আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগরীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাব-৭। জনজীবন, জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল, চেকপোস্ট এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
র্যাব-৭ জানায়, ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে অলংকার, একে খান বাসস্ট্যান্ড এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাতে যাত্রীরা ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, ‘মলম পার্টি’ ও ‘অজ্ঞান পার্টি’র মতো অপরাধের শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাস টিকিট সিন্ডিকেট, কালোবাজারি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো অনিয়ম প্রতিরোধেও কাজ করছে র্যাব।
সংস্থাটি আরও জানায়, ঈদের সময় বাসা-বাড়ি ও মার্কেট ফাঁকা থাকায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ঈদ পরবর্তী সময়েও সড়ক ও আবাসিক এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে এই নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
র্যাব-৭ জনগণকে ভ্রমণের সময় অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে অযাচিত ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে অজ্ঞান পার্টি ও অন্যান্য অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
ঈদ জামায়াতকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতা, হামলা বা গুজব প্রতিরোধে প্রস্তুত থাকার কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি। এছাড়া ঈদ পরবর্তী সময়ে বিনোদন কেন্দ্র, পার্ক ও চিড়িয়াখানায় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যাতে দর্শনার্থীরা হয়রানির শিকার না হন।
যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় র্যাব-৭ পর্যাপ্ত রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রেখেছে বলে জানানো হয়। সংস্থাটি বলছে, ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে চলমান নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং যেকোনো সহিংসতা বা নাশকতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
র্যাব-৭ জানায়, ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে অলংকার, একে খান বাসস্ট্যান্ড এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাতে যাত্রীরা ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, ‘মলম পার্টি’ ও ‘অজ্ঞান পার্টি’র মতো অপরাধের শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাস টিকিট সিন্ডিকেট, কালোবাজারি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো অনিয়ম প্রতিরোধেও কাজ করছে র্যাব।
সংস্থাটি আরও জানায়, ঈদের সময় বাসা-বাড়ি ও মার্কেট ফাঁকা থাকায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ঈদ পরবর্তী সময়েও সড়ক ও আবাসিক এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে এই নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
র্যাব-৭ জনগণকে ভ্রমণের সময় অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে অযাচিত ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে অজ্ঞান পার্টি ও অন্যান্য অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
ঈদ জামায়াতকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতা, হামলা বা গুজব প্রতিরোধে প্রস্তুত থাকার কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি। এছাড়া ঈদ পরবর্তী সময়ে বিনোদন কেন্দ্র, পার্ক ও চিড়িয়াখানায় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যাতে দর্শনার্থীরা হয়রানির শিকার না হন।
যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় র্যাব-৭ পর্যাপ্ত রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রেখেছে বলে জানানো হয়। সংস্থাটি বলছে, ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে চলমান নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং যেকোনো সহিংসতা বা নাশকতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।