রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া এলাকায় অবস্থিত শহীদ জিয়া শিশু পার্ক অবৈধ দখলমুক্ত করে বৈধ ইজারাদারের কাছে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পার্কটির বৈধ ইজারাদার দাবি করে মেসার্স উম্মে রোমান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আনোয়ার হোসেন এ আবেদন জমা দেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের অধীনে ১৪৩১, ১৪৩২ ও ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ মেয়াদের জন্য শহীদ জিয়া শিশু পার্ক ইজারা নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী পার্কটি পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি। কিন্তু ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট থেকে একটি কথিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্র পার্কটি অবৈধভাবে দখল করে নেয় এবং বর্তমানে তারাই পার্কটি পরিচালনা করছে।
বৈধ ইজারাদার মোঃ আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, ট্যাক্স, ভ্যাট ও আয়করসহ পার্কটির ইজারা মূল্য ১ কোটি ৮১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। তিনি ২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে বৈধভাবে পার্কটি পরিচালনা করছিলেন। তবে ১০ আগস্ট মোঃ শাকিল ও মোঃ নাসিম তাদের সহযোগীদের নিয়ে জোরপূর্বক পার্কটি দখল করে নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হলেও অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে এখন পর্যন্ত আমার কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
দখলদারের অভিযোগে অভিযুক্ত শাকিলের মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দখলদারের অভিযোগে অভিযুক্ত নাসিমের মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মোঃ আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, বুধবার সকালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে পার্কটি পুনরুদ্ধার করে ক্ষতিপূরণ-সহ তাকে বৈধ ইজারাদার হিসেবে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও ড. আ ন ম বজলুর রশীদ বলেন, শহীদ জিয়া শিশু পার্ক দখলের বিষয়টি আমার জানা নেই। ইজারাদার যদি আবেদন করে থাকেন, তাহলে আবেদনটি কাল পাশুর মধ্যে আমার কাছে আসবে। বিষয়টি যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, রাজশাহী মহানগরের নওদাপাড়া এলাকায় অবস্থিত শহীদ জিয়া শিশু পার্কটি ২০০৬ সালে চালু হয়। এটি নগরবাসীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পার্কটির বৈধ ইজারাদার দাবি করে মেসার্স উম্মে রোমান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আনোয়ার হোসেন এ আবেদন জমা দেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের অধীনে ১৪৩১, ১৪৩২ ও ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ মেয়াদের জন্য শহীদ জিয়া শিশু পার্ক ইজারা নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী পার্কটি পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি। কিন্তু ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট থেকে একটি কথিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্র পার্কটি অবৈধভাবে দখল করে নেয় এবং বর্তমানে তারাই পার্কটি পরিচালনা করছে।
বৈধ ইজারাদার মোঃ আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, ট্যাক্স, ভ্যাট ও আয়করসহ পার্কটির ইজারা মূল্য ১ কোটি ৮১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। তিনি ২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে বৈধভাবে পার্কটি পরিচালনা করছিলেন। তবে ১০ আগস্ট মোঃ শাকিল ও মোঃ নাসিম তাদের সহযোগীদের নিয়ে জোরপূর্বক পার্কটি দখল করে নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হলেও অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে এখন পর্যন্ত আমার কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
দখলদারের অভিযোগে অভিযুক্ত শাকিলের মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দখলদারের অভিযোগে অভিযুক্ত নাসিমের মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মোঃ আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, বুধবার সকালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে পার্কটি পুনরুদ্ধার করে ক্ষতিপূরণ-সহ তাকে বৈধ ইজারাদার হিসেবে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও ড. আ ন ম বজলুর রশীদ বলেন, শহীদ জিয়া শিশু পার্ক দখলের বিষয়টি আমার জানা নেই। ইজারাদার যদি আবেদন করে থাকেন, তাহলে আবেদনটি কাল পাশুর মধ্যে আমার কাছে আসবে। বিষয়টি যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, রাজশাহী মহানগরের নওদাপাড়া এলাকায় অবস্থিত শহীদ জিয়া শিশু পার্কটি ২০০৬ সালে চালু হয়। এটি নগরবাসীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।