শনিবার ১৪ মার্চ কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও থানার চাঞ্চল্যকর নূরুল আমিন হত্যা মামলার পলাতক আসামী জয়নাল আবেদীন এবং তার দুই সহযোগী চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানা এলাকা থেকে র্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: জয়নাল আবেদীন (৪৫), পিতা: নুরুল আজিম, মোঃ রায়হান (২২), পিতা: জয়নাল আবেদীন, রেহেনা বেগম (৪৫), স্বামী: জয়নাল আবেদীন।
মামলার বাদী নিহত নূরুল আমিনের মেয়ে। জানা যায়, কিছুদিন আগে প্রতিবেশী জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে পূর্ব বিরোধের কারণে নূরুল আমিন সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা সম্পর্কিত আপোষ এবং উত্তেজনা নিয়ে ২১ জানুয়ারি দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয় এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তী দিন ২২ জানুয়ারি ভিকটিম ফজরের নামাজ আদায়ের পথে জয়নাল আবেদীন ও তার সহযোগীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র, দা ও কিরিচ দিয়ে তাকে আহত করেন, পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর ঈদগাঁও থানায় মামলা নং-০২, তারিখ ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ধারাঃ ২৪৩/৩২৬/৩০৭/৩০২/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী দায়ের করা হয়। র্যাব-৭ চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামীর অবস্থান চিহ্নিত করে ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: জয়নাল আবেদীন (৪৫), পিতা: নুরুল আজিম, মোঃ রায়হান (২২), পিতা: জয়নাল আবেদীন, রেহেনা বেগম (৪৫), স্বামী: জয়নাল আবেদীন।
মামলার বাদী নিহত নূরুল আমিনের মেয়ে। জানা যায়, কিছুদিন আগে প্রতিবেশী জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে পূর্ব বিরোধের কারণে নূরুল আমিন সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা সম্পর্কিত আপোষ এবং উত্তেজনা নিয়ে ২১ জানুয়ারি দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয় এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তী দিন ২২ জানুয়ারি ভিকটিম ফজরের নামাজ আদায়ের পথে জয়নাল আবেদীন ও তার সহযোগীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র, দা ও কিরিচ দিয়ে তাকে আহত করেন, পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর ঈদগাঁও থানায় মামলা নং-০২, তারিখ ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ধারাঃ ২৪৩/৩২৬/৩০৭/৩০২/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী দায়ের করা হয়। র্যাব-৭ চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামীর অবস্থান চিহ্নিত করে ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।