের সঙ্গীতজগতের অন্যতম নাম শ্রেয়া ঘোষাল। দুই দশকের বেশি সময় ধরে অসংখ্য ভাষায় হিট গান, অগণিত লাইভ শো, সব মিলিয়ে তিনি যেন নিজেই এক প্রতিষ্ঠান। আর সেই শিল্পীকেই ঘিরে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। বিষয়—তাঁর পারিশ্রমিক।
সম্প্রতি রেডিট থ্রেডে ভাইরাল হয় একটি স্ক্রিনশট, যেখানে দাবি করা হয় তেলেঙ্গনা গদর ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড -এ পারফর্ম করার জন্য শ্রেয়া ঘোষাল নাকি নিয়েছেন ১.৬৫ কোটি টাকা। এই সংখ্যাটিই ঘিরে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। এই পরিমাণ অর্থ কি খুব বেশি, না কি বরং তাঁর মতো শিল্পীর জন্য অস্বাভাবিক কম?
অনেকের মতে, শ্রেয়ার মতো ‘জেনারেশনাল ট্যালেন্ট’-এর জন্য এই অঙ্ক যথেষ্ট নয়। তাঁদের যুক্তি, বলিউডে প্লেব্যাক সিঙ্গারদের পারিশ্রমিক তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় লাইভ শো-ই হয়ে উঠেছে তাঁদের প্রধান আয়ের উৎস। ফলে সেখানে বেশি পারিশ্রমিক নেওয়াটা অস্বাভাবিক নয়, বরং প্রয়োজনীয়।
এক নেটিজেন লিখেছেন, “প্রযোজকেরা প্লেব্যাক সিঙ্গারদের প্রায় কিছুই দেন না। তাই লাইভ শো থেকেই তাঁদের আসল উপার্জন।” আবার আরেকজনের মন্তব্য, “শ্রেয়া এত বছর ধরে শীর্ষে, এই অঙ্ক তাঁর জন্য কমই বলা যায়।” কেউ কেউ দাবি করেছেন, অরিজিৎ সিং নাকি একেকটি শোর জন্য কয়েক কোটি টাকা নেন। সেই তুলনায় শ্রেয়ার পারিশ্রমিক অনেকটাই কম বলে মনে করছেন অনেকেই।
তবে বিপরীত মতও রয়েছে। একাংশের মতে, ১.৬৫ কোটি টাকা কোনও অংশেই কম নয়। বিশেষ করে একটি অ্যাওয়ার্ড শোর জন্য এই অঙ্ক যথেষ্ট বলেই মনে করেন তাঁরা। তবে সব বিতর্কের মাঝেই একটি বিষয় স্পষ্ট—এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। ফলে রেডিটে ছড়ানো স্ক্রিনশটটি আদৌ সত্যি কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।
কিন্তু সত্যি-মিথ্যা যাই হোক, এই বিতর্ক আবারও সামনে এনে দিল একটি পুরনো প্রশ্ন, ভারতের সঙ্গীতশিল্পীরা, বিশেষ করে মহিলা গায়করা, কি এখনও তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ও পারিশ্রমিক পান? শ্রেয়া ঘোষালের প্রসঙ্গ যেন সেই আলোচনাকেই নতুন করে উসকে দিল।
সম্প্রতি রেডিট থ্রেডে ভাইরাল হয় একটি স্ক্রিনশট, যেখানে দাবি করা হয় তেলেঙ্গনা গদর ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড -এ পারফর্ম করার জন্য শ্রেয়া ঘোষাল নাকি নিয়েছেন ১.৬৫ কোটি টাকা। এই সংখ্যাটিই ঘিরে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। এই পরিমাণ অর্থ কি খুব বেশি, না কি বরং তাঁর মতো শিল্পীর জন্য অস্বাভাবিক কম?
অনেকের মতে, শ্রেয়ার মতো ‘জেনারেশনাল ট্যালেন্ট’-এর জন্য এই অঙ্ক যথেষ্ট নয়। তাঁদের যুক্তি, বলিউডে প্লেব্যাক সিঙ্গারদের পারিশ্রমিক তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় লাইভ শো-ই হয়ে উঠেছে তাঁদের প্রধান আয়ের উৎস। ফলে সেখানে বেশি পারিশ্রমিক নেওয়াটা অস্বাভাবিক নয়, বরং প্রয়োজনীয়।
এক নেটিজেন লিখেছেন, “প্রযোজকেরা প্লেব্যাক সিঙ্গারদের প্রায় কিছুই দেন না। তাই লাইভ শো থেকেই তাঁদের আসল উপার্জন।” আবার আরেকজনের মন্তব্য, “শ্রেয়া এত বছর ধরে শীর্ষে, এই অঙ্ক তাঁর জন্য কমই বলা যায়।” কেউ কেউ দাবি করেছেন, অরিজিৎ সিং নাকি একেকটি শোর জন্য কয়েক কোটি টাকা নেন। সেই তুলনায় শ্রেয়ার পারিশ্রমিক অনেকটাই কম বলে মনে করছেন অনেকেই।
তবে বিপরীত মতও রয়েছে। একাংশের মতে, ১.৬৫ কোটি টাকা কোনও অংশেই কম নয়। বিশেষ করে একটি অ্যাওয়ার্ড শোর জন্য এই অঙ্ক যথেষ্ট বলেই মনে করেন তাঁরা। তবে সব বিতর্কের মাঝেই একটি বিষয় স্পষ্ট—এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। ফলে রেডিটে ছড়ানো স্ক্রিনশটটি আদৌ সত্যি কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।
কিন্তু সত্যি-মিথ্যা যাই হোক, এই বিতর্ক আবারও সামনে এনে দিল একটি পুরনো প্রশ্ন, ভারতের সঙ্গীতশিল্পীরা, বিশেষ করে মহিলা গায়করা, কি এখনও তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ও পারিশ্রমিক পান? শ্রেয়া ঘোষালের প্রসঙ্গ যেন সেই আলোচনাকেই নতুন করে উসকে দিল।