সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শনিবার ভাইরাল হওয়া এ ভিডিওতে দেখা যায়, যন্ত্রনায় কাতরাতে কাতরাতে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছিলেন যুবক। গায়ে ছিল না কোনো জামা। এপাশ–ওপাশ গড়াগড়ি করতে করতে মাটি চাপড়াচ্ছিলেন। কথাবার্তাও ছিল বেখাপ্পা। একপর্যায়ে বলে ওঠেন, ‘আমার দুইটা বাচ্চা আছে স্যার।’
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় ভিডিওটি ধারণ করা হয়। ভিডিওতে দেখা যুবক দিদারুল আলমকে পুলিশের অভিযানের সময় অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিলে সেখানেই মৃত্যু হয়।
পুলিশের দাবি, একাধিক মামলার আসামি দিদারুল আলমকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি সঙ্গে থাকা কিছু ইয়াবা বড়ি চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
নিহত দিদারুল আলম পাহাড়তলী থানা যুবলীগের কর্মী। রাতে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তার মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হয়।
ভিডিওটি এম মিজানুর রহমান নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, দিদারুল আলম মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি করছেন এবং যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘মোবাইল দেন, টাকা দেন, আমার দুইটা বাচ্চা আছে স্যার।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নগর পুলিশের এস ড্রাইভ নামে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মাদক ও হত্যা মামলার আসামি দিদারুল আলমকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে তিনি সঙ্গে থাকা ইয়াবা সেবন করেন। পুলিশ যখন তার সন্ধান পায়, তখন মাটিতে গড়াগড়ি করছিলেন তিনি।
পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন প্রথমে তাকে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ বলেন, অতিরিক্ত ইয়াবা চিবিয়ে খাওয়ার কারণে দিদারুল আলমের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় খুলশী থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, নিহত দিদারুল আলমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি আরও বলেন, দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় ভিডিওটি ধারণ করা হয়। ভিডিওতে দেখা যুবক দিদারুল আলমকে পুলিশের অভিযানের সময় অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিলে সেখানেই মৃত্যু হয়।
পুলিশের দাবি, একাধিক মামলার আসামি দিদারুল আলমকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি সঙ্গে থাকা কিছু ইয়াবা বড়ি চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
নিহত দিদারুল আলম পাহাড়তলী থানা যুবলীগের কর্মী। রাতে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তার মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হয়।
ভিডিওটি এম মিজানুর রহমান নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, দিদারুল আলম মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি করছেন এবং যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘মোবাইল দেন, টাকা দেন, আমার দুইটা বাচ্চা আছে স্যার।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নগর পুলিশের এস ড্রাইভ নামে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মাদক ও হত্যা মামলার আসামি দিদারুল আলমকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে তিনি সঙ্গে থাকা ইয়াবা সেবন করেন। পুলিশ যখন তার সন্ধান পায়, তখন মাটিতে গড়াগড়ি করছিলেন তিনি।
পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন প্রথমে তাকে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ বলেন, অতিরিক্ত ইয়াবা চিবিয়ে খাওয়ার কারণে দিদারুল আলমের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় খুলশী থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, নিহত দিদারুল আলমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি আরও বলেন, দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।