মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। ইরান ও আমেরিকার সম্পর্ক তলানিতে। এই আবহে ফুটবল মহলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল—আমেরিকার মাটিতে আয়োজিত বিশ্বকাপে কি আদৌ খেলতে পারবে ইরান? এবার সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো। জানালেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশ্বাস দিয়েছেন, ইরান দলের বিশ্বকাপে খেলতে আমেরিকায় আসায় কোনও বাধা নেই।
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর ফিফা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে আমরা কথা বলেছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান দলকে টুর্নামেন্টে স্বাগত জানানো হবে!’ এরপর যোগ করেন, ‘এই মুহূর্তে বিশ্বকাপের মতো একটা ইভেন্টই মানুষকে কাছে আনতে পারে।’
আগামী জুন থেকে জুলাই পর্যন্ত আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোয় যৌথভাবে আয়োজিত হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। ইরানের গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ মার্কিন মুলুকে। ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ। তারপর ২১ জুন বেলজিয়াম ও ২৬ জুন সিয়াটলে প্রতিপক্ষ মিশর।
কয়েক সপ্তাহ আগেও পরিস্থিতি অনিশ্চিত ছিল। ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদি তাজ ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রশ্ন তুলেছিলেন, যে দেশ ইরানের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে জড়িত, সেখানে গিয়ে খেলা কি আদৌ বুদ্ধিমানের কাজ? ট্রাম্প প্রশাসনের ট্র্যাভেল ব্যান আগে থেকেই ইরানি নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছিল। সেই অনিশ্চয়তার মেঘ এবার কাটল ইনফান্তিনোর ঘোষণায়। ফিফা-র তরফে প্রত্যাশা, নির্ধারিত সূচি মেনে বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইরান।
এতকিছুর মধ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ছায়া পড়েছে মহিলা ফুটবলেও। এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপে খেলতে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিল ইরানের মেয়েরা। সেখানে সাতজন খেলোয়াড় মানবিক ভিসার আবেদন করে আশ্রয় পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের দাবি, দলের সঙ্গে থাকা আরও দুজনকে প্রতিশ্রুতিমাফিক আস্তানা দেওয়া হয়েছে।
দলের হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ, বিমানবন্দরে আবেগঘন দৃশ্য—সবকিছুর মধ্যে শেষ পর্যন্ত দলটি সিডনি ছেড়ে ইরানে ফিরে যায়। ইরানের সরকার অবশ্য দাবি করেছে, ফেরত আসা খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত। দেশের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ জানিয়েছেন, দলকে স্বাগত জানানো হবে। পাশাপাশি বাইরের হস্তক্ষেপের সমালোচনাও করেছেন তিনি।
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর ফিফা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে আমরা কথা বলেছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান দলকে টুর্নামেন্টে স্বাগত জানানো হবে!’ এরপর যোগ করেন, ‘এই মুহূর্তে বিশ্বকাপের মতো একটা ইভেন্টই মানুষকে কাছে আনতে পারে।’
আগামী জুন থেকে জুলাই পর্যন্ত আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোয় যৌথভাবে আয়োজিত হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। ইরানের গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ মার্কিন মুলুকে। ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ। তারপর ২১ জুন বেলজিয়াম ও ২৬ জুন সিয়াটলে প্রতিপক্ষ মিশর।
কয়েক সপ্তাহ আগেও পরিস্থিতি অনিশ্চিত ছিল। ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদি তাজ ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রশ্ন তুলেছিলেন, যে দেশ ইরানের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে জড়িত, সেখানে গিয়ে খেলা কি আদৌ বুদ্ধিমানের কাজ? ট্রাম্প প্রশাসনের ট্র্যাভেল ব্যান আগে থেকেই ইরানি নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছিল। সেই অনিশ্চয়তার মেঘ এবার কাটল ইনফান্তিনোর ঘোষণায়। ফিফা-র তরফে প্রত্যাশা, নির্ধারিত সূচি মেনে বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইরান।
এতকিছুর মধ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ছায়া পড়েছে মহিলা ফুটবলেও। এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপে খেলতে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিল ইরানের মেয়েরা। সেখানে সাতজন খেলোয়াড় মানবিক ভিসার আবেদন করে আশ্রয় পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের দাবি, দলের সঙ্গে থাকা আরও দুজনকে প্রতিশ্রুতিমাফিক আস্তানা দেওয়া হয়েছে।
দলের হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ, বিমানবন্দরে আবেগঘন দৃশ্য—সবকিছুর মধ্যে শেষ পর্যন্ত দলটি সিডনি ছেড়ে ইরানে ফিরে যায়। ইরানের সরকার অবশ্য দাবি করেছে, ফেরত আসা খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত। দেশের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ জানিয়েছেন, দলকে স্বাগত জানানো হবে। পাশাপাশি বাইরের হস্তক্ষেপের সমালোচনাও করেছেন তিনি।