মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়ার মধ্যেই বড় মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানালেন, চলতি সংঘাতে ইজরায়েল কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে বলে তিনি মনে করেন না। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “ইজরায়েল এমন কাজ করবে না কখনওই।”
ট্রাম্পের এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, তার আগেই হোয়াইট হাউসের এআই ও ক্রিপ্টো বিষয়ক প্রধান ডেভিড স্যাক্স একটি সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, পরিস্থিতি চরমে পৌঁছলে ইজরায়েল পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবতে পারে।
তবে সেই আশঙ্কাকে মঙ্গলবার একপ্রকার খারিজ করে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে। যদিও দুই দেশের লক্ষ্য একেবারে এক না-ও হতে পারে, তবুও কৌশলগতভাবে তারা একসঙ্গে কাজ করছে।
নিজের কার্যকালে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের সপক্ষে সওয়াল করেন। তাঁর দাবি, গত প্রায় ৫০ বছর ধরে ইরান আমেরিকার জন্য সমস্যা তৈরি করে আসছে। কিন্তু কোনওদিন কিছু তেমন করা হয়নি। এতদিন সহ্য করার পর কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হল, এটা প্রয়োজন ছিল।
এই অবস্থানে সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, 'প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে দেশের সেনাদের সুরক্ষা ও সাফল্যের জন্য সকলের প্রার্থনা করা উচিত।'
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই মন্তব্য কূটনৈতিক ও সামরিক মহলে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, তার আগেই হোয়াইট হাউসের এআই ও ক্রিপ্টো বিষয়ক প্রধান ডেভিড স্যাক্স একটি সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, পরিস্থিতি চরমে পৌঁছলে ইজরায়েল পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবতে পারে।
তবে সেই আশঙ্কাকে মঙ্গলবার একপ্রকার খারিজ করে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে। যদিও দুই দেশের লক্ষ্য একেবারে এক না-ও হতে পারে, তবুও কৌশলগতভাবে তারা একসঙ্গে কাজ করছে।
নিজের কার্যকালে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের সপক্ষে সওয়াল করেন। তাঁর দাবি, গত প্রায় ৫০ বছর ধরে ইরান আমেরিকার জন্য সমস্যা তৈরি করে আসছে। কিন্তু কোনওদিন কিছু তেমন করা হয়নি। এতদিন সহ্য করার পর কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হল, এটা প্রয়োজন ছিল।
এই অবস্থানে সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, 'প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে দেশের সেনাদের সুরক্ষা ও সাফল্যের জন্য সকলের প্রার্থনা করা উচিত।'
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই মন্তব্য কূটনৈতিক ও সামরিক মহলে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।