সৌন্দর্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে ত্বকেই। উজ্জ্বল এবং সুন্দর ত্বক পেতে শুধু ক্রিম-সিরাম নয়, কদর বাড়ছে জেড রোলার, গুয়া সা-র মতো রূপচর্চার সরঞ্জামের। সেই তালিকায় আর এক সংযোজন ‘আইস গ্লোব রোলার’। সেই ভাবে জনপ্রিয়তার তালিকায় না থাকলেও, ছোট্ট স্বচ্ছ গোলকই আগামী দিনে হয়ে উঠতে পারে রূপচর্চার মধ্যমণি। মুখের ফোলা ভাব কমাতে, মসৃণ এবং তরতাজা ত্বক পেতে— এই ছোট্ট জিনিসটি হতে পারে নিত্যসঙ্গী। সঠিক পন্থায় নিয়ম করে ব্যবহার করতে পারলেই ত্বকে মিলবে স্পায়ের মতো জেল্লা।
কী এই আইস গ্লোব?
ছোট্ট হাতলযুক্ত স্বচ্ছ গোলাকার সরঞ্জামটি প্রসাধনীর বাজারে খুব নতুন নয়। মূলত কাচের হলেও, স্টিল এবং প্লাস্টিকের গোলাকার ফেশিয়াল রোলারও হয়। কোনও কোনও গোলকের ভিতরে থাকে জেলের মতো পদার্থও। ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে তা ব্যবহার করা হয় মুখে মাসাজের জন্য। সরাসরি ত্বকে বরফ ব্যবহারের কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। বরফের বদলে গোলকের হিমশীতল স্পর্শে ত্বকের পরিচর্যার কৌশল তাই আগামী দিনে হতে চলেছে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য।
কী এর উপকারিতা?
মুখের ফোলাভাব কমায়: ঘুম থেকে ওঠার পরে সাধারণত মুখ-চোখ ফোলা দেখায়। বরফ-শীতল গোলকের স্পর্শে রক্তবাহী নালি সঙ্কুচিত হয়ে যাওয়ায় ফোলা ভাব কমে যায়।
ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনে: শীতল স্পর্শে রক্তনালি সঙ্কুচিত হয়, আবার খানিক পরে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তা আগের মতোই প্রসারিত হয়ে যায়। এই সঙ্কোচন-প্রসারণের ফলে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। ফল ত্বক প্রাণবন্ত দেখায়।
উন্মুক্ত ছিদ্র সঙ্কুচিত করে: আইস গ্লোবের হিমশীতল স্পর্শে ত্বকে থাকা খোলা বা উন্মুক্ত ছিদ্রগুলি সাময়িক ভাবে সঙ্কুচিত হয়ে যায়। ফলে ত্বক অনেক বেশি মসৃণ দেখায়। যদিও এই প্রভাব সাময়িক।
আরামদায়ক: মুখে শীতল স্পর্শের এই মাসাজ অত্যন্ত আরামদায়ক। বিশেষত গরমের দিনে তা স্বস্তিদায়ক। রোদের তাপে ত্বকে জ্বালা হয়। প্রদাহ কমাতে, জ্বালা-পোড়া ভাব কমাতেও সাহায্য করে গ্লোবের ঠান্ডা পরশ।
কী ভাবে আইস গ্লোব ব্যবহার করবেন?
