রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর গ্রামে একই পরিবারের তিনজন হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তারা হলেন মা, ছেলে ও ছেলের স্ত্রী।
জানা গেছে, ধর্মান্তরিত হওয়া তিনজন ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহী নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে ধর্ম ও নাম পরিবর্তনের জন্য কোর্ট এফিডেভিট সম্পন্ন করেন। পরে ১৬ মার্চ ২০২৬ (সোমবার) জামিয়া আশরাফিয়া হাফিজিয়া ক্বওমি মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা মো. সামরুল হুজুরের নিকট কালেমা পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ধর্মান্তরের আগে ও পরের নাম অনুযায়ী,শ্রীমতি অলকা রানী বর্তমানে শেফালী খাতুন, ছেলে নয়ন বর্তমানে রতন আলী এবং ছেলের স্ত্রী জয়ন্তী বর্তমানে ছনিয়া খাতুন নামে পরিচিত হন।
ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়ে শেফালী খাতুন বলেন, তিনি প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে নিজ বিবেচনায় ছেলে ও পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি জানান, পূর্বে বিভিন্ন ইসলামী আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং ইসলামি বই-পুস্তক অধ্যয়ন করে এ ধর্মের প্রতি তার বিশ্বাস জন্মে।
ছেলে রতন আলী বলেন, ছোটবেলা থেকেই ইসলাম ধর্মের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। বর্তমানে তিনি, তার মা ও স্ত্রী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মানসিকভাবে শান্তি অনুভব করছেন।
তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন, যেন তারা ইসলামের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে পারেন।
এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নয়নের পিতা শ্রী সান্টু কর্মকার বিষয়টি অবগত আছেন এবং এতে তিনি কোনো বাধা দেননি।
বর্তমানে শেফালী খাতুন তার ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে আলীপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের বাড়িতে বসবাস করছেন।
জানা গেছে, ধর্মান্তরিত হওয়া তিনজন ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহী নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে ধর্ম ও নাম পরিবর্তনের জন্য কোর্ট এফিডেভিট সম্পন্ন করেন। পরে ১৬ মার্চ ২০২৬ (সোমবার) জামিয়া আশরাফিয়া হাফিজিয়া ক্বওমি মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা মো. সামরুল হুজুরের নিকট কালেমা পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ধর্মান্তরের আগে ও পরের নাম অনুযায়ী,শ্রীমতি অলকা রানী বর্তমানে শেফালী খাতুন, ছেলে নয়ন বর্তমানে রতন আলী এবং ছেলের স্ত্রী জয়ন্তী বর্তমানে ছনিয়া খাতুন নামে পরিচিত হন।
ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়ে শেফালী খাতুন বলেন, তিনি প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে নিজ বিবেচনায় ছেলে ও পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি জানান, পূর্বে বিভিন্ন ইসলামী আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং ইসলামি বই-পুস্তক অধ্যয়ন করে এ ধর্মের প্রতি তার বিশ্বাস জন্মে।
ছেলে রতন আলী বলেন, ছোটবেলা থেকেই ইসলাম ধর্মের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। বর্তমানে তিনি, তার মা ও স্ত্রী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মানসিকভাবে শান্তি অনুভব করছেন।
তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন, যেন তারা ইসলামের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে পারেন।
এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নয়নের পিতা শ্রী সান্টু কর্মকার বিষয়টি অবগত আছেন এবং এতে তিনি কোনো বাধা দেননি।
বর্তমানে শেফালী খাতুন তার ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে আলীপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের বাড়িতে বসবাস করছেন।