সাপ্তাহিক ছুটির দিনটা পেরিয়ে গেলেই মন খারাপ হয়ে যায়। পর দিন সকালে ঘুম ভাঙতেই একরাশ ক্লান্তি যেন চেপে বসে। মনে হয়, আবার সেই অফিস, কাজ! ডেস্কে বসে কাজ শুরু করার কিছু ক্ষণ পরেই ঝিমুনি আসে। বিশেষ করে ঘড়ির কাঁটা দুপুর ২টো পেরোলেই যেন দু’চোখের পাতা যেন এক হতে চায়। কাজের ইচ্ছা ও গতি দু’টিই হারিয়ে যায়। ঝিমুনি কাটিয়ে যখন ওঠেন, তত ক্ষণে কাজের পাহাড় জমেছে। শেষ করার তাড়াও রয়েছে। কিন্তু ক্লান্তি কাটিয়ে ওঠার উপায় কী তা ভেবে পান না কিছুতেই। এই সমস্যারই সমাধান রয়েছে আপনার নাগালের মধ্যেই। কোনও ব্যায়াম বা মেডিটেশন করতে হবে না, বরং টুকটাক মুখ চালান স্বাস্থ্যকর কিছু স্ন্যাক্সে।
বেলা ২টো বা ৩টের পর থেকে বিকেল অবধি শরীর ও মনের কার্যক্ষমতা হঠাৎ কমে যেতে পারে। ক্লান্তি, ঘুম ঘুম ভাব ঘিরে ধরে অনেককে। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠাও যায় না। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘আফটারনুন স্লাম্প’। এমন ক্লান্তি কাটিয়ে ওঠার সহজ উপায় হল এমন কিছু খেতে হবে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পেশির শক্তি বাড়িয়ে তোলে ও মন ভাল করার হরমোন ক্ষরণে সাহায্য করে। কী কী স্ন্যাক্স টিফিন বাক্সে গুছিয়ে নেবেন রইল তার হদিস।
বাদাম-বীজের মিশ্রণ: আধ কাপের মতো আখরোট, কাঠবাদাম, কাজু বাদাম, আধ কাপ কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ ও তিসির বীজ, কয়েকটি খেজুর ও সামান্য ঘি নিতে হবে। প্রথমে বাদাম ও বীজগুলি শুকনো খোলায় হালকা ভেজে নিন। খেজুরগুলি বীজ ছাড়িয়ে বেটে নিন। একটি পাত্রে ঘি হালকা গরম করে নিয়ে তাতে খেজুর বাটা দিয়ে নেড়ে নিন। এতে ভাজা বাদাম ও বীজগুলি দিয়ে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা করে টিফিন বাক্সে ভরে নিন। কাজের মাঝে এই স্ন্যাক্স খেলে শরীরে শক্তি তৈরি হবে। বাদাম ও বীজের ম্যাগনেশিয়াম ও জ়িঙ্ক ক্লান্তি কাটাতে খুবই উপযোগী।
বেকড আপেল ও পনির নাচোস: আপেল পাতলা টুকরো করে কেটে নিন। প্রতিটি টুকরোর উপর অল্প গ্রেট করা পনির বা চিজ় এবং সামান্য দারচিনি গুঁড়ো দিন। অভেনে বা তাওয়ায় ঢেকে ২-৩ মিনিট গরম করুন যত ক্ষণ না পনির বা চিজ় গলে যায়। এর উপরে সামান্য মধু ছড়িয়ে দিন। ছোটরাও এই স্ন্যাক্স খেতে পারে।
দইয়ের সঙ্গে ফলের স্যালাড: গ্রিক ইয়োগার্ট পেলে ভাল, না হলে টক দই দিয়েও বানানো যাবে। দই ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এর মধ্যে পছন্দের ফল ছোট ছোট করে কেটে মিশিয়ে দিন। বেদানা, আঙুর, আপেল, তরমুজের মতো ফল হলে ভাল। উপর থেকে হালকা চাট মশলা ছড়িয়ে দিতে পারেন। দইয়ের প্রোটিন ও প্রোবায়োটিক খুব দ্রুত ঝিমুনি কাটাবে।
কুমড়োর বীজ ও ধনেপাতার চাটনি: আধ কাপ শুকনো খোলায় ভাজা কুমড়োর বীজ, এক আঁটি ধনেপাতা, ২-৩টি কাঁচা লঙ্কা, রসুন কোয়া, লেবুর রস এবং নুন লাগবে এই স্ন্যাক্স বানাতে। ধনেপাতার সঙ্গে রসুন ও কাঁচালঙ্কা বেটে চাটনি তৈরি করে নিন। ভাজা কুমড়োর বীজের উপরে চাটনি ঢেলে নুন ও লেবুর রস মিশিয়ে দিন। এই স্ন্যাক্স খেতে মুখরোচক এবং পুষ্টিকরও।
