ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর এলাকায় খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি জমির উপর অবৈধভাবে স্থাপিত কয়েকটি দোকানপাট উচ্ছেদের দাবিতে গতকাল ৪ মার্চ বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মহলবাড়ী মৌজার এসএ ১৩৬ নম্বর দাগভুক্ত সরকারি খাস জমিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কয়েকটি হোটেল স্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগকারী মোশাররফ হোসেন জানান, রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদের মূল ফটকের সামনে, পোস্ট অফিসের বিপরীতে এবং খালেক হোটেলের পূর্ব পাশে মহাসড়কের পশ্চিম দিকে ফাইসাল হোটেল, বিসমিল্লাহ হোটেল ও আলমগীরের হোটেল নামে তিনটি দোকান অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে।
ফলে মহাসড়কের ফুটপাত ও ক্যাম্বার বন্ধ হয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে এবং প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার প্রভাব খাটিয়ে প্রায় ১৭ বছর ধরে ওই খাস জমি দখল করে এসব দোকান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন নন্দুয়ার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল্লামা ইকবাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর এবং উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক মামুন আল জিলানি অভিক।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, দীর্ঘদিন তাদের প্রভাবের কারণে এলাকাবাসী মুখ খুলতে সাহস পাননি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষ আশাবাদী হয়ে উঠেছে যে সরকারি জমি দখলমুক্ত করে জনসাধারণের চলাচলের জন্য ফুটপাত উন্মুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাতিজা বেগমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওইসব ঘরে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই বাছাই পূর্বক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মহলবাড়ী মৌজার এসএ ১৩৬ নম্বর দাগভুক্ত সরকারি খাস জমিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কয়েকটি হোটেল স্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগকারী মোশাররফ হোসেন জানান, রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদের মূল ফটকের সামনে, পোস্ট অফিসের বিপরীতে এবং খালেক হোটেলের পূর্ব পাশে মহাসড়কের পশ্চিম দিকে ফাইসাল হোটেল, বিসমিল্লাহ হোটেল ও আলমগীরের হোটেল নামে তিনটি দোকান অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে।
ফলে মহাসড়কের ফুটপাত ও ক্যাম্বার বন্ধ হয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে এবং প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার প্রভাব খাটিয়ে প্রায় ১৭ বছর ধরে ওই খাস জমি দখল করে এসব দোকান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন নন্দুয়ার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল্লামা ইকবাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর এবং উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক মামুন আল জিলানি অভিক।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, দীর্ঘদিন তাদের প্রভাবের কারণে এলাকাবাসী মুখ খুলতে সাহস পাননি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষ আশাবাদী হয়ে উঠেছে যে সরকারি জমি দখলমুক্ত করে জনসাধারণের চলাচলের জন্য ফুটপাত উন্মুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাতিজা বেগমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওইসব ঘরে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই বাছাই পূর্বক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।