রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ‘বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে কেশরহাট পৌর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।রোববার ৯ই মার্চ কেশরহাট বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতারা প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৭ মার্চ সন্ধ্যায় কেশরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁকোয়া মহল্লার ঈদগাহ বড় মসজিদে আসন্ন ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ানোর জন্য ইমাম নিয়োগ নিয়ে একটি আলোচনা সভা হওয়ার কথা ছিল। সভায় উভয় পক্ষ থেকে চারজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল বলে জানানো হয়।
বিএনপির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক রাইসুল ইসলাম রাসেল, কেশরহাট পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক ওমর ফারুক, স্থানীয় যুবদল নেতা আব্দুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত হন।
বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আলোচনার নির্ধারিত স্থানে আগে থেকেই জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের স্থানীয় ও বহিরাগত বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। এতে স্বাভাবিক আলোচনা সম্ভব নয় বলে বিএনপির প্রতিনিধিরা জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এ সময় আলাউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে দাবি করা হয়।
পরবর্তীতে কেশরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলাউদ্দিন আলো, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানসহ স্থানীয় নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন বলে জানানো হয়।
তবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, পরে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং কয়েকজনকে আহত করে। আহতদের মধ্যে লিটন নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানানো হয়।
কেশরহাট পৌর বিএনপি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। একই সঙ্গে নিহত আলাউদ্দিনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সঠিক তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৭ মার্চ সন্ধ্যায় কেশরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁকোয়া মহল্লার ঈদগাহ বড় মসজিদে আসন্ন ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ানোর জন্য ইমাম নিয়োগ নিয়ে একটি আলোচনা সভা হওয়ার কথা ছিল। সভায় উভয় পক্ষ থেকে চারজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল বলে জানানো হয়।
বিএনপির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক রাইসুল ইসলাম রাসেল, কেশরহাট পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক ওমর ফারুক, স্থানীয় যুবদল নেতা আব্দুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত হন।
বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আলোচনার নির্ধারিত স্থানে আগে থেকেই জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের স্থানীয় ও বহিরাগত বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। এতে স্বাভাবিক আলোচনা সম্ভব নয় বলে বিএনপির প্রতিনিধিরা জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এ সময় আলাউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে দাবি করা হয়।
পরবর্তীতে কেশরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলাউদ্দিন আলো, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানসহ স্থানীয় নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন বলে জানানো হয়।
তবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, পরে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং কয়েকজনকে আহত করে। আহতদের মধ্যে লিটন নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানানো হয়।
কেশরহাট পৌর বিএনপি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। একই সঙ্গে নিহত আলাউদ্দিনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সঠিক তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।