তানোরে খোলাবাজারে পেট্রোল নিয়ে নৈরাজ্য

আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৯:৫৫:০৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৯:৫৫:০৩ অপরাহ্ন
রাজশাহীর তানোরে পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেল প্রতি দুই লিটারের বেশী পেট্রোল-অকটেন মিলছে না।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারনে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে সংকোটও দেখা দিয়েছে। এদিকে এঘটনাকে কেন্দ্র করে  তানোরে জ্বালানি তেলের বাজারে দেখা দিয়েছে ব্যাপক অস্থিরতা। উপজেলায় মোট ৪টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে, পাম্পে গেলে  মিলছে মাত্র দুই লিটার পেট্রোল। কিন্ত্ত খোলা বাজারে চলছে রীতিমতো  নৈরাজ্য। এমনটি প্রমান মিলেছে তানোরের তালন্দ,দরগাডাঙা,কামারগাঁসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার কারণে হরমুজ প্রণালী ঝুঁকিতে পড়া, এবং উৎপাদনকারী দেশ গুলোর উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে । এর ফলে বাংলাদেশসহ আমদানি নির্ভর দেশগুলোতে তেল আমদানির খরচ ও খুচরা মূল্য বেড়েছে।এতে বাজারে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। তবে এই বিষয়কে কেন্দ্র করে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী তেল মজুদসহ খোলা-বাজারে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন গ্রাহকদের কাছে।

এদিকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে (পাম্প) তেলের দাম নিয়ে অভিযোগ না থাকলেও সরবরাহে সীমাবদ্ধতা দেখা গেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজনকে দুই লিটারের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। এতে দূরপাল্লার যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

সরেজমিন সোমবার (৯ মার্চ) উপজেলার চৌবাড়িয়া বাজারে তেল কিনতে আসা মোটরসাইকেল চালক আব্দুর রহমান জানান, আমার মোটরসাইকেলে তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় চৌবাড়িয়া এসে ছিলাম। খোলা বাজারে তারা আমার কাছ থেকে এক লিটার পেট্রোল ১৮০ টাকা নিয়েছে। কোনো উপায় না থাকায় আমি বাধ্য হয়ে কিনেছি। অনিক আলী জানান, তাঁর মোটরসাইকেলের তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি পলিথিন নিয়ে তেল কিনতে আসেন। তখন তাঁর কাছে প্রতি লিটার ১৮০ টাকা চাওয়া হয়। এরপর তারা পলিথিনে তেল দিতে না চাওয়ায় আমি মোটরসাইকেল ঠেলে আনতে বাধ্য হই। পরক্ষনে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনা স্থালে পৌছালে তাঁরা ১২৫ টাকা হারে তেল বিক্রয় করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, ইতিমধ্যে  আমরা বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ও খুচরা দোকানে অভিযান চালিয়েছি। খুচরা বিক্রেতাদের অবৈধ মজুত না করতে এবং সরকারি মূল্যের বেশি টাকা না নিতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন অনিয়মের অভিযোগ পেলে আবারও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত জ্বালানি তেলের বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]