রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাসকাটা দিঘী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৩বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন-ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী পবা-মোহনপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
সোমবার ২৩ শে মার্চ ২০২৬, দিনব্যাপী আয়োজিত এই পুনর্মিলনীতে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন পর সহপাঠীদের সঙ্গে পুনর্মিলনে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ। অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং আনন্দঘন মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, স্কুলের শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ ও সহপাঠীদের সঙ্গে কাটানো স্মৃতিগুলো ধারণ করে আগামী প্রজন্মের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়টি সরকারি করণসহ যেসব সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অন্যান্য বক্তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আশাবাদও ব্যক্ত করা হয়।
এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে এবং সবার মাঝে নতুন করে স্মৃতির দুয়ার উন্মোচন করেছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. আবদুল ওয়াদুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ ইসলাম।
সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন-ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী পবা-মোহনপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
সোমবার ২৩ শে মার্চ ২০২৬, দিনব্যাপী আয়োজিত এই পুনর্মিলনীতে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন পর সহপাঠীদের সঙ্গে পুনর্মিলনে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ। অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং আনন্দঘন মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, স্কুলের শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ ও সহপাঠীদের সঙ্গে কাটানো স্মৃতিগুলো ধারণ করে আগামী প্রজন্মের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়টি সরকারি করণসহ যেসব সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অন্যান্য বক্তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আশাবাদও ব্যক্ত করা হয়।
এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে এবং সবার মাঝে নতুন করে স্মৃতির দুয়ার উন্মোচন করেছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. আবদুল ওয়াদুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ ইসলাম।