ইডেনের মঞ্চে মার্কো জ্যানসেনের লড়াকু হাফ সেঞ্চুরিও শেষ পর্যন্ত বাঁচাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফের্টের বিধ্বংসী ওপেনিং জুটিতে ভর করে ৯ উইকেটে জিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেল নিউ জিল্যান্ড।
প্রথমে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা তোলে ১৬৯ রান। কিন্তু সেই লক্ষ্য কিউয়িদের কাছে কার্যত নেহাতই আনুষ্ঠানিকতা হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র ১২.৫ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউ জিল্যান্ড। হাতে তখনও বাকি ৪৩ বল। শেষবার ২০২১ সালে ফাইনালে উঠেছিল তারা, সেবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যেতে হয়েছিল। পাঁচ বছর পর আবার ট্রফি জয়ের হাতছানি। অন্যদিকে ‘চোকার্স’ তকমা ঝরাতে ব্যর্থ দক্ষিণ আফ্রিকা।
১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই ঝড় তোলেন দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফের্ট। পাওয়ারপ্লেতেই উঠে যায় ৮৪ রান। করবিন বশের প্রথম ওভার থেকে অ্যালেন তোলেন ২২ রান। মার্কো জ্যানসেনের এক ওভারে আসে ১৮। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা কার্যত দিশেহারা।
২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সেইফের্ট। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৫৮ রান করে ফিরলেও কাজটা সেরে গিয়েছিলেন তিনি।
অন্য প্রান্তে থামেননি অ্যালেন। মাত্র ১৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। তারপর আরও বিধ্বংসী রূপ নেন। জ্যানসেনের পরপর দুই বলে ছক্কা ও চার মেরে ৩৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। অর্থাৎ, দ্বিতীয় ৫০ রান করতে লেগেছে মাত্র ১৪ বল। তাঁর ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ৩০৩.০৩। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দ্রুততম সেঞ্চুরি। শেষে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন রাচিন রবীন্দ্র।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্রুত ফিরেছেন মার্কর্যাম (১৮), মিলার (৬), রিকেলটন (০)। কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (২৭ বলে ৩৪)।
৭৭-৫ পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তোলেন ত্রিস্তান স্টাবস ও মার্কো জ্যানসেন। দু’জনে মিলে যোগ করেন ৭৩ রান। স্টাবস ২৯ করে ফিরলেও জ্যানসেন লড়াই চালিয়ে যান। ২৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে শেষ পর্যন্ত ৩০ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে দু’টি করে উইকেট নেন কোল ম্যাককঞ্চি, রাচিন রবীন্দ্র ও ম্যাট হেনরি। তবে শেষ হাসি হেসেছে কিউয়িরাই।
প্রথমে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা তোলে ১৬৯ রান। কিন্তু সেই লক্ষ্য কিউয়িদের কাছে কার্যত নেহাতই আনুষ্ঠানিকতা হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র ১২.৫ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউ জিল্যান্ড। হাতে তখনও বাকি ৪৩ বল। শেষবার ২০২১ সালে ফাইনালে উঠেছিল তারা, সেবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যেতে হয়েছিল। পাঁচ বছর পর আবার ট্রফি জয়ের হাতছানি। অন্যদিকে ‘চোকার্স’ তকমা ঝরাতে ব্যর্থ দক্ষিণ আফ্রিকা।
১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই ঝড় তোলেন দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফের্ট। পাওয়ারপ্লেতেই উঠে যায় ৮৪ রান। করবিন বশের প্রথম ওভার থেকে অ্যালেন তোলেন ২২ রান। মার্কো জ্যানসেনের এক ওভারে আসে ১৮। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা কার্যত দিশেহারা।
২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সেইফের্ট। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৫৮ রান করে ফিরলেও কাজটা সেরে গিয়েছিলেন তিনি।
অন্য প্রান্তে থামেননি অ্যালেন। মাত্র ১৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। তারপর আরও বিধ্বংসী রূপ নেন। জ্যানসেনের পরপর দুই বলে ছক্কা ও চার মেরে ৩৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। অর্থাৎ, দ্বিতীয় ৫০ রান করতে লেগেছে মাত্র ১৪ বল। তাঁর ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ৩০৩.০৩। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দ্রুততম সেঞ্চুরি। শেষে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন রাচিন রবীন্দ্র।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্রুত ফিরেছেন মার্কর্যাম (১৮), মিলার (৬), রিকেলটন (০)। কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (২৭ বলে ৩৪)।
৭৭-৫ পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তোলেন ত্রিস্তান স্টাবস ও মার্কো জ্যানসেন। দু’জনে মিলে যোগ করেন ৭৩ রান। স্টাবস ২৯ করে ফিরলেও জ্যানসেন লড়াই চালিয়ে যান। ২৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে শেষ পর্যন্ত ৩০ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে দু’টি করে উইকেট নেন কোল ম্যাককঞ্চি, রাচিন রবীন্দ্র ও ম্যাট হেনরি। তবে শেষ হাসি হেসেছে কিউয়িরাই।