রাজশাহীর তানোরে পুকুরের মাছ লুটে বাধা দেয়ায় ৫ জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।এদের মধ্যে মর্জিনা বেগম (৪৫) নামের এক জনের আঘাত গুরুত্বর হওয়ায় তাকে প্রথমে তানোর উপজেলা হাসপাতাল ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচন্দর গ্রামের মৃত ছমির উদ্দিনের পুত্র আয়েশ উদ্দিন বাদি হয়ে একই গ্রামের শামসুদ্দিন মন্ডলসহ ৮ জনকে বিবাদী করে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) জেল নম্বর ৭০, মৌজা পাঁচন্দর, খতিয়ান নম্বর আরএস ৭৭ এবং আরএস ৩১৫ নম্বর দাগে ০.৬২০০ একর আয়তনের একটি পুকুর রয়েছে। উক্ত পুকুর নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। আদালত মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে পুকুরে মাছ ছাড়া না ধরার নির্দেশনা দিয়েছেন।
কিন্ত্ত গত বৃহস্পতিবার (৫মার্চ) সকালে আদালতের আদেশ অমান্য করে শামসুদ্দিন মন্ডল জোরপুর্বক পুকুরে (ব্যাড় জাল) দিয়ে মাছ ধরা শুরু করে। এ সময় আয়েশ উদ্দিন তাদের মাছ ধরতে নিষেধ করলে তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এদিকে মাছ ধরার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করতে গেলে বিবাদীগণ বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাকে বেধড়ক মারপিট শুরু করে। এ সময় তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম তাকে উদ্ধার করতে গেলে বিবাদীগণ মর্জিনাকেও বেধড়ক মারপিট ও শ্লীলতাহানি করে।এঘটনা মুঠোফোনে ধারণ করে তার ছেলের স্ত্রী পুত্রবধু মুসরেফা বেগম মুঠোফোন নিয়ে বাড়ীতে চলে যায়।কিন্ত্ত বিবাদীগণ তার বাড়ীতে প্রবেশ করে তার ছেলের স্ত্রীকে জোরপূর্বক বাড়ীর বাহিরে নিয়ে এসে মারপিট করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। এমনকি দুইটি মোবাইল ফোন জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে দেয়। যাহার মূল্য ৪১ হাজার টাকা। এবংঘরের মধ্যে সোকেচের ড্রয়ার থেকে নগদ ২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ও বিছানার চাদরের মধ্যে থাকা নগদ ২ লাখ মোট ৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে শামসুদ্দিন মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তাদের ফাঁসাতে এমন অভিযোগ করা হয়েছে।এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানায় ডিউটি অফিসার বলেন,অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) জেল নম্বর ৭০, মৌজা পাঁচন্দর, খতিয়ান নম্বর আরএস ৭৭ এবং আরএস ৩১৫ নম্বর দাগে ০.৬২০০ একর আয়তনের একটি পুকুর রয়েছে। উক্ত পুকুর নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। আদালত মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে পুকুরে মাছ ছাড়া না ধরার নির্দেশনা দিয়েছেন।
কিন্ত্ত গত বৃহস্পতিবার (৫মার্চ) সকালে আদালতের আদেশ অমান্য করে শামসুদ্দিন মন্ডল জোরপুর্বক পুকুরে (ব্যাড় জাল) দিয়ে মাছ ধরা শুরু করে। এ সময় আয়েশ উদ্দিন তাদের মাছ ধরতে নিষেধ করলে তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এদিকে মাছ ধরার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করতে গেলে বিবাদীগণ বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাকে বেধড়ক মারপিট শুরু করে। এ সময় তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম তাকে উদ্ধার করতে গেলে বিবাদীগণ মর্জিনাকেও বেধড়ক মারপিট ও শ্লীলতাহানি করে।এঘটনা মুঠোফোনে ধারণ করে তার ছেলের স্ত্রী পুত্রবধু মুসরেফা বেগম মুঠোফোন নিয়ে বাড়ীতে চলে যায়।কিন্ত্ত বিবাদীগণ তার বাড়ীতে প্রবেশ করে তার ছেলের স্ত্রীকে জোরপূর্বক বাড়ীর বাহিরে নিয়ে এসে মারপিট করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। এমনকি দুইটি মোবাইল ফোন জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে দেয়। যাহার মূল্য ৪১ হাজার টাকা। এবংঘরের মধ্যে সোকেচের ড্রয়ার থেকে নগদ ২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ও বিছানার চাদরের মধ্যে থাকা নগদ ২ লাখ মোট ৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে শামসুদ্দিন মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তাদের ফাঁসাতে এমন অভিযোগ করা হয়েছে।এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানায় ডিউটি অফিসার বলেন,অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।