রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতাকে দায়িত্ব দেওয়ায় নগর রাজনীতি ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি দেশের কয়েকটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হলে রাজশাহীতেও এ পদ নিয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। সম্ভাব্য প্রশাসক হিসেবে বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত তুলনামূলক কম বয়সী নেতা মাহফুজুর রহমান রিটনকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৪৮ বছর বয়সী মাহফুজুর রহমান রিটন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ক্লাস কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।
ছাত্রজীবনের পর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০০২ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সম্পাদক এবং ২০১৬ সাল পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
পরবর্তীতে যুবদলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ২০১৬ সালে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হন তিনি। ২০১৭ সালে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরে সভাপতির দায়িত্ব পান। একই সময়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। ২০২৫ সালে মহানগর যুবদলের সভাপতি থাকা অবস্থায় তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৭৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করা মাহফুজুর রহমান রিটন বর্তমানে রাজশাহী নগরের হেতমখাঁ এলাকায় বসবাস করেন। তিনি এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। দীর্ঘ আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে রাজশাহীতে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণে তিনবার কারাবরণও করেছেন বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে সংগঠনের তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করেছে। ফলে তরুণ নেতৃত্বের প্রতিনিধি হিসেবে তার প্রতি নেতাকর্মীদের আস্থা রয়েছে।
এদিকে রাসিকের প্রশাসক পদে তার নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি নগর প্রশাসনের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কীভাবে পরিচালনা করেন, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষায় নগরবাসী।
রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি দেশের কয়েকটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হলে রাজশাহীতেও এ পদ নিয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। সম্ভাব্য প্রশাসক হিসেবে বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত তুলনামূলক কম বয়সী নেতা মাহফুজুর রহমান রিটনকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৪৮ বছর বয়সী মাহফুজুর রহমান রিটন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ক্লাস কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।
ছাত্রজীবনের পর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০০২ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সম্পাদক এবং ২০১৬ সাল পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
পরবর্তীতে যুবদলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ২০১৬ সালে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হন তিনি। ২০১৭ সালে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরে সভাপতির দায়িত্ব পান। একই সময়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। ২০২৫ সালে মহানগর যুবদলের সভাপতি থাকা অবস্থায় তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৭৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করা মাহফুজুর রহমান রিটন বর্তমানে রাজশাহী নগরের হেতমখাঁ এলাকায় বসবাস করেন। তিনি এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। দীর্ঘ আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে রাজশাহীতে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণে তিনবার কারাবরণও করেছেন বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে সংগঠনের তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করেছে। ফলে তরুণ নেতৃত্বের প্রতিনিধি হিসেবে তার প্রতি নেতাকর্মীদের আস্থা রয়েছে।
এদিকে রাসিকের প্রশাসক পদে তার নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি নগর প্রশাসনের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কীভাবে পরিচালনা করেন, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষায় নগরবাসী।