কক্সবাজারের উখিয়ায় সেহরির সময় নিজ ঘরের মেঝে থেকে জাজিদা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মোছারখোলা এলাকায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিহতের শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ির পক্ষ থেকে পরস্পরকে দোষারপ করছে।
নিহত জাজিদা আক্তার একই এলাকার মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী। শফিকুল পেশায় দিনমজুর এবং বর্তমানে কাজের প্রয়োজনে বান্দরবানে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
নিহতের শ্বশুর নুরুল বশর জানান, রমজানের শুরু থেকে জাজিদা তাদের সেহরি ও ইফতার তৈরি করে দিতেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোররাতে সেহরির সময় ঘনিয়ে এলেও জাজিদা ডাকতে না আসায় তিনি পুত্রবধূর ঘরে খোঁজ নিতে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন ঘরের বাইরের দরজা খোলা এবং ভেতরে মেঝেতে জাজিদার রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে।
তবে নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম এটিকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, 'বিয়ের পর থেকেই জুয়া খেলা ও ভরণপোষণ না দেওয়া নিয়ে জামাতা শফিকুলের সঙ্গে জাজিদার কলহ চলছিল। স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি মিলে আমার মেয়েকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করত। নির্যাতন সইতে না পেরে সে মাঝে মাঝে বাপের বাড়িতে চলে আসত। এখন ঘটনা আড়াল করতে তারা মিথ্যা গল্প সাজাচ্ছে।'
উখিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নাছির উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তিনি বলেন, নিহত নারীর ঘাড়ে গভীর এবং থুতনিতে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত হতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মোছারখোলা এলাকায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিহতের শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ির পক্ষ থেকে পরস্পরকে দোষারপ করছে।
নিহত জাজিদা আক্তার একই এলাকার মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী। শফিকুল পেশায় দিনমজুর এবং বর্তমানে কাজের প্রয়োজনে বান্দরবানে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
নিহতের শ্বশুর নুরুল বশর জানান, রমজানের শুরু থেকে জাজিদা তাদের সেহরি ও ইফতার তৈরি করে দিতেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোররাতে সেহরির সময় ঘনিয়ে এলেও জাজিদা ডাকতে না আসায় তিনি পুত্রবধূর ঘরে খোঁজ নিতে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন ঘরের বাইরের দরজা খোলা এবং ভেতরে মেঝেতে জাজিদার রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে।
তবে নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম এটিকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, 'বিয়ের পর থেকেই জুয়া খেলা ও ভরণপোষণ না দেওয়া নিয়ে জামাতা শফিকুলের সঙ্গে জাজিদার কলহ চলছিল। স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি মিলে আমার মেয়েকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করত। নির্যাতন সইতে না পেরে সে মাঝে মাঝে বাপের বাড়িতে চলে আসত। এখন ঘটনা আড়াল করতে তারা মিথ্যা গল্প সাজাচ্ছে।'
উখিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নাছির উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তিনি বলেন, নিহত নারীর ঘাড়ে গভীর এবং থুতনিতে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত হতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।