মালদ্বীপের ধীগুরা আইল্যান্ডের একটি নির্মাণাধীন কোম্পানির লেবার কোয়ার্টারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও দুই প্রবাসী বাংলাদেশি।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহতরা হলেন তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও মো. নূরনবী সরকার। আহত দুই বাংলাদেশি হলেন জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে সেহরি খাওয়ার জন্য রান্না করতে গেলে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর লেবার কোয়ার্টারে থাকা ৩৮ জন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ৭ জন গুরুতর অগ্নিদ্বগ্ধ হয়। এসময় বাকিরা অন্য রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন।
স্থানীয় নাগরিক এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দ্রুত তাদের সবাইকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। বাকি দুইজন প্রবাসী বাংলাদেশিকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজধানী মালে স্থানান্তর করা হয়। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ সময় সংবাদকে বলেন, পাঁচজন প্রবাসী ভাইকে হারিয়ে আমরা খুবই মর্মাহত। আহত দুইজনের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে এবং অপরজনকে ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিতে বর্তমানে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল ওই দ্বীপে অবস্থান করছেন। একই সাথে যারা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন তাদের মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন জানায়, এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসনের একটি বিশেষ টিম অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে লেবার কোয়ার্টারটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তারা।
মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার ফলে মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহতরা হলেন তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও মো. নূরনবী সরকার। আহত দুই বাংলাদেশি হলেন জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে সেহরি খাওয়ার জন্য রান্না করতে গেলে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর লেবার কোয়ার্টারে থাকা ৩৮ জন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ৭ জন গুরুতর অগ্নিদ্বগ্ধ হয়। এসময় বাকিরা অন্য রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন।
স্থানীয় নাগরিক এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দ্রুত তাদের সবাইকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। বাকি দুইজন প্রবাসী বাংলাদেশিকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজধানী মালে স্থানান্তর করা হয়। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ সময় সংবাদকে বলেন, পাঁচজন প্রবাসী ভাইকে হারিয়ে আমরা খুবই মর্মাহত। আহত দুইজনের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে এবং অপরজনকে ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিতে বর্তমানে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল ওই দ্বীপে অবস্থান করছেন। একই সাথে যারা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন তাদের মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন জানায়, এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসনের একটি বিশেষ টিম অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে লেবার কোয়ার্টারটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তারা।
মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার ফলে মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।