ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সারা বাংলাদেশে আজকে যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে তা শহিদ জিয়ার দেখানো। আমরা নিজেদের মাটি নিজেরা খুঁড়ে পানি আনবো। সেই মাটিতে চাষ করবো এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার দমদমা খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের মনে আছে, বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর পর্যন্ত কী দুর্ভিক্ষই না ছিল বাংলাদেশে। খাদ্য নেই, বাংলাদেশের মানুষ নিঃস্ব, কঙ্কালসার শরীর। অথচ তখন লোকসংখ্যা ছিল সাত কোটির মতো। শহিদ জিয়া ক্ষমতায় এসে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। সারা দেশে খাল খননের মাধ্যমে তিনি এক ফসলি জমিকে তিন ফসলি করেছেন। এভাবে সাতাত্তর-আটাত্তর সালে তিনি বাংলাদেশকে প্রায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন।
এ সময় মন্ত্রী, তার ছাত্র জীবনে রাজশাহীতে জিয়াউর রহমানের খাল কাটতে আসার কথা স্মরণ করেন এবং ওই খাল খননের মাধ্যমে জনগণ উদ্বুদ্ধ হওয়ায় তখন এ এলাকায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেন।
গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, মন্ত্রী দুপুর ১২টায় নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় বিল লতা খালের বেলগাপুর থেকে জুলুপাড়া পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মিটার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারি টিপু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বকর সিদ্দিক নান্নুসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং জেলার সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার দমদমা খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের মনে আছে, বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর পর্যন্ত কী দুর্ভিক্ষই না ছিল বাংলাদেশে। খাদ্য নেই, বাংলাদেশের মানুষ নিঃস্ব, কঙ্কালসার শরীর। অথচ তখন লোকসংখ্যা ছিল সাত কোটির মতো। শহিদ জিয়া ক্ষমতায় এসে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। সারা দেশে খাল খননের মাধ্যমে তিনি এক ফসলি জমিকে তিন ফসলি করেছেন। এভাবে সাতাত্তর-আটাত্তর সালে তিনি বাংলাদেশকে প্রায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন।
এ সময় মন্ত্রী, তার ছাত্র জীবনে রাজশাহীতে জিয়াউর রহমানের খাল কাটতে আসার কথা স্মরণ করেন এবং ওই খাল খননের মাধ্যমে জনগণ উদ্বুদ্ধ হওয়ায় তখন এ এলাকায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেন।
গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, মন্ত্রী দুপুর ১২টায় নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় বিল লতা খালের বেলগাপুর থেকে জুলুপাড়া পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মিটার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারি টিপু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বকর সিদ্দিক নান্নুসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং জেলার সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।