রমজান মুসলমানের জীবনে এক অপূর্ব নেয়ামত। এই মাস যেন আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত, ক্ষমা ও মুক্তির এক উন্মুক্ত দরজা। সারা বছর নানা ব্যস্ততা, ভুল ও গুনাহে জর্জরিত মানুষের জন্য রমজান আসে আত্মশুদ্ধির এক মহাসুযোগ নিয়ে। কিন্তু এই বরকতময় মাসেরও শেষ আছে। দিনগুলো দ্রুত ফুরিয়ে যায়, রাতগুলো নীরবে বিদায় নেয়। দেখতে দেখতে আমরা পৌঁছে যাই রমজানের শেষ দশকে-যা মূলত মাগফিরাত লাভের সবচেয়ে মূল্যবান সময়।
রমজানের প্রথম অংশকে বলা হয় রহমতের দশক, মাঝের অংশ মাগফিরাতের দশক, আর শেষ অংশ নাজাতের দশক। এই শেষ সময়টুকু যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ ডাক-হে বান্দা, যদি এতদিন কিছু করতে না পারো, তবে অন্তত এখন ফিরে আসো, ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি ক্ষমা করতে প্রস্তুত।
ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশক এলে ইবাদতে বিশেষভাবে মনোযোগী হয়ে উঠতেন। হাদিসে বর্ণিত আছে, তিনি এ সময় রাত জেগে ইবাদত করতেন, নিজের পরিবারকেও জাগিয়ে দিতেন এবং দুনিয়াবি কাজ থেকে নিজেকে অনেকটা গুটিয়ে নিতেন। এর মাধ্যমে তিনি উম্মতকে বুঝিয়ে দিয়েছেন-রমজানের শেষ সময়গুলো অবহেলা করার নয়; বরং এগুলোই হতে পারে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সবচেয়ে বড় সুযোগ।
বাস্তবতা হলো, অনেক মানুষ রমজানের শুরুতে বেশ উৎসাহ নিয়ে ইবাদত শুরু করে। মসজিদে ভিড় বাড়ে, কোরআন তিলাওয়াতের ধারা শুরু হয়, তাহাজ্জুদ ও তারাবির পরিবেশ তৈরি হয়। কিন্তু মাসের শেষ দিকে এসে অনেকের সেই আগ্রহ কিছুটা কমে যায়। অথচ প্রকৃত মুমিনের অবস্থা হওয়া উচিত এর ঠিক বিপরীত। যত দিন যায়, তার ইবাদতের আগ্রহ তত বাড়ে; কারণ সে জানে-শেষ দশকেই লুকিয়ে আছে এমন এক রাত, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।
এই শেষ দশকের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো মহিমান্বিত লাইলাতুল কদর। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন, 'লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।' অর্থাৎ, এ রাতে একজন মুমিন যদি আন্তরিকতার সঙ্গে ইবাদত করে, তবে তার সওয়াব হবে দীর্ঘ তিরাশি বছরের ইবাদতের চেয়েও বেশি। চিন্তা করে দেখুন-জীবনের কত বড় সৌভাগ্য হতে পারে এটি! হয়তো মাত্র একটি রাতের ইবাদতই আমাদের জীবনের গুনাহ মুছে দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
এই রাতটি নির্দিষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়নি। বরং রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে তা অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে। এর পেছনে গভীর শিক্ষা রয়েছে। আল্লাহ চান, তাঁর বান্দারা যেন শেষ দশকের প্রতিটি রাতকে গুরুত্ব দেয়, প্রতিটি রাতেই তাঁর দরবারে ফিরে আসে, কান্নাভেজা চোখে ক্ষমা প্রার্থনা করে।
শেষ দশকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ইতিকাফ। ইতিকাফ মানে হলো দুনিয়ার সব ব্যস্ততা থেকে নিজেকে কিছু সময়ের জন্য আলাদা করে আল্লাহর ঘরে অবস্থান করা এবং তাঁর ইবাদতে নিমগ্ন থাকা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিত রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। এতে একজন মানুষ নিজের আত্মাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ পায়। দুনিয়ার কোলাহল থেকে দূরে থেকে সে আল্লাহর সঙ্গে এক গভীর সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
তবে শুধু ইতিকাফেই সীমাবদ্ধ নয়, শেষ দশকের প্রতিটি দিন ও রাতকে ইবাদতের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করা দরকার। কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ, তাহাজ্জুদ, দোয়া, তাসবিহ, ইস্তিগফার-এসব আমল একজন মুমিনের জীবনকে আলোকিত করে। বিশেষভাবে একটি দোয়া রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে শিখিয়েছেন- 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা‘ফু আন্নি'। অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।
