ঠাকুরগাঁওয়ে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সদর উপজেলার রহিমানপুর সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রথম পর্যায়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৫৯০ জন মহিলার মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগীরা সরকারি সহায়তার আওতায় এসে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। আপনি যে আর্থিক সুবিধা পাবেন শুধু তা না, একজন নারী হিসাবে আপনার অবস্থান দৃঢ় করতে পারবেন। এমনিতেই আমাদের পুরুষেরা আপনাদের পুষিবাই চাহেনা (ভরণ পোষন করতে চায়না) যখন একটা কার্ড আসবে তখন কিন্তু পুষিবা শুরু করবে। এটাই হচ্ছে আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের মুল লক্ষ। তিনি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সমস্ত বাংলাদেশকে ক্ষমতায়িত করতে চায়।
মন্ত্রী আরো বলেন,আমাদের মায়েদের সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম করতে হয়, একটা পরিবারের জন্য সংগ্রাম করতে হয়। ছেলে মেয়েদেরকে মানুষ করা, টিকিয়ে রাখা, ভাল খাওয়া ,ভাল পড়া ও ভালভাবে মানুষ করা সেই শক্তিটাকে টিকিয়ে রাখা। আপনারা জানেন সারাদেশে মাত্র ১৪টা ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ৫শ থেকে ৭শ পরিবারকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আমরা এ পরিবার গুলোকে যাচাই বাছাই করেছি। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা.আব্দুস সালাম, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সম্পাদক পয়গামা আলী ।
উল্লেখ্য, সারাদেশে পাইলট প্রকল্প হিসাবে নারীপ্রধান, গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন করা। প্রাথমিকভাবে ১৪টি ওয়ার্ডে ৬,৫০০ পরিবার নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের প্রায় ২ কোটি পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলো খাদ্য নিরাপত্তা এবং আর্থিক সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
প্রথম পর্যায়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৫৯০ জন মহিলার মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগীরা সরকারি সহায়তার আওতায় এসে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। আপনি যে আর্থিক সুবিধা পাবেন শুধু তা না, একজন নারী হিসাবে আপনার অবস্থান দৃঢ় করতে পারবেন। এমনিতেই আমাদের পুরুষেরা আপনাদের পুষিবাই চাহেনা (ভরণ পোষন করতে চায়না) যখন একটা কার্ড আসবে তখন কিন্তু পুষিবা শুরু করবে। এটাই হচ্ছে আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের মুল লক্ষ। তিনি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সমস্ত বাংলাদেশকে ক্ষমতায়িত করতে চায়।
মন্ত্রী আরো বলেন,আমাদের মায়েদের সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম করতে হয়, একটা পরিবারের জন্য সংগ্রাম করতে হয়। ছেলে মেয়েদেরকে মানুষ করা, টিকিয়ে রাখা, ভাল খাওয়া ,ভাল পড়া ও ভালভাবে মানুষ করা সেই শক্তিটাকে টিকিয়ে রাখা। আপনারা জানেন সারাদেশে মাত্র ১৪টা ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ৫শ থেকে ৭শ পরিবারকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আমরা এ পরিবার গুলোকে যাচাই বাছাই করেছি। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা.আব্দুস সালাম, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সম্পাদক পয়গামা আলী ।
উল্লেখ্য, সারাদেশে পাইলট প্রকল্প হিসাবে নারীপ্রধান, গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন করা। প্রাথমিকভাবে ১৪টি ওয়ার্ডে ৬,৫০০ পরিবার নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের প্রায় ২ কোটি পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলো খাদ্য নিরাপত্তা এবং আর্থিক সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন।