ইরানের সবচেয়ে বড় তেলের খনিতে হামলা!

আপলোড সময় : ০৮-০৩-২০২৬ ০২:৪৯:৪৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৩-২০২৬ ০২:৪৯:৪৪ অপরাহ্ন
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নতুন মোড় নিচ্ছে। এবার সরাসরি ইরানের সবচেয়ে বড় তেলের খনিতে হামলা চালাল ইজরায়েল। আমেরিকার সমর্থনে তেহরানের আশপাশে একাধিক তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র ও রিফাইনারি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর। সেই রিপোর্ট রবিবার প্রকাশ করেছে এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যম।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের ঘরোয়া জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেওয়া। তাই তেহরানের আশপাশে থাকা বড় বড় তেল সংরক্ষণ ট্যাঙ্কে আঘাত হানা হয়। এর ফলে সামরিক পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সাধারণ পরিবহণ সব ক্ষেত্রেই চাপ তৈরি হতে পারে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, তেহরানের কাছে কয়েকটি বড় জ্বালানি কেন্দ্রে হামলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শাহর-ই-রে রিফাইনারি কমপ্লেক্স, শাহরান ডিপো, কুহাক এলাকা এবং কারাজ–ফারদিস অঞ্চল।

সংঘাত শুরুর পর ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় এটিই অন্যতম বড় সরাসরি হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। শুরুতে লক্ষ্য ছিল মূলত সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র বা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়া। এখন সেই কৌশল বদলে অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দিকে ঝুঁকছে আক্রমণ।

বিশেষজ্ঞের মতে, রাজধানীর এত কাছে থাকা জ্বালানি কেন্দ্রগুলিতে আঘাত হানার উদ্দেশ্য স্পষ্ট—ইরানের ভেতরে চাপ বাড়ানো।

এই হামলার ফলে বড় ধরনের আগুন, বিস্ফোরণ বা জ্বালানি লিকের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়তে পারে তেহরান ও আশপাশের এলাকায়। এই সব ডিপো থেকে মূলত পেট্রল, ডিজেল এবং সামরিক বাহিনীর জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। ফলে পরিবহণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প এবং দৈনন্দিন নাগরিক জীবনেও প্রভাব পড়তে পারে।

অনেকেই বলছেন, যদি এই জ্বালানি সরবরাহ দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্যাহত হয়, তাহলে তা ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার উপরও চাপ তৈরি করতে পারে।

তবে হামলার লক্ষ্য ছিল মূলত অভ্যন্তরীণ রিফাইনারি ও সংরক্ষণ কেন্দ্র। ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র—খার্গ আইল্যান্ড, আবাদান রিফাইনারি বা বান্দার আব্বাস—এই হামলার আওতার বাইরে রয়েছে। ফলে আপাতত আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধাক্কা লাগার সম্ভাবনা নেই। বিশেষ করে চিন জানাচ্ছে, ইরানের তেল রফতানি এখনও স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে শীঘ্রই। ইরান ইতিমধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরামকোর রাস তানুরা কেন্দ্র এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) ও কাতারের কিছু জ্বালানি ও ডেসালিনেশন প্ল্যান্ট।

উত্তেজনা বাড়লে ইরান হরমুজ প্রণালী লক্ষ্য করেও বড় পদক্ষেপ করতে পারে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। তাই তখন সমস্যা হলেও হতে পারে। দেখা দিতে পারে জ্বালানি সংকট।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]