আসলে রমজানের শেষ দশক আমাদেরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়-আমরা কি সত্যিই পরিবর্তিত হয়েছি? রমজান কি আমাদের জীবনে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে? আমরা কি গুনাহ থেকে দূরে সরে এসেছি? নাকি রমজান চলে গেলে আমরা আবার আগের জীবনেই ফিরে যাব?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার সময় এখনই। কারণ কে জানে, হয়তো এটিই আমাদের জীবনের শেষ রমজান! গত বছর যারা আমাদের সঙ্গে রোজা রেখেছিল, তারাবিতে দাঁড়িয়েছিল, তাদের অনেকেই আজ পৃথিবীতে নেই। তারা হয়তো ভেবেছিল-আগামী রমজানে আবার ইবাদত করবে। কিন্তু সেই সুযোগ আর তাদের হয়নি।
এই বাস্তবতা আমাদের মনে গভীর ভাবনার জন্ম দেয়। আমরা যদি এই রমজানের শেষ দিনগুলোকে অবহেলা করি, তবে হয়তো আমরা এক মহামূল্যবান সুযোগ হারিয়ে ফেলব। অথচ এই কয়েকটি রাতই হতে পারে আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়-যে সময়ে আল্লাহ আমাদের সব গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন এবং আমাদের জন্য আখিরাতের মুক্তির পথ খুলে দিতে পারেন।
তাই এখনই সময় জাগ্রত হওয়ার। এখনই সময় হৃদয়কে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেওয়ার। অতীতের গুনাহের জন্য আন্তরিকভাবে তাওবা করা, মানুষের হক আদায় করা, অন্যায় থেকে দূরে সরে আসা এবং ভবিষ্যতে সৎ পথে চলার দৃঢ় সংকল্প নেওয়া।
রমজানের শেষ দশক যেন আমাদের জীবনের এক নতুন সূচনা হয়ে ওঠে। আমরা যেন এই সময়টুকুকে কোরআনের আলো, দোয়ার কান্না এবং ইবাদতের উজ্জ্বলতায় ভরিয়ে দিতে পারি। আল্লাহর দরবারে হাত তুলে বলি-হে আল্লাহ, আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দিন, আমাদের অন্তরকে পবিত্র করে দিন, আমাদের জীবনকে আপনার সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন।
কারণ এই শেষ দশক শুধু একটি সময় নয়; এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহামূল্যবান আহ্বান। যে বান্দা এই আহ্বানে সাড়া দেয়, সে-ই সত্যিকার অর্থে সফল। আর যে অবহেলা করে, সে হয়তো নিজের অজান্তেই এক বিশাল সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।
অতএব, আসুন আমরা রমজানের এই শেষ দশককে নতুন উদ্যমে গ্রহণ করি। ইবাদত, দোয়া ও তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত লাভের চেষ্টা করি। হয়তো এই রাতগুলোর কোনো এক রাতেই আল্লাহ আমাদের জীবনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন এবং আমাদের জন্য খুলে দেবেন চিরস্থায়ী মুক্তি ও সফলতার দরজা।
লেখক: মুহাদ্দিস, দারুল উলুম বাগে জান্নাত, নারায়ণগঞ্জ।
রমজানের প্রথম অংশকে বলা হয় রহমতের দশক, মাঝের অংশ মাগফিরাতের দশক, আর শেষ অংশ নাজাতের দশক। এই শেষ সময়টুকু যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ ডাক-হে বান্দা, যদি এতদিন কিছু করতে না পারো, তবে অন্তত এখন ফিরে আসো, ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি ক্ষমা করতে প্রস্তুত।
ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশক এলে ইবাদতে বিশেষভাবে মনোযোগী হয়ে উঠতেন। হাদিসে বর্ণিত আছে, তিনি এ সময় রাত জেগে ইবাদত করতেন, নিজের পরিবারকেও জাগিয়ে দিতেন এবং দুনিয়াবি কাজ থেকে নিজেকে অনেকটা গুটিয়ে নিতেন। এর মাধ্যমে তিনি উম্মতকে বুঝিয়ে দিয়েছেন-রমজানের শেষ সময়গুলো অবহেলা করার নয়; বরং এগুলোই হতে পারে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সবচেয়ে বড় সুযোগ।
বাস্তবতা হলো, অনেক মানুষ রমজানের শুরুতে বেশ উৎসাহ নিয়ে ইবাদত শুরু করে। মসজিদে ভিড় বাড়ে, কোরআন তিলাওয়াতের ধারা শুরু হয়, তাহাজ্জুদ ও তারাবির পরিবেশ তৈরি হয়। কিন্তু মাসের শেষ দিকে এসে অনেকের সেই আগ্রহ কিছুটা কমে যায়। অথচ প্রকৃত মুমিনের অবস্থা হওয়া উচিত এর ঠিক বিপরীত। যত দিন যায়, তার ইবাদতের আগ্রহ তত বাড়ে; কারণ সে জানে-শেষ দশকেই লুকিয়ে আছে এমন এক রাত, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।
এই শেষ দশকের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো মহিমান্বিত লাইলাতুল কদর। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন, 'লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।' অর্থাৎ, এ রাতে একজন মুমিন যদি আন্তরিকতার সঙ্গে ইবাদত করে, তবে তার সওয়াব হবে দীর্ঘ তিরাশি বছরের ইবাদতের চেয়েও বেশি। চিন্তা করে দেখুন-জীবনের কত বড় সৌভাগ্য হতে পারে এটি! হয়তো মাত্র একটি রাতের ইবাদতই আমাদের জীবনের গুনাহ মুছে দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
