ডিজিটাইজেশন ও আইসিটি প্রকিউরমেন্টে শতকোটি টাকার অনিয়মের দাবি; ব্যাংকের ভেতরে প্রভাব বিস্তার ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেছে আওয়ামী লীগের দোসর (ডিজিএম) মো. আবুল কালামের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)-এর আইসিটি বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আবুল কালামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি যাচাই করতে ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, রাকাবের আইসিটি বিভাগে বিভিন্ন প্রকিউরমেন্ট, সফটওয়্যার বাস্তবায়ন এবং নেটওয়ার্ক ডিভাইস রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়। বিশেষ করে Annual Maintenance Contract (AMC) of Network Devices and Security Szstems শীর্ষক একটি টেন্ডারসহ একাধিক প্রকল্পের নথি ও তথ্য চেয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আইসিটি বিভাগের দায়িত্বে থাকার সময় মোঃ আবুল কালামের বিরুদ্ধে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফলাফল পরিবর্তন ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময় টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দিতে প্রযুক্তিগত শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ব্যাংক সূত্রের দাবি, আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে কম্পিউটার সরঞ্জাম, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ও সিকিউরিটি ডিভাইস ক্রয় এবং ডাটা সেন্টার স্থাপনসহ বিভিন্ন প্রকল্পে বড় অঙ্কের ব্যয় হয়েছে। এসব প্রকিউরমেন্টে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্যাংকের ভেতরে কর্মকর্তা বদলি, পদায়ন ও টেন্ডার অনুমোদনে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয়, এমন অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক যোগাযোগ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে একই বিভাগে প্রভাব ধরে রেখেছেন ওই কর্মকর্তা।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশেষায়িত এই কৃষি ব্যাংকটি উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনিয়ম, ঋণখেলাপি বৃদ্ধি ও ব্যবস্থাপনা সংকটে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চাপে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে মোঃ আবুল কালামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুদকের চলমান তদন্ত শেষ হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও দায় নির্ধারণ স্পষ্ট হবে।
জানা গেছে, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)-এর আইসিটি বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আবুল কালামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি যাচাই করতে ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, রাকাবের আইসিটি বিভাগে বিভিন্ন প্রকিউরমেন্ট, সফটওয়্যার বাস্তবায়ন এবং নেটওয়ার্ক ডিভাইস রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়। বিশেষ করে Annual Maintenance Contract (AMC) of Network Devices and Security Szstems শীর্ষক একটি টেন্ডারসহ একাধিক প্রকল্পের নথি ও তথ্য চেয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আইসিটি বিভাগের দায়িত্বে থাকার সময় মোঃ আবুল কালামের বিরুদ্ধে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফলাফল পরিবর্তন ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময় টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দিতে প্রযুক্তিগত শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ব্যাংক সূত্রের দাবি, আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে কম্পিউটার সরঞ্জাম, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ও সিকিউরিটি ডিভাইস ক্রয় এবং ডাটা সেন্টার স্থাপনসহ বিভিন্ন প্রকল্পে বড় অঙ্কের ব্যয় হয়েছে। এসব প্রকিউরমেন্টে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্যাংকের ভেতরে কর্মকর্তা বদলি, পদায়ন ও টেন্ডার অনুমোদনে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয়, এমন অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক যোগাযোগ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে একই বিভাগে প্রভাব ধরে রেখেছেন ওই কর্মকর্তা।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশেষায়িত এই কৃষি ব্যাংকটি উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনিয়ম, ঋণখেলাপি বৃদ্ধি ও ব্যবস্থাপনা সংকটে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চাপে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে মোঃ আবুল কালামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুদকের চলমান তদন্ত শেষ হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও দায় নির্ধারণ স্পষ্ট হবে।