ডার্ক চকোলেট ও বাদাম: বিভিন্ন রকম বাদাম এবং বীজে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। অল্প তেল বা ঘিয়ে রোস্ট করা বাদামের সঙ্গে এক টুকরো ডার্ক চকোলেটও খাওয়া যেতে পারে। ডার্ক চকোলেট মন ভাল রাখতে সাহায্য করে।
বেলা ২টো বা ৩টের পর থেকে বিকেল অবধি শরীর ও মনের কার্যক্ষমতা হঠাৎ কমে যেতে পারে। ক্লান্তি, ঘুম ঘুম ভাব ঘিরে ধরে অনেককে। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠাও যায় না। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘আফটারনুন স্লাম্প’। এমন ক্লান্তি কাটিয়ে ওঠার সহজ উপায় হল এমন কিছু খেতে হবে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পেশির শক্তি বাড়িয়ে তোলে ও মন ভাল করার হরমোন ক্ষরণে সাহায্য করে। কী কী স্ন্যাক্স টিফিন বাক্সে গুছিয়ে নেবেন রইল তার হদিস।
বাদাম-বীজের মিশ্রণ: আধ কাপের মতো আখরোট, কাঠবাদাম, কাজু বাদাম, আধ কাপ কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ ও তিসির বীজ, কয়েকটি খেজুর ও সামান্য ঘি নিতে হবে। প্রথমে বাদাম ও বীজগুলি শুকনো খোলায় হালকা ভেজে নিন। খেজুরগুলি বীজ ছাড়িয়ে বেটে নিন। একটি পাত্রে ঘি হালকা গরম করে নিয়ে তাতে খেজুর বাটা দিয়ে নেড়ে নিন। এতে ভাজা বাদাম ও বীজগুলি দিয়ে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা করে টিফিন বাক্সে ভরে নিন। কাজের মাঝে এই স্ন্যাক্স খেলে শরীরে শক্তি তৈরি হবে। বাদাম ও বীজের ম্যাগনেশিয়াম ও জ়িঙ্ক ক্লান্তি কাটাতে খুবই উপযোগী।
বেকড আপেল ও পনির নাচোস: আপেল পাতলা টুকরো করে কেটে নিন। প্রতিটি টুকরোর উপর অল্প গ্রেট করা পনির বা চিজ় এবং সামান্য দারচিনি গুঁড়ো দিন। অভেনে বা তাওয়ায় ঢেকে ২-৩ মিনিট গরম করুন যত ক্ষণ না পনির বা চিজ় গলে যায়। এর উপরে সামান্য মধু ছড়িয়ে দিন। ছোটরাও এই স্ন্যাক্স খেতে পারে।
দইয়ের সঙ্গে ফলের স্যালাড: গ্রিক ইয়োগার্ট পেলে ভাল, না হলে টক দই দিয়েও বানানো যাবে। দই ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এর মধ্যে পছন্দের ফল ছোট ছোট করে কেটে মিশিয়ে দিন। বেদানা, আঙুর, আপেল, তরমুজের মতো ফল হলে ভাল। উপর থেকে হালকা চাট মশলা ছড়িয়ে দিতে পারেন। দইয়ের প্রোটিন ও প্রোবায়োটিক খুব দ্রুত ঝিমুনি কাটাবে।
কুমড়োর বীজ ও ধনেপাতার চাটনি: আধ কাপ শুকনো খোলায় ভাজা কুমড়োর বীজ, এক আঁটি ধনেপাতা, ২-৩টি কাঁচা লঙ্কা, রসুন কোয়া, লেবুর রস এবং নুন লাগবে এই স্ন্যাক্স বানাতে। ধনেপাতার সঙ্গে রসুন ও কাঁচালঙ্কা বেটে চাটনি তৈরি করে নিন। ভাজা কুমড়োর বীজের উপরে চাটনি ঢেলে নুন ও লেবুর রস মিশিয়ে দিন। এই স্ন্যাক্স খেতে মুখরোচক এবং পুষ্টিকরও।
ডার্ক চকোলেট ও বাদাম: বিভিন্ন রকম বাদাম এবং বীজে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। অল্প তেল বা ঘিয়ে রোস্ট করা বাদামের সঙ্গে এক টুকরো ডার্ক চকোলেটও খাওয়া যেতে পারে। ডার্ক চকোলেট মন ভাল রাখতে সাহায্য করে।