এই রাতটি নির্দিষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়নি। বরং রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে তা অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে। এর পেছনে গভীর শিক্ষা রয়েছে। আল্লাহ চান, তাঁর বান্দারা যেন শেষ দশকের প্রতিটি রাতকে গুরুত্ব দেয়, প্রতিটি রাতেই তাঁর দরবারে ফিরে আসে, কান্নাভেজা চোখে ক্ষমা প্রার্থনা করে।
শেষ দশকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ইতিকাফ। ইতিকাফ মানে হলো দুনিয়ার সব ব্যস্ততা থেকে নিজেকে কিছু সময়ের জন্য আলাদা করে আল্লাহর ঘরে অবস্থান করা এবং তাঁর ইবাদতে নিমগ্ন থাকা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিত রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। এতে একজন মানুষ নিজের আত্মাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ পায়। দুনিয়ার কোলাহল থেকে দূরে থেকে সে আল্লাহর সঙ্গে এক গভীর সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
তবে শুধু ইতিকাফেই সীমাবদ্ধ নয়, শেষ দশকের প্রতিটি দিন ও রাতকে ইবাদতের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করা দরকার। কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ, তাহাজ্জুদ, দোয়া, তাসবিহ, ইস্তিগফার-এসব আমল একজন মুমিনের জীবনকে আলোকিত করে। বিশেষভাবে একটি দোয়া রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে শিখিয়েছেন- 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা‘ফু আন্নি'। অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।
আসলে রমজানের শেষ দশক আমাদেরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়-আমরা কি সত্যিই পরিবর্তিত হয়েছি? রমজান কি আমাদের জীবনে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে? আমরা কি গুনাহ থেকে দূরে সরে এসেছি? নাকি রমজান চলে গেলে আমরা আবার আগের জীবনেই ফিরে যাব?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার সময় এখনই। কারণ কে জানে, হয়তো এটিই আমাদের জীবনের শেষ রমজান! গত বছর যারা আমাদের সঙ্গে রোজা রেখেছিল, তারাবিতে দাঁড়িয়েছিল, তাদের অনেকেই আজ পৃথিবীতে নেই। তারা হয়তো ভেবেছিল-আগামী রমজানে আবার ইবাদত করবে। কিন্তু সেই সুযোগ আর তাদের হয়নি।
এই বাস্তবতা আমাদের মনে গভীর ভাবনার জন্ম দেয়। আমরা যদি এই রমজানের শেষ দিনগুলোকে অবহেলা করি, তবে হয়তো আমরা এক মহামূল্যবান সুযোগ হারিয়ে ফেলব। অথচ এই কয়েকটি রাতই হতে পারে আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়-যে সময়ে আল্লাহ আমাদের সব গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন এবং আমাদের জন্য আখিরাতের মুক্তির পথ খুলে দিতে পারেন।
তাই এখনই সময় জাগ্রত হওয়ার। এখনই সময় হৃদয়কে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেওয়ার। অতীতের গুনাহের জন্য আন্তরিকভাবে তাওবা করা, মানুষের হক আদায় করা, অন্যায় থেকে দূরে সরে আসা এবং ভবিষ্যতে সৎ পথে চলার দৃঢ় সংকল্প নেওয়া।
রমজানের শেষ দশক যেন আমাদের জীবনের এক নতুন সূচনা হয়ে ওঠে। আমরা যেন এই সময়টুকুকে কোরআনের আলো, দোয়ার কান্না এবং ইবাদতের উজ্জ্বলতায় ভরিয়ে দিতে পারি। আল্লাহর দরবারে হাত তুলে বলি-হে আল্লাহ, আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দিন, আমাদের অন্তরকে পবিত্র করে দিন, আমাদের জীবনকে আপনার সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন।
কারণ এই শেষ দশক শুধু একটি সময় নয়; এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহামূল্যবান আহ্বান। যে বান্দা এই আহ্বানে সাড়া দেয়, সে-ই সত্যিকার অর্থে সফল। আর যে অবহেলা করে, সে হয়তো নিজের অজান্তেই এক বিশাল সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।
অতএব, আসুন আমরা রমজানের এই শেষ দশককে নতুন উদ্যমে গ্রহণ করি। ইবাদত, দোয়া ও তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত লাভের চেষ্টা করি। হয়তো এই রাতগুলোর কোনো এক রাতেই আল্লাহ আমাদের জীবনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন এবং আমাদের জন্য খুলে দেবেন চিরস্থায়ী মুক্তি ও সফলতার দরজা।
লেখক: মুহাদ্দিস, দারুল উলুম বাগে জান্নাত, নারায়ণগঞ্জ।