১। প্রথমেই মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। তার পরে ভাল কোনও মাসাজ ক্রিম বা ফেশিয়াল অয়েল মেখে নিতে পারেন।
২। শীতল গোলকটি ব্যবহারের নিজস্ব পন্থা রয়েছে। রোলার টানতে হবে মুখের নীচ থেকে উপরের দিকে। বিশেষত ত্বক টানটান করতে হলে এমন পদ্ধতি মানতে হবে। দুই হাতে দু’টি রোলার নিন। থুতনির মাঝ বরাবর সেটি ধরে দুই হাতের সাহায্যে একই সঙ্গে চোয়াল বরবার কান পর্যন্ত নিয়ে যান। পরের ধাপে রোলার রাখুন থুতনির আর একটু উপরে। একই ভাবে নীচ থেকে উপরের দিকে টানুন।
৩। চোখের চারপাশে রোলারটি আলতো করে গোলাকার ভাবে ঘুরিয়ে নিন। নাকের দু’পাশে চোখের কোণ থেকে সেটি টানতে হবে চোখের দুই পাশের প্রেশার পয়েন্ট পর্যন্ত।
৪। কপালে ব্যবহার করুন নীচ থেকে উপরে।
নিয়মিত এই গোলক ব্যবহার করা যায়। তবে ৩-৫ মিনিটই যথেষ্ট। শিথিল হয়ে যাওয়া ত্বক টানটান করতে, বলিরেখা কমাতেও সাহায্য করে আইস গ্লোব রোলারের নিয়মিত মাসাজ।
ব্যবহারের সতর্কতা
· মাসাজের পন্থা ঠিক না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। মাসাজের সময় জোরে চাপ দেওয়া যাবে না। হালকা হাতে ফেশিয়াল মাসাজের কায়দাতেই কাজ হবে।
· ত্বকে কোনও ক্ষত থাকলে বা সংক্রমণ হলে এড়িয়ে চলাই ভাল।
· স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য এই থেরাপি নয়। প্রবল ঠান্ডায় অনেকেরই সমস্যা হয়। ত্বক অল্প লাল হলে অসুবিধা নেই, বেশি লাল হয়ে গেলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
· ফেশিয়াল গ্লোব ব্রণ সারাতে পারে না। তবে ব্রণের ফলে ত্বকে জ্বালা-পোড়া হলে খানিক আরাম মেলে। ব্রণ ফেটে পুঁজ হয়ে থাকলে ব্যবহার না করাই ভাল।
অনলাইন এবং অফলাইনে আইস গ্লোব রোলার পাওয়া যায়। গুণমান অনুযায়ী দাম হয়। ৫ হাজার থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন মানের সরঞ্জাম মেলে।
‘কোল্ড থেরাপি’-র উপকারিতা থাকলেও, সব ধরনের পন্থা সব ত্বকে উপযুক্ত নয়। আইস গ্লোব রোলার নিরাপদ হলেও, ত্বকের ধরন এবং প্রয়োজন বুঝে তা ব্যবহার করা উচিত।
কী এই আইস গ্লোব?
ছোট্ট হাতলযুক্ত স্বচ্ছ গোলাকার সরঞ্জামটি প্রসাধনীর বাজারে খুব নতুন নয়। মূলত কাচের হলেও, স্টিল এবং প্লাস্টিকের গোলাকার ফেশিয়াল রোলারও হয়। কোনও কোনও গোলকের ভিতরে থাকে জেলের মতো পদার্থও। ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে তা ব্যবহার করা হয় মুখে মাসাজের জন্য। সরাসরি ত্বকে বরফ ব্যবহারের কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। বরফের বদলে গোলকের হিমশীতল স্পর্শে ত্বকের পরিচর্যার কৌশল তাই আগামী দিনে হতে চলেছে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য।
কী এর উপকারিতা?
মুখের ফোলাভাব কমায়: ঘুম থেকে ওঠার পরে সাধারণত মুখ-চোখ ফোলা দেখায়। বরফ-শীতল গোলকের স্পর্শে রক্তবাহী নালি সঙ্কুচিত হয়ে যাওয়ায় ফোলা ভাব কমে যায়।
ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনে: শীতল স্পর্শে রক্তনালি সঙ্কুচিত হয়, আবার খানিক পরে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তা আগের মতোই প্রসারিত হয়ে যায়। এই সঙ্কোচন-প্রসারণের ফলে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। ফল ত্বক প্রাণবন্ত দেখায়।
উন্মুক্ত ছিদ্র সঙ্কুচিত করে: আইস গ্লোবের হিমশীতল স্পর্শে ত্বকে থাকা খোলা বা উন্মুক্ত ছিদ্রগুলি সাময়িক ভাবে সঙ্কুচিত হয়ে যায়। ফলে ত্বক অনেক বেশি মসৃণ দেখায়। যদিও এই প্রভাব সাময়িক।
আরামদায়ক: মুখে শীতল স্পর্শের এই মাসাজ অত্যন্ত আরামদায়ক। বিশেষত গরমের দিনে তা স্বস্তিদায়ক। রোদের তাপে ত্বকে জ্বালা হয়। প্রদাহ কমাতে, জ্বালা-পোড়া ভাব কমাতেও সাহায্য করে গ্লোবের ঠান্ডা পরশ।
কী ভাবে আইস গ্লোব ব্যবহার করবেন?
১। প্রথমেই মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। তার পরে ভাল কোনও মাসাজ ক্রিম বা ফেশিয়াল অয়েল মেখে নিতে পারেন।
২। শীতল গোলকটি ব্যবহারের নিজস্ব পন্থা রয়েছে। রোলার টানতে হবে মুখের নীচ থেকে উপরের দিকে। বিশেষত ত্বক টানটান করতে হলে এমন পদ্ধতি মানতে হবে। দুই হাতে দু’টি রোলার নিন। থুতনির মাঝ বরাবর সেটি ধরে দুই হাতের সাহায্যে একই সঙ্গে চোয়াল বরবার কান পর্যন্ত নিয়ে যান। পরের ধাপে রোলার রাখুন থুতনির আর একটু উপরে। একই ভাবে নীচ থেকে উপরের দিকে টানুন।
৩। চোখের চারপাশে রোলারটি আলতো করে গোলাকার ভাবে ঘুরিয়ে নিন। নাকের দু’পাশে চোখের কোণ থেকে সেটি টানতে হবে চোখের দুই পাশের প্রেশার পয়েন্ট পর্যন্ত।
৪। কপালে ব্যবহার করুন নীচ থেকে উপরে।
নিয়মিত এই গোলক ব্যবহার করা যায়। তবে ৩-৫ মিনিটই যথেষ্ট। শিথিল হয়ে যাওয়া ত্বক টানটান করতে, বলিরেখা কমাতেও সাহায্য করে আইস গ্লোব রোলারের নিয়মিত মাসাজ।
ব্যবহারের সতর্কতা
· মাসাজের পন্থা ঠিক না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। মাসাজের সময় জোরে চাপ দেওয়া যাবে না। হালকা হাতে ফেশিয়াল মাসাজের কায়দাতেই কাজ হবে।
· ত্বকে কোনও ক্ষত থাকলে বা সংক্রমণ হলে এড়িয়ে চলাই ভাল।
· স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য এই থেরাপি নয়। প্রবল ঠান্ডায় অনেকেরই সমস্যা হয়। ত্বক অল্প লাল হলে অসুবিধা নেই, বেশি লাল হয়ে গেলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
· ফেশিয়াল গ্লোব ব্রণ সারাতে পারে না। তবে ব্রণের ফলে ত্বকে জ্বালা-পোড়া হলে খানিক আরাম মেলে। ব্রণ ফেটে পুঁজ হয়ে থাকলে ব্যবহার না করাই ভাল।
অনলাইন এবং অফলাইনে আইস গ্লোব রোলার পাওয়া যায়। গুণমান অনুযায়ী দাম হয়। ৫ হাজার থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন মানের সরঞ্জাম মেলে।
‘কোল্ড থেরাপি’-র উপকারিতা থাকলেও, সব ধরনের পন্থা সব ত্বকে উপযুক্ত নয়। আইস গ্লোব রোলার নিরাপদ হলেও, ত্বকের ধরন এবং প্রয়োজন বুঝে তা ব্যবহার করা উচিত।