রাজশাহীতে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহে সাময়িক ঘাটতির কারণে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হচ্ছে, আবার কোথাও ৩০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছেন না। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের উপস্থিতিতে তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে।
শনিবার (৭ মার্চ) সকালে নগরীর মতিহার থানার অক্ট্রয় মোড়ে নয়ান পেট্রোলিয়াম এজেন্সিতে সাড়ে ১০টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি।
এদিকে রাজশাহী বিভাগজুড়ে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি দেখা দেওয়ায় বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। চালকেরা অভিযোগ করছেন, চাহিদামতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধও রাখা হয়েছে। যেসব স্টেশনে তেল রয়েছে, সেগুলোতে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
মোটরসাইকেল নিয়ে তেল নিতে আসা সাপ্তাহিক বাংলার বিবেক পত্রিকার সম্পাদক আবু হেনা মোস্তফা জামান বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে এবং সেখানে হাজার হাজার ট্যাংকার আটকা পড়েছে বলে সংবাদ প্রচার হচ্ছে। তাঁর মতে, যুদ্ধ দ্রুত থামার সম্ভাবনা কম, তাই তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে, এমন আশঙ্কায় তিনি ট্যাংকি পূর্ণ করে তেল নিয়েছেন।
এ বিষয়ে নয়ান পেট্রোলিয়াম এজেন্সির মালিক মোঃ আব্দুল হাই বলেন, ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে তেল পাওয়া নিয়ে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় চাহিদা দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ডিপোতেও এখন আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি গাড়িতে তেল লোড হচ্ছে। দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই, কিন্তু হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহে সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহীতে তেল পৌঁছাতে সময় লাগে, সেই কারণেও ঘাটতি দ্রুত পূরণ করা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, তাদের ফিলিং স্টেশনে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার লিটার পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হয়। কিন্তু বর্তমানে সেই বিক্রি বেড়ে ১১ থেকে ১২ হাজার লিটারে পৌঁছেছে।
শুক্রবার ও শনিবার ডিপো বন্ধ থাকায় তেলের যে ঘাটতির কথা বলেেছন ক্রেতারা সেটা সাময়িক। তবে রবিবার তেল সরবরাহ পেলে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি।
শনিবার (৭ মার্চ) সকালে নগরীর মতিহার থানার অক্ট্রয় মোড়ে নয়ান পেট্রোলিয়াম এজেন্সিতে সাড়ে ১০টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি।
এদিকে রাজশাহী বিভাগজুড়ে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি দেখা দেওয়ায় বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। চালকেরা অভিযোগ করছেন, চাহিদামতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধও রাখা হয়েছে। যেসব স্টেশনে তেল রয়েছে, সেগুলোতে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
মোটরসাইকেল নিয়ে তেল নিতে আসা সাপ্তাহিক বাংলার বিবেক পত্রিকার সম্পাদক আবু হেনা মোস্তফা জামান বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে এবং সেখানে হাজার হাজার ট্যাংকার আটকা পড়েছে বলে সংবাদ প্রচার হচ্ছে। তাঁর মতে, যুদ্ধ দ্রুত থামার সম্ভাবনা কম, তাই তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে, এমন আশঙ্কায় তিনি ট্যাংকি পূর্ণ করে তেল নিয়েছেন।
এ বিষয়ে নয়ান পেট্রোলিয়াম এজেন্সির মালিক মোঃ আব্দুল হাই বলেন, ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে তেল পাওয়া নিয়ে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় চাহিদা দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ডিপোতেও এখন আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি গাড়িতে তেল লোড হচ্ছে। দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই, কিন্তু হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহে সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহীতে তেল পৌঁছাতে সময় লাগে, সেই কারণেও ঘাটতি দ্রুত পূরণ করা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, তাদের ফিলিং স্টেশনে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার লিটার পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হয়। কিন্তু বর্তমানে সেই বিক্রি বেড়ে ১১ থেকে ১২ হাজার লিটারে পৌঁছেছে।
শুক্রবার ও শনিবার ডিপো বন্ধ থাকায় তেলের যে ঘাটতির কথা বলেেছন ক্রেতারা সেটা সাময়িক। তবে রবিবার তেল সরবরাহ পেলে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি।