পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উল্লেখযোগ্য হুমকি সৃষ্টিকারী রাষ্ট্রগুলোর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডন।
একইসঙ্গে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করে বলেছেন যে, ইসলামাবাদের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্ভাব্যভাবে আমেরিকার মূল ভূখণ্ডকে এর আওতায় নিয়ে আসতে পারে।
বুধবার (১৮ মার্চ) মার্কিন সিনেটের গোয়েন্দা কমিটির সামনে ২০২৬ সালের বার্ষিক হুমকি মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে মিস গ্যাবার্ড বলেন, ‘রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, ইরান এবং পাকিস্তান পারমাণবিক ও প্রচলিত পেলোডসহ বিভিন্ন ধরনের অভিনব, উন্নত বা প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন করছে, যা আমাদের মাতৃভূমিকে নাগালের মধ্যে নিয়ে আসে।’
‘পাকিস্তানের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচিতে এমন আইসিবিএম অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরে আঘাত হানতে সক্ষম।’ গ্যাবার্ড আরও জানান।
তিনি আরও বলেন যে, প্রতিবেদনে চিহ্নিত দেশগুলো তাদের নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন এবং ওয়াশিংটনের প্রতিরোধমূলক অবস্থান মূল্যায়ন করার জন্য মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাগুলো বোঝার চেষ্টা করবে।
তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগামী দশকে ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির তীব্র বাড়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের প্রতি হুমকি সম্মিলিতভাবে ১৬,০০০-এরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্রে বাড়বে। যার বর্তমান আনুমানিক সংখ্যা ৩,০০০।
এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত জলিল আব্বাস জিলানি এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন যে, পাকিস্তান আমেরিকার ভূখণ্ডের জন্য সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডন।
একইসঙ্গে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করে বলেছেন যে, ইসলামাবাদের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্ভাব্যভাবে আমেরিকার মূল ভূখণ্ডকে এর আওতায় নিয়ে আসতে পারে।
বুধবার (১৮ মার্চ) মার্কিন সিনেটের গোয়েন্দা কমিটির সামনে ২০২৬ সালের বার্ষিক হুমকি মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে মিস গ্যাবার্ড বলেন, ‘রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, ইরান এবং পাকিস্তান পারমাণবিক ও প্রচলিত পেলোডসহ বিভিন্ন ধরনের অভিনব, উন্নত বা প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন করছে, যা আমাদের মাতৃভূমিকে নাগালের মধ্যে নিয়ে আসে।’
‘পাকিস্তানের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচিতে এমন আইসিবিএম অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরে আঘাত হানতে সক্ষম।’ গ্যাবার্ড আরও জানান।
তিনি আরও বলেন যে, প্রতিবেদনে চিহ্নিত দেশগুলো তাদের নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন এবং ওয়াশিংটনের প্রতিরোধমূলক অবস্থান মূল্যায়ন করার জন্য মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাগুলো বোঝার চেষ্টা করবে।
তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগামী দশকে ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির তীব্র বাড়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের প্রতি হুমকি সম্মিলিতভাবে ১৬,০০০-এরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্রে বাড়বে। যার বর্তমান আনুমানিক সংখ্যা ৩,০০০।
এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত জলিল আব্বাস জিলানি এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন যে, পাকিস্তান আমেরিকার ভূখণ্ডের জন্য সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি সৃষ্টি করেছে।