রাজশাহীর তানোরে বজ্রপাতে জমিতে ধান রোপণের সময় এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ।
সোমবার (১৬ মার্চ) উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) মাড়িয়া গ্রামের ফসলী মাঠে এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত কৃষক সেন্টু আলী (৪৮) ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত তাইফুর রহমানের পুত্র। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, সোমবার সকালেই সেন্টু আলী ধান রোপণের জন্য মাঠে যান। হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত আঘাত করলে তিনি মাটিতে নুয়ে পড়েন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।
জানা গেছে, গত রোববার রাত ৯টার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রবল ঝড় শুরু হয়। ঝড় ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলতে থাকে।
মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলেও বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আলুর ক্ষতি হয়নি। তবে ঝড়ের কারণে কিছু আমগাছের গুটি ঝড়ে পড়ে এবং বিভিন্ন সড়কে গাছ পড়ে যাওয়া দেখা গেছে।
সেন্টুর পরিবার জানিয়েছেন, আলু তোলার কাজ শেষ করে তিনি ধান রোপণের জন্য মাঠে যান। সেখানে বজ্রপাতে তার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় পরিবারসহ পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি ইতিপূর্বেই জেলা প্রশাসকের কাছে রিপোর্ট করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুসারে ঈদের পর পরিবারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
সোমবার (১৬ মার্চ) উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) মাড়িয়া গ্রামের ফসলী মাঠে এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত কৃষক সেন্টু আলী (৪৮) ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত তাইফুর রহমানের পুত্র। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, সোমবার সকালেই সেন্টু আলী ধান রোপণের জন্য মাঠে যান। হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত আঘাত করলে তিনি মাটিতে নুয়ে পড়েন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।
জানা গেছে, গত রোববার রাত ৯টার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রবল ঝড় শুরু হয়। ঝড় ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলতে থাকে।
মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলেও বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আলুর ক্ষতি হয়নি। তবে ঝড়ের কারণে কিছু আমগাছের গুটি ঝড়ে পড়ে এবং বিভিন্ন সড়কে গাছ পড়ে যাওয়া দেখা গেছে।
সেন্টুর পরিবার জানিয়েছেন, আলু তোলার কাজ শেষ করে তিনি ধান রোপণের জন্য মাঠে যান। সেখানে বজ্রপাতে তার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় পরিবারসহ পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি ইতিপূর্বেই জেলা প্রশাসকের কাছে রিপোর্ট করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুসারে ঈদের পর পরিবারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।