ইরানে আমেরিকা-ইসরাইলের আগ্রাসন শুরুর পর পাল্টা-পাল্টি হামলায় এখন পর্যন্ত ১৪টি দেশে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৬ হাজারের বেশি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি হতাহতের যে তথ্য দিয়েছে সেটা সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের দেয়া সংখ্যা। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। নিহতদের মধ্যে প্রায় দুই তৃতীয়াংশই ইরানের; যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বেসামরিক নাগরিক। এছাড়া ইসরাইলি আগ্রাসনে লেবাননেও নিহতের সংখ্যা এরইমধ্যে এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে ইসরাইলে যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা প্রকাশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে দেশটির সরকার। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি নামে সামরিক অভিযান শুরু হয়। আগ্রাসনে যোগ দেয় ইসরাইলই। আক্রান্ত হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইরান। ইসরাইলসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে আমেরিকার ঘাটিগুলোকে প্রাথমিকভাবে টার্গেট করে ইরান।
যুদ্ধের ২৫তম দিনে এসে হতাহতের যে হিসাব পাওয়া যাচ্ছে-
ইরান: অন্তত ১,৫০০ জন নিহত, ১৮,৫৫১ জন আহত
লেবানন: অন্তত ১,০৩৯ জন নিহত, ২,৫৮৩ জন আহত
ইরাক: অন্তত ৬১ জন নিহত, ডজনখানেক আহত
ইসরাইল: অন্তত ১৮ জন নিহত, ৪,৬৯৭ জন আহত
মার্কিন সামরিক বাহিনী: অন্তত ১৩ জন নিহত, ২০০ জন আহত
ফিলিস্তিন: অন্তত চারজন নিহত
সিরিয়া: অন্তত চারজন নিহত
কুয়েত: অন্তত ছয়জন নিহত, ডজনখানেক আহত
বাহরাইন: অন্তত দুইজন নিহত, ডজনখানেক আহত
সংযুক্ত আরব আমিরাত: অন্তত আটজন নিহত, ১৬০ জন আহত
ওমান: অন্তত তিনজন নিহত, ১৫ জন আহত
সৌদি আরব: অন্তত দুইজন নিহত, ২০ জন আহত
জর্ডান: অন্তত ২৮ জন আহত
কাতার: অন্তত ১৬ জন আহত
সংবাদমাধ্যমটি হতাহতের যে তথ্য দিয়েছে সেটা সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের দেয়া সংখ্যা। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। নিহতদের মধ্যে প্রায় দুই তৃতীয়াংশই ইরানের; যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বেসামরিক নাগরিক। এছাড়া ইসরাইলি আগ্রাসনে লেবাননেও নিহতের সংখ্যা এরইমধ্যে এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে ইসরাইলে যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা প্রকাশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে দেশটির সরকার। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি নামে সামরিক অভিযান শুরু হয়। আগ্রাসনে যোগ দেয় ইসরাইলই। আক্রান্ত হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইরান। ইসরাইলসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে আমেরিকার ঘাটিগুলোকে প্রাথমিকভাবে টার্গেট করে ইরান।
যুদ্ধের ২৫তম দিনে এসে হতাহতের যে হিসাব পাওয়া যাচ্ছে-
ইরান: অন্তত ১,৫০০ জন নিহত, ১৮,৫৫১ জন আহত
লেবানন: অন্তত ১,০৩৯ জন নিহত, ২,৫৮৩ জন আহত
ইরাক: অন্তত ৬১ জন নিহত, ডজনখানেক আহত
ইসরাইল: অন্তত ১৮ জন নিহত, ৪,৬৯৭ জন আহত
মার্কিন সামরিক বাহিনী: অন্তত ১৩ জন নিহত, ২০০ জন আহত
ফিলিস্তিন: অন্তত চারজন নিহত
সিরিয়া: অন্তত চারজন নিহত
কুয়েত: অন্তত ছয়জন নিহত, ডজনখানেক আহত
বাহরাইন: অন্তত দুইজন নিহত, ডজনখানেক আহত
সংযুক্ত আরব আমিরাত: অন্তত আটজন নিহত, ১৬০ জন আহত
ওমান: অন্তত তিনজন নিহত, ১৫ জন আহত
সৌদি আরব: অন্তত দুইজন নিহত, ২০ জন আহত
জর্ডান: অন্তত ২৮ জন আহত
কাতার: অন্তত ১৬ জন আহত