ঢাকার ধামরাইয়ে মোটরসাইকেল ও বিপরীতমুখী একটি সাইকেলের সংঘর্ষের পর সিমেন্টবোঝাই কাভার্ড ভ্যানের চাপায় পুলিশ কনস্টেবলসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কালামপুর-সাটুরিয়া আঞ্চলিক সড়কের বাটুলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে চালক শাহীন হাওলাদারকে (৩৫) আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।
নিহতরা হলেন—ধামরাই উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের সামছুল হক মল্লিকের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল তারেক হোসেন মল্লিক (৩৭) এবং কুশুরা ইউনিয়নের সিংশ্রী গ্রামের মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে আবদুল কুদ্দুস (৬৫)। তারেক পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত ছিলেন এবং আবদুল কুদ্দুস পেশায় কৃষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত কনস্টেবল তারেক হোসেন মল্লিক মোটরসাইকেলযোগে ঢাকা থেকে ধামরাইয়ের নিজ গ্রাম রাজাপুরে ফিরছিলেন। বিকেলে তিনি বাটুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সাইকেলের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই চালকই সড়কে ছিটকে পড়েন।
এ সময় পেছন থেকে আসা একটি সিমেন্টবোঝাই কাভার্ড ভ্যান তাদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই পুলিশ কনস্টেবল তারেক হোসেন মল্লিক মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন সাইকেলচালক আবদুল কুদ্দুসকে ধামরাই ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজিত কুমার মৃধা জানান, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় ঘটনাস্থলেই পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত সাইকেলচালককে স্থানীয়রা হাসপাতালে নিলেও তিনিও মারা গেছেন। এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কালামপুর-সাটুরিয়া আঞ্চলিক সড়কের বাটুলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে চালক শাহীন হাওলাদারকে (৩৫) আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।
নিহতরা হলেন—ধামরাই উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের সামছুল হক মল্লিকের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল তারেক হোসেন মল্লিক (৩৭) এবং কুশুরা ইউনিয়নের সিংশ্রী গ্রামের মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে আবদুল কুদ্দুস (৬৫)। তারেক পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত ছিলেন এবং আবদুল কুদ্দুস পেশায় কৃষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত কনস্টেবল তারেক হোসেন মল্লিক মোটরসাইকেলযোগে ঢাকা থেকে ধামরাইয়ের নিজ গ্রাম রাজাপুরে ফিরছিলেন। বিকেলে তিনি বাটুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সাইকেলের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই চালকই সড়কে ছিটকে পড়েন।
এ সময় পেছন থেকে আসা একটি সিমেন্টবোঝাই কাভার্ড ভ্যান তাদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই পুলিশ কনস্টেবল তারেক হোসেন মল্লিক মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন সাইকেলচালক আবদুল কুদ্দুসকে ধামরাই ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজিত কুমার মৃধা জানান, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় ঘটনাস্থলেই পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত সাইকেলচালককে স্থানীয়রা হাসপাতালে নিলেও তিনিও মারা গেছেন। এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।