রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার শালবাগান এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে সাব্বির (২৭) নামের এক নির্মাণশ্রমিক নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরের সিটি গ্যারেজের পেছনে ইসমাইল হোসেনের নির্মাণাধীন চারতলা ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাব্বির মহানগরীর মালদা কলোনি এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল্লাহ ও পারুল বেগমের ছেলে। তিনি বিবাহিত; তার পাঁচ বছর বয়সী এক ছেলে ও তিন বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের বড় ভাই শাকিল আহমেদ জানান, তারা দু’জনই ভবনের চতুর্থ তলায় কাজ করছিলেন। এ সময় সাব্বির পাটা তুলতে গিয়ে পা পিছলে পাশের একটি দোতলা ভবনের ছাদে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সাব্বিরের বাবা আব্দুল্লাহ বলেন, সকালে তিনি কাজের জায়গায় এসে ছেলের সঙ্গে দেখা করে যান। কিছুক্ষণ পর খবর পান যে, তার ছেলে ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে।
চন্দ্রিমা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান জানান, ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরের সিটি গ্যারেজের পেছনে ইসমাইল হোসেনের নির্মাণাধীন চারতলা ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাব্বির মহানগরীর মালদা কলোনি এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল্লাহ ও পারুল বেগমের ছেলে। তিনি বিবাহিত; তার পাঁচ বছর বয়সী এক ছেলে ও তিন বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের বড় ভাই শাকিল আহমেদ জানান, তারা দু’জনই ভবনের চতুর্থ তলায় কাজ করছিলেন। এ সময় সাব্বির পাটা তুলতে গিয়ে পা পিছলে পাশের একটি দোতলা ভবনের ছাদে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সাব্বিরের বাবা আব্দুল্লাহ বলেন, সকালে তিনি কাজের জায়গায় এসে ছেলের সঙ্গে দেখা করে যান। কিছুক্ষণ পর খবর পান যে, তার ছেলে ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে।
চন্দ্রিমা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান জানান, ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।